Category Archives

149 Articles

স্ট্রোক হলে কিভাবে বুঝবেন ?

by isk 0 Comments
স্ট্রোক হলে কিভাবে বুঝবেন ?

স্ট্রোক হয় যখন মস্তিষ্কের কোনও অঞ্চলে রক্ত ​​প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। এটি মস্তিষ্কের কোষে অক্সিজেনের সাপ্লাই কমিয়ে দেয় এবং ব্রেইনের কোষগুলো মরা শুরু করে। এটি যখন ঘটে তখন মস্তিষ্কের সেই অঞ্চল দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ক্ষমতাগুলি হারাতে থাকে।

স্ট্রোকের যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে সেটি খুব গুরুত্ব সহকারে নেওয়া উচিত এবং অনতি বিলম্বে চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

কখন বুঝবেন আপনার স্ট্রোক হয়েছে ?

১. ব্যালেন্সঃ শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হলে, মাথাব্যথা বা মাথা ঘুরালে

২. চোখঃ চোখে ঝাপসা দেখলে

৩. মুখঃ মুখ একদিকে বেঁকে গেলে

৪. হাতঃ হাত অথবা পা দুর্বল হয়ে গেলে

৫. কথাঃ কথা বলতে কষ্ট হলে বা কথা বলতে না পারলে

৬. সময়ঃ এই লক্ষ্মণ গুলো হঠাৎ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে

 

৮০% পর্যন্ত স্ট্রোক প্রতিরোধযোগ্য!

 

ডাঃ মু. ইসমাঈল হোসেন
জুনিয়র কনসালটেন্ট (নিউরোসার্জারি)
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল
শেরে-বাংলা নগর, ঢাকা।
যোগাযোগঃ ০১৯৭৬-১১৩৪১২

সাইকেল চালালে আপনার যে ৭ টি রোগ দূর হবে

by isk 0 Comments
সাইকেল চালালে আপনার যে ৭ টি রোগ দূর হবে

২০২০-২০২১ এসে আমাদের মনে সবচেয়ে যে শব্দটি উঁকি দিয়েছে,তা হল “সুস্থতা”। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে শারীরিক মুভমেন্ট আমাদের শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ রাখতে দারুণ ভাবে সাহায্য করে।মনেও আনে প্রশান্তি।

শারীরিক মুভমেন্ট বিভিন্ন ভাবে করা যায় যেমনঃ খেলাধুলা, সাঁতার,জিমে যাওয়া,হাঁটা ইত্যাদি।তবে এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে মজাদার ও স্বাস্থ্য সম্মত মুভমেন্ট হয় সাইক্লিং বা সাইকেল চালালে।এতে একসাথে পুরো শরীর মুভ করে এবং পায়ের জয়েন্ট গুলোতে অত্যাধিক চাপ পড়ে না।এটি শুধু আনন্দ নয়,একি সাথে এটি ব্যায়ামও।

পেনিস ক্যালকুলেটরঃ জেনে নিন আপনার কি অবস্থা

আমাদের শহুরে জীবনে শারীরিক পরিশ্রম একেবারেই হয় না।সাথে “air refreshment” এর সুযোগও কম।এক্ষেত্রে আপনাকে সাহায্য করতে পারে সাইকেল।একইসাথে শারীরিক পরিশ্রম ও মনের আনন্দ দুটোই হবে।

ফেসবুক গ্রুপ গুলোর হেলথ কার্ড বা ডিস্কাউন্ট কার্ড স্রেফ একটা ধোঁকাবাজি

এছাড়াও সাইকেল চালানো বড় ৭ টি রোগ থেকে আপনাকে রক্ষা করেঃ

১) হৃদরোগ

২) ডায়াবেটিস

৩) ফুসফুসের রোগ (ব্রংকাইটিস)

৪) ক্যান্সার

৫) আথ্রাইটিস

৬) ওবেসিটি

৭) ডিপ্রেশন

 

# হৃদরোগ

যেমন- স্ট্রোক,উচ্চ রক্তচাপ,হার্ট এট্যাক ইত্যাদি।নিয়মিত সাইকেল চালালে আপনার হার্টের ব্লাড সার্কুলেশন বাড়বে এবং হার্টের ম্যাসল গুলো ভালো থাকবে।এতে চর্বি জমার সম্ভাবনা কমে যাবে।১৪ বছর ধরে ৩০হাজার লোকের উপর চালানো একটি ডেনিশ গবেষণায় দেখা গেছে, ২০-৯৩ বয়সী মানুষ গুলোর মধ্য তাদেরই হার্ট সুস্থ আছে, যারা নিয়মিত সাইকেল চালাতেন বা সাইক্লিং করতেন।

# ডায়াবেটিস

এটি একটি মারাত্মক কমন রোগ হয়ে দাড়িয়েছে আমাদের সমাজে।বিশেষ করে টাইপ-২ ডায়াবেটিস দিন দিন বাড়ছে।ডায়াবেটিস মূলত একটি অভ্যাসগত রোগ।যার জন্য দায়ী আমাদের শারীরিক পরিশ্রমে অনীহা। ফিনল্যান্ডের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন ৩০ মিনিট এর বেশী সাইক্লিং করে তাদের ডায়াবেটিস হবার সম্ভাবনা ৪৯% কমে যায়।

# ফুসফুসের রোগ (ব্রংকাইটিস)

ফুসফুস জনিত রোগ মূলত বাতাস ভেসে বেড়ানো বিভিন্ন প্যাথোজেন থেকেই হয়,তবে আরো বিভিন্ন কারণে হতে পারে যেমন-ধূমপান।আমরা শহরে সবাই মূলত বদ্ধ ঘরে বা রুমে বা বিল্ডিং বাস করি।আমরা ফ্রেশ এয়ার সার্কুলেশন সচরাচর পাই না।যার কারণে দেখবেন,আমাদের নতুন জেনারেশনের বাচ্চারা এজম্যা, নিউৃোনিয়া এগুলো দ্বারা নিয়মিত আক্রান্ত হচ্ছে।সাইকেল আপনাকে এ সমস্যা থেকে বেশ খানিকটা মুক্তি দিতে পারে।নিয়মিত ২০ মিনিট সাইকেল চালালে আপনার লাং ম্যাসল গুলো স্ট্রং ও এক্টিভ থাকে।এতে নিঃশ্বাস নেয়ার প্যাসেজ গুলো ক্লিয়ার থাকে।

