Category Archives

97 Articles

আপনি কখন নিউরোসার্জন এর কাছে যাবেন ?

by isk 0 Comments
আপনি কখন নিউরোসার্জন এর কাছে যাবেন ?

আমরা সাধারণত কনফিউশান এ ভোগী কখন কোন ধরনের বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করা উচিত। এই সমস্যা আরও বেশি প্রকট হয় যখন আমরা নিউরোলজিস্ট কিংবা নিউরোসার্জন এর সাথে যোগাযোগ করার চিন্তা করি। কিছু কিছু সমস্যা আছে যেসকল রোগের চিকিৎসা উভয় ক্যাটাগরির বিশেষজ্ঞরাই দিয়ে থাকেন। তারপরও কমন কিছু রোগ এবং কিছু উপসর্গ নিচে উল্লেখ করলাম যেগুলোর চিকিৎসার জন্য আপনি নিউরোসার্জন এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

১. ব্রেইনঃ

• ব্রেইন টিউমার
• মাথাব্যথা
• মাথায় পানি জমা
• ব্রেইনের রক্তনালির সমস্যা
• স্ট্রোক ও প্যারালাইসিস
• খিচুনি
• মাথা ঘুরানো

২. নিউরোস্পাইনঃ

• মেরুদন্ডের টিউমার
• ঘাড় ব্যথা
• কোমর ব্যথা
• পিঠে ব্যথা
• মেরুদন্ডের টিবি
• পাতে পায়ে দুর্বলতা
• পাত পা কাঁপা
• হাত পা অবশ

৩. শিশু নিউরোসার্জারিঃ

• জন্মগত মাথা বড় হওয়া
• জন্মগত মেরুদন্ডের টিউমার
• বাচ্চাদের ব্রেইন ও মেরুদন্ডের টিউমার

৪. নিউরোট্রমাঃ

• মাথায় আঘাত ও রক্তক্ষরণ
• মেরুদন্ডের আঘাত
• স্পোর্টস ইনজুরি

৫. নার্ভঃ

• নার্ভ ইনজুরি
• নার্ভের টিউমার
• কার্পাল টানেল সিন্ড্রোম

সম্পাদনাঃ

ডাঃ মু. ইসমাঈল হোসেন
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),
এমএস (নিউরোসার্জারী),
ব্রেইন ও স্পাইন সার্জন
ক্লিনিক্যাল নিউরোসার্জারী বিভাগ,
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল,
শের-এ বাংলা নগর, ঢাকা।

# সরাসরি ডাক্তার থেকে পরামর্শ নিনঃ ০১৮১৮-১১৩ ৪১২

ঢাকার চেম্বার:
সোশ্যাল ইসলামি ব্যাংক হাসপাতাল
পান্থপথ সিগনাল, গ্রীণ রোড, ঢাকা,
সময়ঃ শনিবার থেকে বুধবার, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬-৯ টা
সিরিয়ালঃ ০১৯৫৮৩৩৯৩৩৯

চট্টগ্রামের চেম্বারঃ

১. পার্কভিউ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক লিঃ
৯৪/১০৩, কাতালগঞ্জ রোড, পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম।
ফোনঃ ০৩১-৬৫৭৯০১-৫, ২৫৫৫০৭১-৫
সিরিয়ালঃ ০১৯৫৭১১৩৪১২, ০১৯৭৬০২২১১১, ০১৯৭৬০২২৩৩৩

রোগী দেখার সময়ঃ
বৃহস্পতিবার, সন্ধ্যা ৭ টা – রাত ১০ টা
শুক্রবার, সকাল ৯ টা – দুপুর ১২ টা

২. চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল লিঃ
৬৯৮/৭৫২, ও.আর. নিজাম রোড, চট্টগ্রাম।
ফোনঃ ২৮৫২৬৭০-৩, ৬৫১২৪২
সিরিয়ালঃ ০১৯৫৭১১৩৪১২, ০১৮৪৭১৮৫৭১১