একটি ডেনিশ গবেষণায় প্রমাণিত হয়ছে, যারা নিয়মিত গাড়ী ব্যবহার করে অফিসে যায়, তাদের ফুসফুস বা লাং বেশী দূষিত ও আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায় ৩০%

# ক্যান্সার

সাইকেল চালানো ও ক্যান্সার নিয়ে অনেক গবেষক প্রচুর গবেষণা করেছেন।সবগুলো গবেষণা থেকে একটাই রেজাল্ট এসেছে,তা হল- নিয়মিত সাইকেল চালালে ক্যান্সারের ঝুকি কমে যায় বিশেষ করে কোলন ক্যান্সার এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে স্তন ক্যান্সারের সম্ভাবনা অনেকখানি কমিয়ে দেয়।

# আথ্রাইটিস

নিয়মিত সাইকেল চালানো আমাদের শরীরকে মজবুত ও ব্যান্সাড রাখে।এটি আমাদের ম্যাসল গুলোকে হাইলি এক্টিভ রাখে এবং সাইকেলে জয়েন্টে খুব বেশী চাপ পড়ে না। তবে যাদের অস্টিওপরোসিস আছে (হাড়ক্ষয়) রোগ আছে তাদের জন্য সাইক্লিং ভালো অপশন নয়।

# ওবেসিটি

ওবেসিটি বা মোটা হয়ে যাওয়া এখন হাসির ব্যাপার নয়,সাচ্ছন্দ্যের ব্যাপারও নয়।শরীরে ওজন অতিরিক্ত বেড়ে গেলে এ থেকে নানা ধরনের রোগ জন্ম নেয়।নিয়মিত সাইকেল চালালে এটি আমাদের শরীরের ওজন কমাবে,মেটাবলিক রেট বাড়াবে ও শরীরের চর্বি কমাবে।

নিয়মিত সাইকেল চালালে ১ সপ্তাহে ২ হাজার ক্যালরি বার্ন করা যাবে।ব্রিটিশ এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন আধ ঘন্টা সাইক্লিং এর মাধ্যমে বছরে ৫ কেজি চর্বি কমানো সম্ভব।

# ডিপ্রেশন

সাইক্লিং এর মাধ্যমে বিষন্নতা, স্ট্রেস, উদ্বিগ্নতা ইত্যাদি নেতিবাচক মানসিক সমস্যা অনেকাংশে দূর করা যায়।এটি একই সাথে শরীর ও অবচেতন মনের উপর প্রভাব বিস্তার করে। মানুষের মনকে অপ্রয়োজনীয় দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত রাখে।এট মানুষের রিলিফ রুট হিসেবে কাজ করে।

 

বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরণের সাইকেল পাওয়া যায়ঃ

১) মাউন্টেন বাইক

২) রাইডার বাইক

৩) স্যান্ড বাইক /ফ্যাট বাইক

৪) ফিক্সি বাইক

৫) বিএমএক্স বাইক

৬) হাইব্রীড বাইক

 

কোথা থেকে কিনবেনঃ

এখন অনলাইনে সব পাওয়া যাচ্ছে,শুধু অর্ডার করাটা বাকী।তবে যদি নিজে দেখে শুনে নিতে চান এবং বাজেট সাশ্রয় করতে চান তাহলে আপনাকে যেতে হবে নিউমার্কেট ও সদরঘাট,চট্টগ্রাম।এখানে সব ধরণের সাইকেল পাবেন এবং তা পাইকারি দামে।

 

নিয়মিত সাইকেল চালানোর উপকারীতা আসলে অনেক।এখানে আমরা অল্প কিছু এডাভন্টেজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর গুলো সম্পর্কে জানলাম।আমরা নিজেরা সচেতন হই কারণ Prevention is better than Cure

 

 

 

১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দিয়ে কি বুঝায় ???

by isk 0 Comments
১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দিয়ে কি বুঝায় ???

আমরা বাংলাদেশের মানুষ উপকূলীয় এলাকায় হওয়ায়,আমাদের প্রায়ই বিভিন্ন ধরণের ঘূর্ণিঝড়ের সম্মুখীন হতে হয়।এতে প্রতি বছর কয়েক হাজার কোটি টাকার সম্পদের ক্ষতি ও জীবননাশ হয়।জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সামনে এ দূর্যোগ প্রবণতা আরো বাড়বে।

যারা একেবারে উপকূলীয় এলাকায় থাকেন, উনারা এসব বিষয় নিয়ে অনেক সচেতন এবং সবসময় একটা প্রস্তুতি থাকে।

আপনি কি জানেন- আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে দেওয়া বিভিন্ন পূর্বাবাস দ্বারা কি বুঝায়  ?

আসুন,জেনে নিই——-

ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কেন্দ্রের কর্মকর্তারা জানান, দুর্যোগ-পূর্ববর্তী এলাকাভিত্তিক বিভিন্ন সংকেত মাইকে প্রচার করা হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে—

# দূরবর্তী সতর্ক সংকেত

# দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত

# স্থানীয় সতর্ক সংকেত

# স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত

# বিপদ সংকেত

# মহাবিপদ সংকেত

# যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেত

ঝড়ের সময় আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সমুদ্রবন্দরের ক্ষেত্রে ১১টি এবং নদীবন্দরের ক্ষেত্রে ৪টি সংকেত নির্ধারিত আছে।

এই সংকেতগুলো সমুদ্রবন্দর ও নদীবন্দরের ক্ষেত্রে ভিন্ন বার্তা বহন করে।

# সমুদ্র বন্দরের জন্য প্রযোজ্য ১১টি সংকেতঃ

১) নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত:

জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার পর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সম্মুখীন হতে পারে। দূরবর্তী এলাকায় একটি ঝোড়ো হাওয়ার অঞ্চল রয়েছে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬১ কিলোমিটার। ফলে সামুদ্রিক ঝড়ের সৃষ্টি হবে।

২) নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত:

গভীর সাগরে একটি ঝড় সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিলোমিটার। বন্দর এখনই ঝড়ে কবলিত হবে না, তবে বন্দর ত্যাগকারী জাহাজ পথে বিপদে পড়তে পারে।

৩) নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত:

বন্দর ও বন্দরে নোঙর করা জাহাজগুলোর দুর্যোগকবলিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বন্দরে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং ঘূর্ণি বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার হতে পারে।

৪) নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত:

বন্দর ঘূর্ণিঝড়–কবলিত। বাতাসের সম্ভাব্য গতিবেগ ঘণ্টায় ৫১-৬১ কিলোমিটার। তবে ঘূর্ণিঝড়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়ার মতো তেমন বিপজ্জনক সময় হয়নি।

৫) নম্বর বিপৎসংকেত:

বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিলোমিটার। ঝড়টি বন্দরকে বাঁ দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৬) নম্বর বিপৎসংকেত:
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতার এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিলোমিটার। ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৭) নম্বর বিপৎসংকেত:

বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতার এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিলোমিটার। ঝড়টি বন্দরের ওপর বা এর কাছ দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৮) নম্বর মহাবিপৎসংকেত:

বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়তে পারে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা এর বেশি হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে বাঁ দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।

৯) নম্বর মহাবিপৎসংকেত:

বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা এর বেশি হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।

১০) নম্বর মহাবিপৎসংকেত:

বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তার বেশি হতে পারে।

১১) নম্বর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেত:

আবহাওয়ার বিপৎসংকেত প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং স্থানীয় আবহাওয়া কর্মকর্তা পরিস্থিতি দুর্যোগপূর্ণ বলে মনে করেন।

# নদী বন্দরের জন্য প্রযোজ্য চারটি সংকেতঃ

১) নম্বর নৌ সতর্কতা সংকেত:

বন্দর এলাকা ক্ষণস্থায়ী ঝোড়ো আবহাওয়ার কবলে নিপতিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার গতিবেগের কালবৈশাখীর ক্ষেত্রেও এই সংকেত প্রদর্শিত হয়। এই সংকেত আবহাওয়ার চলতি অবস্থার ওপর সতর্ক নজর রাখারও তাগিদ দেয়।

২) নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত:

বন্দর এলাকায় নিম্নচাপের সমতুল্য তীব্রতার একটি ঝড়, যার গতিবেগ ঘণ্টায় অনূর্ধ্ব ৬১ কিলোমিটার বা একটি কালবৈশাখী, যার বাতাসের গতিবেগ ৬১ কিলোমিটার বা তদূর্ধ্ব। নৌযান এদের যেকোনোটির কবলে নিপতিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ৬৫ ফুট বা তার কম দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট নৌযানকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।

৩) নম্বর নৌ বিপৎসংকেত:

বন্দর এলাকা ঝড়ে কবলিত। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ একটানা ৬২-৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিবেগের একটি সামুদ্রিক ঝড় শিগগিরই বন্দর এলাকায় আঘাত হানতে পারে। সব নৌযানকে অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ করতে হবে।

৪) নম্বর নৌ মহাবিপৎসংকেত:

বন্দর এলাকা একটি প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার সামুদ্রিক ঝড়ে কবলিত এবং শিগগিরই বন্দর এলাকায় আঘাত হানবে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তদূর্ধ্ব। সব ধরনের নৌযানকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে হবে।

আবহাওয়া বিপদ সংকেত গুলো সম্পর্কে আমাদের জানা উচিত এবং অপরকে জানানো উচিত।সচেতনতাই এরকম প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা করার একমাত্র হাতিয়ার।

Source: www.prothomalo.com

 

ফেসবুক গ্রুপ গুলোর হেলথ কার্ড বা ডিসকাউন্ট কার্ড- স্রেফ একটা ধোঁকাবাজি!

by isk 0 Comments
ফেসবুক গ্রুপ গুলোর হেলথ কার্ড বা ডিসকাউন্ট কার্ড- স্রেফ একটা ধোঁকাবাজি!

আমরা যারা মনে করি এসব কার্ড দিয়ে আমরা ডিসকাউন্ট পাই তাহলে আমরা ভুলের স্বর্গে আছি।বেসরকারি সব হাসপাতাল-ক্লিনিক সত্যিকার অর্থেই মুনাফার জন্য ব্যবসা করে।তবে হ্যা,তারা রোগীদের অবস্থা ও বিল সাপেক্ষে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডিসকাউন্ট দিয়ে থাকে।তবে এটা একান্ত প্রয়োজন হলে।

হাসপাতাল বা ক্লিনিক কতৃপক্ষ তাদের সেবার যে মূল্য নির্ধারণ করেন তা সেবার কোয়ালিটি ও অন্যান্য আনুসঙ্গিক চার্জ এর সমষ্টি।এর থেকেই হাসপাতালের স্টাফ বেতন,বিদ্যুৎ,পানি,কেমিক্যাল বা রিয়েজেন্ট,পপশেন্ট সাপোর্টিং হাজারো খরচের এর পেমেন্ট।

হাসপাতাল বা ক্লিনিক কতৃপক্ষ তাদের সেবার মূল্য কখনো কমাতে চাই না বা চাইলেও পারবে না।হয় মূল্য বাড়িয়ে আপনাকে ডিসকাউন্ট দিতে হবে না হয় সেবার মান বা টেস্টের কোয়ালিটি কমিয়ে আপনাকে ডিসকাউন্ট দিতে হবে।

অন্য কোন উপায় নেই।

এবার আসুন, যারা বলে আমার/আমাদের কথা বলুন বা রেফারেন্স দিন, কমিয়ে রাখবে/ডিসকাউন্ট দিবে—-কতটা সঠিক?