রোগী দেখার সময়ঃ
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার
বিকাল ৫-৭ টা

নিউরোসার্জনঃ কি এবং কি ধরনের সেবা প্রদান করেন

নিউরোসার্জনঃ কি এবং কি ধরনের সেবা প্রদান করেন

নিউরোসার্জন একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, যিনি নার্ভাস সিস্টেম বা স্নায়ুর বিভিন্ন রোগ ডায়াগনোসিস করেন ও অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা সম্পন্ন করেন।তাছাড়া ট্রমা,টিউমার,ভাস্কুলার ডিসঅর্ডার, ব্রেইন ও স্পাইন এর বিভিন্ন রোগ ও এর চিকিৎসা নিয়ে কাজ করেন।

নিউরোসার্জন সাধারণত যে ধরনের কাজ করেনঃ

# স্নায়বিক বা নার্ভের সমস্যার সমাধান হিসেবে সার্জারি বা অপারেশন সম্পন্ন করা।তাছাড়াও সেবাসমূহঃ

১. ব্রেইনঃ
• ব্রেইন টিউমার
• মাথাব্যথা
• মাথায় পানি জমা
• ব্রেইনের রক্তনালির সমস্যা
• স্ট্রোক ও প্যারালাইসিস
• খিচুনি
• মাথা ঘুরানো

২. নিউরোস্পাইনঃ
• মেরুদন্ডের টিউমার
• ঘাড় ব্যথা
• কোমর ব্যথা
• পিঠে ব্যথা
• মেরুদন্ডের টিবি
• পাতে পায়ে দুর্বলতা
• পাত পা কাঁপা
• হাত পা অবশ

৩. শিশু নিউরোসার্জারিঃ
• জন্মগত মাথা বড় হওয়া
• জন্মগত মেরুদন্ডের টিউমার
• বাচ্চাদের ব্রেইন ও মেরুদন্ডের টিউমার

৪. নিউরো ট্রমাঃ
• মাথায় আঘাত ও রক্তক্ষরণ
• মেরুদন্ডের আঘাত
• স্পোর্টস ইনজুরি

৫. নার্ভঃ
• নার্ভ ইনজুরি
• নার্ভের টিউমার
• কার্পাল টানেল সিন্ড্রোম

# রক্ত জমে যাওয়ার কারণে স্নায়বিক প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হলে জমে যাওয়া রক্ত সার্জারির মাধ্যমে অপসারণ করা। মস্তিষ্কে রক্ত জমে যাওয়ার পরীক্ষা করা যেখানে রক্ত জমে যাওয়ার কারণে স্নায়বিক প্রবাহ সচল থাকতে পারে না। রক্ত জমে যাওয়ার ক্ষেত্রে অপারেশন বা সার্জারি করতে হয় একজন নিউরোসার্জনকে।

এক্ষেত্রে সমস্যা ডায়াগনোসিস করা নিউরোলজিস্টের কাজ। ডায়াগনোসিস করার পরে নিউরোসার্জনের কাছে জমে যাওয়া রক্ত অপসারণ করতে হয় সার্জারির মাধ্যমে।

# রোগীর সার্জারি বা অপারেশনের পরে প্রয়োজনীয় ওষুধ পরামর্শ দেওয়া।

# নিউরোলজিস্ট যদি ব্রেইন টিউমার নির্ণয় করেন পরীক্ষার পরে তাহলে ব্রেইন টিউমারের অপারেশন বা সার্জারি সম্পন্ন করতে হয় একজন নিউরোসার্জনকে।

# মেরুদন্ডের সাথে কিছু নার্ভ বা স্নায়ুর সংযোগ থাকে। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় মেরুদন্ডের স্নায়ুগুলো সচলভাবে কাজ করছে না মেরুদন্ডের সমস্যা হওয়ায়। এ ধরনের সমস্যা খুঁজে পাওয়া গেলে মেরুদন্ডে প্রয়োজনীয় সার্জারি সম্পন্ন করতে হয় একজন নিউরোসার্জনকে।