এটা আসলে উপরের থিওরী বাস্তবায়ন করে,সাথে রোগী প্রতি রেফারের জন্য একটা কমিশন পেয়ে থাকে।

এতে রোগী কোন ভাবেই উপকৃত হয় না,বরং ক্ষতিগ্রস্থ হয়।ব্যক্তিগত ভাবে অনুরোধ করলে যে পরিমাণ ডিসকাউন্ট পেত,এখন সে তাও পায় না।

যে ডিসকাউন্ট টা পায়, তা সাধারণত বাড়িয়ে তারপর দেয়া হয়  অথবা ছোট ছোট ল্যাব গুলো টেস্ট অমিট করে বা বালতি টেস্ট করে।

ব্যক্তিগত ভাবে আপনি নিজে গিয়ে টেস্ট করালে এবং আপনার ডাক্তার যদি কমিশন না খায়, তাহলে ব্লাড টেস্ট গুলোতে ৩০% করে ডিসকাউন্ট দেয়া সম্ভব এবং অনেক ল্যাব দেয়।বাকী ইমেজিং টেস্ট গুলোতে ১০%-১৫% ডিস্কাউন্ট দেয়া সম্ভব।

আমার কথা গুলোর সত্যতা পাবেন যারা হাসপাতালের রিসেপশনে কাজ করেন তাদের সাথে কথা বলে।

পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক,
মেডিকেল টেকনোলজিস্ট

হাঁটু ব্যথার আধুনিক চিকিৎসা “পি.আর.পি” (PRP Therapy) থেরাপি

by isk 0 Comments
হাঁটু ব্যথার আধুনিক চিকিৎসা “পি.আর.পি” (PRP Therapy) থেরাপি

প্রায়ই দেখা যায় হাঁটু ব্যাথার কারণে বয়স্কদের হাঁটাচলায় কষ্ট হয়। দিন দিন চেয়ারে বসে নামাজ পড়ার প্রবণতাও বাড়ছে। যার অন্যতম কারণ হাঁটুর অস্টিওআর্থ্রাইটিস বা বয়সজনিত ক্ষয়বাত। বিশ্বজুড়ে চিকিৎসকেরা পিআরপি (প্লেটিলেট রিচ প্লাজমা) থেরাপির মাধ্যমে হাঁটু ব্যথার দীর্ঘস্থায়ী উপশম অর্জনে সক্ষম হয়েছেন।

পেনিস ক্যালকুলেটরঃ জেনে নিন আপনার কি অবস্থা

তাই আসুন জেনে নিই হাঁটু ব্যাথায় পিআরপি নিয়ে নানা প্রশ্ন ও উত্তর ……………

প্রশ্ন : হাঁটুর বয়সজনিত ক্ষয়বাত বা অস্টিওআর্থ্রাইটিস কী ?
উত্তর : বয়স্কদের হাঁটুর অস্থি (হাড়) ও তরুণাস্থি (নরম হাড়) গুলোতে ক্ষয়ের কারণে গঠনগত পরিবর্তন হয়ে যে রোগ হয়, তাকেই হাঁটুর বয়সজনিত ক্ষয়বাত বা হাঁটুর অস্টিওআর্থ্রাইটিস বলে।

প্রশ্ন : কারা ঝুঁকিতে আছে ?
উত্তর : যাদের বয়স ৫০ এর অধিক, পুরুষের তুলনায় মহিলাদের বেশি হয়।

প্রশ্ন : পি.আর.পি থেরাপি (প্লেটিলেট রিচ প্লাজমা) কি ?
উত্তর : রোগীর শরীরের নিজস্ব রক্ত হতে বিশেষ পদ্ধতিতে সেন্ট্রিফিউজ/ঘূর্ণন মেশিনের মাধ্যমে প্লেটলেট বা অনুচক্রিকার স্তর আলাদা করা হয়, যে স্তরে প্রচুর গ্রোথ ফ্যাক্টর(উৎপাদনকারী পদার্থ) থাকে। গ্রোথ ফ্যাক্টর সম্ম্রদ্ধ অনুচক্রিকার এই স্তরটিকে বলা হয় পি.আর.পি (প্লেটিলেট রিচ প্লাজমা)

প্রশ্ন : কীভাবে হাঁটুর ক্ষয়বাত বা অস্টিওআর্থ্রাইটিসে পিআরপি চিকিৎসা করা হয় ?
উত্তর : প্রথমে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখা হয়, হাঁটুর ক্ষয়বাত বা অস্টিওআরথ্রাইটিস রোগটি কোন পর্যায়ে আছে। এর ওপর নির্ভর করে চিকিৎসা দেয়া হয়। মূলত রোগীর শরীর থেকে রক্ত নেয়া হয়, এরপর রক্ত থেকে পিআরপি আলাদা করে এটিকে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে হাঁটুর ভিতরে
দেয়া হয়।

প্রশ্ন : হাঁটু ব্যাথায় পিআরপি থেরাপি কিভাবে কাজ করে ?
উত্তরঃ প্লেটিলেট বা অনুচক্রিকা হল গ্রোথ ফেক্টরে পরিপূর্ণ একটি কোষ। যখন কোন জায়গায় ক্ষত হয়, তখন এই প্লেটলেট এসে ক্ষত জায়গায় জড়ো হয়। তারপর প্লেটলেট বেশ কিছু সংখ্যক গ্রোথ ফেক্টর ছেড়ে দেয়। বিজ্ঞানীরা লক্ষ করলেন, যদি এই প্লেটলেট আমরা আক্রান্ত হাঁটুর ভিতরে বেশী পরিমাণে দেয়া যায়, তাহলে বেশী পরিমাণে গ্রোথ ফেক্টর পাওয়া যাবে। যা হাঁটুর তরুণাস্থি বা নরম হাড়ের ক্ষয় পূরণে অনেক সাহায্য করবে।

প্রশ্ন : হাঁটুতে পি,আর,পি ইঞ্জেকশন কতবার দেওয়া উচিত ?
উত্তর: সাধারণত ছয় মাস সময়সীমার মধ্যে তিনটি পিআরপি পর্যন্ত ইনজেকশন দেওয়া যেতে পারে।