# শরীরের যে কোন অংশে নার্ভ বা স্নায়ু সংযোগ কেটে গেলে সার্জারি বা শল্যচিকিৎসার মাধ্যমে তা পুনঃস্থাপন করা।

# স্নায়বিক সমস্যা নির্দিষ্ট করতে এমআরআই (MRI – Magnetic Resonance Imaging), স্পেক্ট (SPECT – Single Photo Emission Computed Tomography) ও পেট(PET – Positron Emission Tomography) পরীক্ষাগুলোর রিপোর্ট দেখা এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সার্জারি সম্পন্ন করা।

# ব্রেইনে বা মস্তিষ্কে স্নায়ু সম্পর্কিত কোন সমস্যা দেখা দিলে সার্জারির মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা।

# স্পাইন বা মেরুদন্ডের সমস্যার ক্ষেত্রে সার্জারি প্রয়োজন হলে তা সম্পন্ন করেন একজন নিউরোসার্জন।

সম্পাদনাঃ

ডাঃ মুঃ ইসমাইল হোসেন
এমবিবিএস, বিসিএস(স্বাস্থ্য), এম এস(নিউরো সার্জারী)
ব্রেইন ও স্পাইন সার্জন
ক্লিনিক্যাল নিউরোসার্জারী বিভাগ
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতাল, ঢাকা

# সরাসরি ডাক্তার থেকে পরামর্শ নিনঃ ০১৮১৮-১১৩ ৪১২

চট্টগ্রাম_চেম্বার
রোগী দেখার সময়ঃ বৃহস্পতিবার, বিকাল ৫টা – রাত ৯টা
শুক্রবার, সকাল ৯টা – দুপুর ১২ টা
রুম নং-৩১৮
সিরিয়ালঃ ০১৯৭৫-১১৩৪১২,০৩১-৬৫৭৯০১,০৩১-২৫৫৫০৭১,০১৯৭৬-০২২১১১
# পার্কভিউ হাসপাতাল

ঢাকা_চেম্বারঃ
রোগী দখার সময়ঃ শনি থেকে বুধবার
বিকাল ৫টা থেকে রাত ৯টা
সিরিয়াল; ০১৯৫৮-৩৩৯ ৩৩৯
৭০ গ্রীণ রোড,পান্থপথ ক্রসিং,ঢাকা-১২০৫
# স্যোশাল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল

দাঁত তোলার আগে করণীয়

by isk 0 Comments
দাঁত তোলার আগে করণীয়

দাঁত তুলে ফেলার পরামর্শ এখন খুব কম ক্ষেত্রে দেওয়া হয়। আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে ডেন্টাল চিকিৎসকরা এতটাই নিজেদের সময়োপযোগী করেছেন যে, রোগী চাইলে ক্ষতিগ্রস্ত দাঁত সংরক্ষণ সম্ভব হয়। কিন্তু স্বাভাবিকভাবেই রোগের মেয়াদ যত দীর্ঘায়িত হবে অথবা সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হবে, তত তার চিকিৎসা পদ্ধতি জটিল হবে।

প্রতিটি দাঁত আমাদের চোয়ালের হাড় ও মাড়ি দ্বারা শক্তভাবে নিজ স্থানে আটকে থাকে। দীর্ঘমেয়াদি মাড়ি রোগ বা দাঁতের সংক্রমণ, দুর্ঘটনা, ক্যালসিয়ামের অতিরিক্ত অভাব ও হাড় ক্ষয় বা যে কোনো কারণে যদি এ বন্ধন নষ্ট হয়ে দাঁত অতিরিক্ত মাত্রায় নড়ে যায়, তখন দাঁতকে সংরক্ষণ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