প্রশ্ন : কতদিন পর পর পি,আর,পি ইঞ্জেকশনগুলো দেওয়া হয় ?
উত্তর: সাধারণত দুই থেকে তিন সপ্তাহ পর পর দেওয়া হয়।

প্রশ্ন : হাঁটুর ক্ষয়বাতের চিকিৎসায় পি,আর,পি কতটুকু কার্যকরী ?
উত্তর: সাধারণত পি,আর,পি থেরাপি নেয়ার ছয় থেকে নয় মাস পর এর পরিপূর্ণ ফল পাওয়া যায়। বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন, হাঁটুর তরুনাস্তি/নরম হাড়ের ক্ষয় পূরণ ও দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা কমানোর জন্য পি,আর,পি থেরাপি খুবই কার্যকর।

পি.আর.পি থেরাপির কি বিশ্বস্বীকৃত ?
হ্যা,আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত দেশগুলোতে সফলতার সাথে হাঁটু ক্ষয়বাতের চিকিৎসায় পিআরপি থেরাপি প্রয়োগ করা হচ্ছে।

**🔹🔹সম্পাদনায়🔹🔹**

ডাঃ মোঃ মাহফুজুর রহমান
এমবিবিএস
এফসিপিএস (ফিজিক্যাল মেডিসিন)
এফডিপিসি (পেইন ম্যানেজমেন্ট, ইন্ডিয়া)
কনসালটেন্ট, পার্কভিউ হসপিটাল প্রাঃ লিঃ, চট্টগ্রাম
যোগাযোগঃ ০১৮২৮ ৪৪৭৯৬৬

চট্টগ্রামে একটা নাম্বারেই, মিলবে সব স্বাস্থ্য সেবা

চট্টগ্রামে একটা নাম্বারেই, মিলবে সব স্বাস্থ্য সেবা

ব্যস্ততা।ব্যস্ত জীবন।কাজের চাপে সময় ফুড়িয়ে যায়।নিজের দিকেই খেয়াল করার সময়ও থাকে না।চাইলেও নিজের পরিবারের সবার ঠিকমত খোঁজ রাখা যায় না।যদি পরিবারের দুজনই ব্যস্ত হয়, তাহলে সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করে।পরিবারের সবচেয়ে ছোট কিংবা বড়,যাদের যত্ন একটু বেশীই দরকার।হয়তো করা হয়ে উঠে না।পুরো ব্যাপারটা আপনি বুঝতে পারছেন কিন্তু সময়ের কাছে অসহায়!

আপনার এই অসহায় সময়ে,আমরা HealthyCtg টীম আছি আপনার পাশে।আপনার খরচে আর আমাদের গরজে আমরা আপনার পরিবারের খেয়াল রাখবো।

চট্টগ্রামে আমরাই প্রথম হোম হেলথ কেয়ার,হেলথ কেয়ার প্রডাক্ট ও হোম কেয়ার প্রডাক্ট নিয়ে কাজ করছি।

আমাদের রয়েছে বিভিন্ন মেডিকেল সার্ভিসঃ

১) ভ্যাক্সিনেশান

২) ড্রেসিং

৩) স্যালাইন ইনফিউশন

৪) ইঞ্জেকশন ইনফিউশন

৫) ক্যানুলা সেটিং

৬) ক্যাথেটার ইনফিউশন

৭) ল্যাব স্যাম্পল কালেকশন

৮) টেস্ট রিপোর্ট কালেকশন

৯) বাসায় গিয়ে এক্স-রে করা

১০) বাসায় গিয়ে ইসিজি করা

১১) ইমার্জেন্সী মেডিসিন সাপ্লাই

১২) নেভুলাইজার সাপোর্ট

১৩) অক্সিজেন সাপ্লাই

১৪) ফিজিওথেরাপিস্ট

১৫) পেশেন্ট এসিসটেন্ট

১৬) সিনিয়র সিটিজেন কেয়ার

১৭) ন্যানি সাপোর্ট

১৮) আইসিইউ অ্যাম্বুল্যান্স

১৯) স্পেশাল ওয়ান স্টপ সার্ভিস (শুধুমাত্র প্রবাসীদের জন্য)

২০) মেডিকেল বোর্ড সার্ভিস ( ক্রিটিক্যাল পেশেন্টের জন্য )

২১) জেনারেল ও আইপিএস ইলেক্ট্রিশিয়ান ( মেডিক্যাল প্রফেশনালদের জন্য)

২২) এসি ও ফ্রিজ টেকনিশিয়ান ( মেডিক্যাল প্রফেশনালদের জন্য)

আমাদের কাছে রয়েছে, আপনার দৈনন্দিন জীবনের অতিপ্রয়োজনীয় মেডিকেল ও হেলথ প্রডাক্ট এর  কালেকশন।আমরা প্রতিটি প্রডাক্ট অর্ডারের সর্বোচ্চ  ২ ঘন্টার মধ্যে হোম ডেলিভারি করি।যাতে আপনি ঘরে বসে স্বল্প সময়ে সেবা পান।

সেবা নিতে ভিজিট করুন, www.healthyctg.com

অথবা সরাসরি  কল করুন  ০১৮১৮-৭৭ ৪৫ ১৫

Reference: www.healthyctg.com

 

ফিজিওথেরাপিস্ট ও ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিয়ে সংক্ষিপ্ত ধারণা 

by isk 0 Comments
ফিজিওথেরাপিস্ট ও ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিয়ে সংক্ষিপ্ত ধারণা 

ফিজিওথেরাপি :

ফিজিও (শারীরিক) ও থেরাপি (চিকিৎসা) শব্দ দুটি মিলে ফিজিওথেরাপি বা শারীরিক চিকিৎসা। ফিজিওথেরাপি আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক অন্যতম ও অপরিহার্য শাখা।

কেন এই ফিজিওথেরাপি:

আমরা যদি আমাদের শরীরের বিভিন্ন রোগের কথা চিন্তা করি তা হলে দেখতে পাব- শুধু ওষুধ সব রোগের পরিপূর্ণ সুস্থতা দিতে পারে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওষুধের পাশাপাশি অপারেশনের প্রয়োজন হয়। তেমনি কিছু কিছু রোগে ওষুধের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে যেসব রোগের উৎস বিভিন্ন মেকানিক্যাল সমস্যা ও ডিজেনারেটিভ বা বয়সজনিত সমস্যা।

ফিজিওথেরাপিস্ট এবং তার যোগ্যতা:

বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল কতৃক স্বীকৃত ফিজিওথেরাপিস্ট হচ্ছেন যিনি স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে চার বছর পড়ালেখা এবং এক বছর বাধ্যতামূলক ইন্টার্নি সহ পাঁচ বছর বিএসসি ইন ফিজিওথেরাপি সম্পন্ন করেন। এছাড়া উচ্চতর ডিগ্রী ধারী মাস্টার্স ইন ফিজিওথেরাপি এবং ডক্টর অফ ফিজিওথেরাপি , পিএইচডি ধারী ফিজিওথেরাপিস্ট এই চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। এছাড়া কাউন্সিল কতৃক স্বীকৃত ডিপ্লোমা ধারী ফিজিওথেরাপিষ্টগণ এবং সম্মানিত টেকনিশিয়ান উনাদের তত্ত্বাবধানে থেকে ফিজিওথেরাপি তে সহায়তা করে থাকেন।

রেফারাল সিস্টেম :

সম্মানিত ডাক্তার তার ওষুধ পত্র এবং অন্যান্য চিকিৎসার পদ্ধতি গ্রহণ করে পুনর্বাসন অথবা ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার জন্যে একজন অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্ট এর নিকট সরাসরি রেফার করে থাকেন। অথবা রোগী সরাসরি একজন ফিজিওথেরাপিস্ট এর শরণাপন্ন হন। সেই ক্ষেত্রে সম্মানিত ফিজিওথেরাপিস্ট পরিপূর্ণ চিকিৎসার জন্যে সংশ্লিষ্ট ডাক্তারের নিকট রেফার করে থাকেন। যেমন বাত-ব্যথা, স্পোর্টস ইনজুরি, হাড়ের ক্ষয়জনিত ব্যাথা, সারভাইক্যাল ও লাম্বার স্পন্ডাইলোসিস, ডিস্ক প্রলেপস, অষ্টিও-আরথ্রাইটিস, ফ্রোজেন সোল্ডার বা জয়েন্ট শক্ত হয়ে যাওয়া, প্লাস্টার বা অপারেশন পরবর্তী জয়েন্ট স্টিফনেসস, স্ট্রোকজনিত প্যারালাইসিস, ফেসিয়াল নার্ভ প্যারালাইসিস বা বেলস পালসি, সেরেব্রাল পালসি বা সিপি বাচ্চা ইত্যাদি।

কোথায় ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নেবেন:

বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এর মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ সঠিক ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা পায় না। অপচিকিৎসার স্বীকার হন। আমাদের দেশে এই চিকিৎসা সেবাটি বিভিন্ন মহলের অপপ্রচার (ব্যায়াম ও স্যাক) ও অপব্যবহার (কোয়ালিফাইড ফিজিওথেরাপিষ্ট ছাড়া কোয়াক, চিকিৎসকের এটেনডেন্ট, ওয়ার্ড বয় কর্তৃক ফিজিওথেরাপি গ্রহণ করা) এর কারণে সাধারণ মানুষ সঠিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

তাই ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা ও পরামর্শ নেয়ার জন্য অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টের নিকট যাবেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে হাসপাতালে বা ক্লিনিকে ভর্তি থেকে অথবা ক্ষেত্র বিশেষে (পক্ষাঘাত, স্ট্রোক, একসিডেন্ট) বাসায় ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিতে হয় সেক্ষেত্রে রোগী দ্রুত আরগ্য লাভ করে।

যত্রতত্র ফিজিওথেরাপি নিয়ে প্রতারিত হবেন না। তবে আশার ব্যাপার হল মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন। তাই ফিজিওথেরাপি সর্বদা একজন অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শে গ্রহণ করবেন। ভালো থাকবেন।

ইফতেখারুল ইসলাম পাঠান
ফিজিওথেরাপি ইনচার্জ
সি এস সি আর (CSCR Hospital)
যোগাযোগ : 01988594603

ফ্রোজেন সোল্ডার এবং বিজ্ঞানসম্মত ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা,চট্টগ্রাম

by isk 0 Comments
ফ্রোজেন সোল্ডার এবং বিজ্ঞানসম্মত ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা,চট্টগ্রাম

ফ্রোজেন শোল্ডার কি ?

ফ্রোজেন শোল্ডার বা অ্যাডহেসিভ ক্যাপ্সুলাইটিস হল এমন একটা অবস্থা যা কাঁধ স্টিফ বা ব্যথা অথবা নড়াচড়ায় অস্বস্তির সৃষ্টি করে। এটি কোন আপাত কারণ ছাড়াই কাঁধের নড়াচড়াকে সীমাবদ্ধ করে। আন্তর্জাতিকভাবে, ফ্রোজেন শোল্ডারের ব্যাপকতা ২%-৩%-এর মধ্যে পাওয়া গিয়েছে। এটি সাধারণত ৪০-৭০ বছর বয়সে ঘটে এবং পুরুষের তুলনায় মহিলাদের প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

ফ্রোজেন শোল্ডার সমস্যাটি তিনটি স্টেজ/ পর্যায়ে লক্ষণ দেখা দেয় যেমন-

১। র্ফাস্ট স্টেজ: র্ফাস্ট স্টেজ কে বলা হয় ফ্রিজিং স্টেজ। এই স্টেজ এ ব্যথা থাকে কিন্তুু হাত তুলতে তেমন সমস্যা হয় না। রাত এবং সকালে ব্যথা থাকতে পারে। এই স্টেজ ৩-৯ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