দাঁত ফেলা যত সহজই মনে হোক না কেন, বিষয়টা কিন্তু অত ছোটখাটো নয়। তাই দাঁত ফেলতেও দরকার নানা সতর্কতা।

আজকে আমরা কিছু সতর্কতা নিয়ে আলোচনা করবঃ

১. দাঁত তুলতে যেসব যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হবে তা যদি জীবাণুমুক্ত না থাকে তবে হেপাটাইটিস বি অথবা সি ভাইরাস এমনকি এইডসের মতো রোগও ছড়াতে পারে। যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করার জন্য বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। তাই যেখানে-সেখানে অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে দাঁত ফেলবেন না।

২. ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কিডনি রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক প্রভৃতি জটিলতা থাকলে রক্তে শর্করা, কিডনির ক্রিয়েটিনিন, রক্তচাপ ইত্যাদি দেখে নেওয়া উচিত।

৩. ডায়াবেটিসের রোগীদের ক্ষেত্রে দাঁত তোলার আগে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। যাঁরা ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল তাঁরা অবশ্যই দিনের প্রথম দিকে দাঁত তুলবেন। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকলে আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ বা ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে তারপর চিকিৎসা নিন।

৪. কী ধরনের ও কী কী ওষুধ খাচ্ছেন তা দন্তচিকিৎসককে জানান। যদি রক্ত পাতলা করার ওষুধ যেমন অ্যাসপিরিন বা ক্লপিডোগ্রেল জাতীয় ওষুধ খেয়ে থাকেন তবে দাঁত তোলার পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের আশঙ্কা থাকে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতামত নিয়ে দাঁত ফেলার পাঁচ দিন আগে থেকে ওষুধগুলো খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে।হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে অনুভূতিনাশকের সঙ্গে অ্যাড্রিন্যালিন ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ অনেক ক্ষেত্রে হৃৎস্পন্দন বেড়ে যেতে পারে। এসব রোগীর ক্ষেত্রে দাঁতের যেকোনো শল্যচিকিৎসার আগে প্রয়োজনে হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৫.গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহারে সাবধানতা দরকার। এ ক্ষেত্রে পেনিসিলিন গ্রহণ করা নিরাপদ। ব্যথানাশক ব্যবহারের ক্ষেত্রে ওপিয়ড অথবা নন-স্টেরোইডেল অ্যান্টিইনফ্লামেটারি ব্যবহার করা যায়। তবে এসব ওষুধ প্রথম ও শেষ তিন মাসে নিরাপদ নয়।

সুতরাং দাঁত ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনার নিকটস্থ বিডিএস ডিগ্রীধারী দাঁতের ডাক্তার এর পরামর্শ নিন। অনেক রোগী না বুঝে কোয়াক এর কাছে গিয়ে দাঁত ফেলে। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংক্রামক ব্যাধি নিয়ে কষ্ট পায়।

সম্পাদনাঃ——————————

ডাঃ মোঃ ইরফান উদ্দিন
বিডিএস চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল ডেন্টাল কলেজ
রেজিষ্ট্রেশন নংঃ ৮৪২২
ওরাল এন্ড ডেন্টাল সার্জন
আইডেন্ট ডেন্টাল এন্ড ইমপ্ল্যান্ট সেন্টার

ট্রিগার ফিঙ্গার” বা “আঙ্গুল আটকে যাওয়া রোগ: কি ও কেন হয় ?

ট্রিগার ফিঙ্গার” বা “আঙ্গুল আটকে যাওয়া রোগ: কি ও কেন হয় ?