২। সেকেন্ড স্টেজ:
সেকেন্ড স্টেজ বলা হয় ফ্রোজেন স্টেজ। সেকেন্ড স্টেজ এ ব্যথা তীব্রতা বেড়ে যায় তার সঙ্গে হাতের মুভমেন্ট কমে যায়,রাত এবং সকালে ব্যথা বেড়ে য়ায। যার ফলে-

– কাঁধ থেকে হাতটা ওপরে ওঠাতে গেলেই ব্যথা অথবা হাত মাথার ওপরে ওঠাতেই কষ্ট হয়, পেছনে নিতে কিংবা জামা পরতে গিয়ে কষ্ট হয়
– কাঁধ শক্ত হয়ে যায়।
– কাঁধ থেকে হাত নড়াতে কষ্ট হয়
– আক্রান্ত পাশে শুতে কষ্ট হয়
এই পর্যায় টি ৪-১২ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

৩।র্থাড স্টেজ:
র্থাড স্টেজকে বলা হয় স্টেজ ওফ রিকাভারি, অর্থাৎ এই সতেজ এ হারিয়ে যাওয়া মুভমেন্টগুলো পুনরায় ফিরে আসে এবং ব্যথা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। চিকিৎসা না নিলে এটি ১-৩ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

শনাক্তকরণঃ

ফ্রোজেন শোল্ডারে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এক্স-রে বা এমআরআই করে ক্যাপসুলে প্রদাহের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে রোগীর শারীরিক পরীক্ষা LAM/ ল্যাম টেস্টের মাধ্যমে সমস্যা নিশ্চিত করেন।

চিকিৎসাঃ

সম্মানিত ডাক্তার, ফিজিওথেরাপিস্ট এবং রোগীর ইচ্ছা শক্তি এবং ধৈর্য এই চিকিৎসার মূল প্রেরণা।
যেহেতু এটি দীর্ঘদিন যাবত থাকে তাই অবশ্যই একজন ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন প্রয়োজন।

ফ্রোজেন শোল্ডারের রোগীর কাছে মনে হয় ব্যথাই প্রধান সমস্যা। কিন্তু পরবর্তীতে মূল সমস্যা হয় জয়েন্ট শক্ত হয়ে যাওয়া। রোগী ব্যথার ভয়ে হাত নাড়ানো বন্ধ রাখলে জয়েন্ট আরও শক্ত হয়ে যাবে। তাই এ ক্ষেত্রে ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রেখে হাত নাড়াচাড়া করার ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার জন্য ফিজিওথেরাপি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে।

ফিজিওথেরাপি চিকিৎসাঃ

তিনটি পর্যায় রয়েছে, তাই এর ফিজিওথেরাপি চিকিৎসাও পর্যায় অনুযায়ী করতে হবে। ফ্রোজেন শোল্ডারের রোগীদের জন্য ইলেক্ট্রোথেরাপি এবং ম্যানুয়াল চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেমন-

ইলেক্ট্রোথেরাপি:
১) TENS
২) SWD
৩) UST

ম্যানুয়াল চিকিৎসা :
– MWM (Mulligan technique)
– Gliding
– Shoulder girdle mobilaization
– Second stage (Intra-articular injection)
– এ ছাড়াও সেল্ফ থেরাপিউটিক এক্সারসাইজগুলো- এগুলোর মধ্যে -পেন্ডুলাম এক্সারসাইজ এবং ট্র্যাপ ফ্লাই।
– স্ক্যাপুলার স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ,
– পুলি এক্সারসাইজ (এবডাকশন পুলি)
-ওয়াল ক্লামভিং এক্সারসাইজ

ফিজিওথেরাপি সর্বদা একজন অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শে গ্রহণ করবেন। ভালো থাকবেন।

ইফতেখারুল ইসলাম পাঠান
ফিজিওথেরাপি ইনচার্জ
সি এস সি আর (CSCR Hospital)
যোগাযোগ : 01988594603

তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন, পুরস্কার জিতে নিন

by isk 0 Comments
তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন, পুরস্কার জিতে নিন

আমাদের একার পক্ষে চট্টগ্রাম শহরের সব ডাক্তারের চেম্বার এর বিস্তারিত জানা সম্ভব না,যার কারণে আমাদের সম্মানিত ভিজিটরগণকে অনেক সময় পর্যাপ্ত তথ্য দিতে পারি না।

আপনার সামান্য সহযোগিতা অন্যকে তথ্য পেতে সাহায্য করবে।সাথে আমাদের পক্ষ থেকে থাকবে পুরস্কার।

আপনি নিম্নে বর্ণিত এলাকা সমূহের, ডাক্তারের চেম্বারের বিস্তারিত আমাদের ফেসবুক পেইজে মেসেজ করুন। ২০ জন ডাক্তারের চেম্বার ডিটেইলস দিলেই আপনি পাবেন ৫০০/ বিকাশ।

 

সেবা এলাকা সমূহ হলঃ

১) হালিশহর

২)আগ্রাবাদ

৩)কাটগড়

৪) পতেঙ্গা

৫)ফ্রী পোর্ট

৬)বহদ্দারহাট

৭) মোহরা,কাপ্তাই রাস্তার মাথা

 

মেসেজের সাথে আপনার তথ্যও দিনঃ
নাম

বয়স

পেশা

ফোন নাম্বার(যেটায় বিকাশ একাউন্ট আছে)

 

আমাদের পেইজ লিংক-  https://www.facebook.com/hellodoctorctg

চট্টগ্রামের সেরা ১০ জন ডাক্তারের লিস্ট পেতে ক্লিক করুন

স্ট্রোক এবং পরবর্তী ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা চট্টগ্রাম

by isk 0 Comments
স্ট্রোক এবং পরবর্তী ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা চট্টগ্রাম

স্ট্রোক কি ?

কোন কারণে মস্তিষ্কের নিজস্ব রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হওয়ার ফলে স্মায়ুকোষ নষ্ট হয়ে যাওয়াকে স্ট্রোক বলে। স্ট্রোককে চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় সেরিব্রো ভাসকুলার এ্যাকসিডেন্ট বলা হয়। যা বাংলা করলে দাঁড়ায়, মস্তিষ্কের রক্তনালীর দুর্ঘটনা। আমাদের মস্তিষ্কের বিভিন্ন জায়গা আমাদের শরীরের বিভিন্ন কাজের জন্য নির্দিষ্ট থাকে। তাই মস্তিষ্কের কোথায়, কতটুকু আক্রান্ত হয়েছে তার উপর নির্ভর করে স্ট্রোকের ভয়াবহতা।

সাধারণত দুই প্রকার স্ট্রোক হয়ে থাকেঃ

১. মস্তিষ্কের রক্তনালীতে কোন কিছু জমাট বাধলে যার ফলে রক্তের নালীকা বন্ধ হয়ে যায় এবং মস্তিষ্কের আক্রান্ত অংশের স্মায়ুকোষগুলো অক্সিজেনের অভাবে মারা যায়।

২. মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ঘটলে: উচ্চ রক্তচাপ এই স্ট্রোকের অন্যতম কারণ যেখানে ছোট ছোট রক্তনালীকা ছিড়ে রক্তক্ষরণ হয়, ফলে মস্তিষ্কের মধ্যে চাপ বেড়ে যায় এবং অক্সিজেনের অভাবে মস্তিষ্কের স্মায়ুকোষগুলো মারা যায়।

স্ট্রোকের লক্ষন সমূহ:

কোন ব্যাক্তি স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছি কিনা তা নিন্মের লক্ষন সমূহ দ্বারা বুঝা যেতে পারে ।

হাসি : হাসতে গেলে মুখ একদিকে বেকে যেতে পারে ।
হাত : দুই হাত সমান ভাবে উঠাতে নাও পারে ।
কথা : কথা বলতে গেলে পরিষ্কার ভাবে বলতে পারবে না অর্থাৎ অস্পষ্ট ভাবে কথা বলবে।
সময় : উপরের যে কোন লক্ষন দেখা দিলে সময় নষ্ট না করে দ্রুত আপনার নিকটস্থ হাস্পাতালে যোগাযোগ করুন ।

উপরোক্ত লক্ষন ছাড়াও নিচের লক্ষন গুলো থাকতে পারে যেমনঃ

১. হঠাৎ হাত ও পায়ে অবশ অবশ ভাব বিশেষ করে শরিরের এক পাশে ডানে অথবা বামে ।

২. হঠাৎ দ্বিধাহীনতায় ভোগা, কথা বলতে বা বুজতে সমস্যা হওয়া।

৩. হঠাৎ এক চোখে বা দুই চোখে দেখতে সমস্যা হওয়া ।

৪. হঠাৎ হাটতে সমস্যা হওয়া, মাথা ঘোরানো, শরিরের ভারসাম্য (Balance) কমে যাওয়া ।

৫. হঠাৎ কোন কারন ছাড়া তিব্র মাথা ব্যাথা ।

(সুত্র : আমেরিকান স্ট্রোক এসোসিয়েশন )

স্ট্রোকের চিকিৎসা একটি মূলত মালটিডিসিপ্লিনারী চিকিৎসা পদ্ধতি। সম্মানিত ডাক্তার , ডায়েটিসিয়ান, ফিজিওথেরাপিস্ট, সেবিকা, সাইক্রিয়াটিস্ট এর সমন্বয়ে এই চিকিৎসার সফলতা বয়ে আনে। এখানে মুলত স্ট্রোক পরবর্তী ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করা হল :

ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা:
1) ইলেক্ট্রোথেরাপি
2) ম্যানুয়াল থেরাপি

চিকিৎসার তাৎপর্যসমূহ:

১। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক করণ
(ডীপ ব্রিদিং এক্সারসাইজ, পার্সড লিপ ব্রিদিং, ডায়াফ্রামেটিক ব্রিদিং, হাফিং এবং কাফিং উল্লেখযোগ্য।)

২। সঠিক পজিশনিং (খুবই গুরুত্বপূর্ণ এই অংশ টি। একজন স্ট্রোক রোগীর প্রপার পজিশনিং প্রথম দিন থেকে গুরুত্ব বহন করে। এনাটমিকাল পজিশন, সাইড লাইনিং, এলিভেশন একজন গ্রাজুয়েট ফিজিওথেরাপিস্ট এর তত্ত্বাবধানে মেনে চলা উচিত।)

৩। মাংস পেশীর স্বাভাবিক দৈর্ঘ্য এবং টোন বজায় রাখা ( স্ট্রেচিং এবং স্ট্রেন্ধেনিং এপ্রোচ এর মাধ্যমে একজন ফিজিওথেরাপিস্ট এই রোগীর মাংস পেশীর শক্তি পুণরায় ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে থাকেন।)

৪৷ শরীরের স্বাভাবিক অ্যালাইনমেন্ট ফিরিয়ে আনা ( সঠিক পজিশনিং, মুভমেন্ট, এবং স্ট্রেচিং এবং স্ট্রেন্ধেনিং এপ্রোচ এর মাধ্যমে একজন ফিজিওথেরাপিস্ট স্বাভাবিক অ্যালাইনমেন্ট ফিরিয়ে আনতে সর্বাত্মক সহায়তা করে থাকেন।)

৫। শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টের স্বাভাবিক নাড়ানোর ক্ষমতা বা মুভমেন্ট ফিরিয়ে আনা।

৬। ব্যালেন্স ও কো-অরডিনেশন উন্নত করা স্বাভাবিক হাঁটার ক্ষমতা ফিরিয়ে আনা ( ব্রিটিশ বোবাথ এপ্রোচ, মাকেন্জি মেথড ছাড়া ও বিভিন্ন এভিডেন্স বেজড পদ্ধতিতে রোগীকে স্বাভাবিক হাঁটার ক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে সর্বাত্মক সহায়তা করে থাকেন।)

স্ট্রোক রোগীর কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার ভূমিকা অপরিসীম। সঠিক ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিন, সুস্থ থাকুন।

ইফতেখারুল ইসলাম পাঠান
ফিজিওথেরাপি ইনচার্জ
যোগাযোগঃ ০১৯৮৮-৫৯৪৬০৩
সি এস সি আর (CSCR Hospital)

Don`t copy text!