হাত মুঠো করার পর আঙুল আটকে যায়, আবার সোজা করতে গেলে ব্যথায় অনেক কষ্ট হয়। এ সমস্যায় অনেকেই ভুগেন, বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস আছে। যার অন্যতম কারণ হল “ব্যথায় আঙ্গুল আটকে যাওয়া রোগ”। অনেক সময় আঙুল খুলতে গিয়ে অনেকটা পিস্তলের ট্রিগারের মতো শব্দ হওয়ায় এই সমস্যাটিকে “ট্রিগার ফিঙ্গার”ও বলা হয়।

# ট্রিগার ফিঙ্গার কি ও কেন হয় ?

– আমাদের আঙুল ভাঁজ করার জন্য হাতের মাংসপেশীর টেন্ডন/রগগুলো সাহায্য করে
– রগগুলোর চারিদিকে পাতলা পর্দার আবরণ
(টেন্ডন সিথ) থাকে
– এই সিথ বা পর্দাগুলো অনেক সময় প্রদাহের কারণে মোটা হয়ে শক্ত হয়ে যায়
– ফলে পর্দার ভিতরে টেন্ডন/রগ আটকা পড়ে যায়,
– যার কারণে আঙুল ভাঁজ করা অবস্থা থেকে সোজা করতে গেলে খট করে শব্দ হয় এবং ব্যথা লাগে।

# উপসর্গ সমূহ কি কি ?

– যেকোনো আঙুল আক্রান্ত হতে পারে, তবে বুড়ো আঙুল, মধ্যমা ও রিং ফিঙ্গার বেশি আক্রান্ত হয়
-হাতের আঙ্গুল ভাজ করতে বা সোজা করতে কষ্ট হয়
-আঙুলের আক্রান্ত জায়গায় চাপ দিলে ব্যথা হয়
-সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর আঙ্গুল খুলতে না পারা
-অনেকসময় আঙুল ভাঁজ হয়ে আটকে যায়,
কিন্তু সোজা করতে গেলে খট করে শব্দ হয় এবং প্রচণ্ড ব্যথা হয়

# কারণ কি ?

– এই রোগের নির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি
– তবে কিছু রোগ ত্বরান্বিত করে,
যেমনঃ ডায়াবেটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ইত্যাদি
– যারা অতিরিক্ত হাতের কাজ করেন,
যেমনঃ গৃহিনী, টাইপিস্ট, গার্মেন্টস শ্রমিক, দীর্ঘক্ষণ মোবাইল ব্যবহার ইত্যাদি

# কারা ঝুকিতে আছেন ?

– সাধারণত এই সমস্যা বয়সের সাথে বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে
– পুরুষের তুলনায় নারীদের বেশি হয়

# কিভাবে রোগ নির্ণয় হয় ?

রোগ নির্ণয়ের জন্য রোগের ইতিহাস জানা ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কর্তৃক শারীরিক কিছু পরীক্ষাই যথেষ্ট।
তবে রোগটি নিশ্চিতকরন ও অন্যান্য রোগ থেকে আলাদা করার জন্য কিছু পরীক্ষা প্রয়োজন। যেমনঃ
– কিছু রক্ত পরীক্ষা
– হাতের এক্স-রে ও
– হাতের আলট্রাসাউণ্ড ইত্যাদি

# চিকিৎসা কি ?

এ রোগের চিকিৎসার জন্য একজন ফিজিক্যাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে সমন্বিত চিকিৎসা নেওয়া একান্ত প্রয়োজন। চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে ……
• জীবনধাঁরার পরিবর্তন
• ওষুধ
• ব্যায়াম
• ফিজিক্যাল থেরাপি
• অর্থোসিস
• ইনজেকশন

জীবনধাঁরার পরিবর্তনঃ
– আক্রান্ত আঙ্গুলগুলোকে বিশ্রাম দেয়া
– দীর্ঘক্ষণ হাতের কাজ কম করা
– ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখা ইত্যাদি

ওষুধঃ
ব্যথানাশক ওষুধ- এন, এস, এ, আই, ডি ও পায়ের তালুতে মলম দিয়ে ম্যাসাজ করা।

ব্যায়ামঃ
নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে আঙ্গুলের গোঁড়ায় ম্যাসাজ
হাতের আঙ্গুলের রগের প্রসারণকরণ ব্যায়াম

ফিজিক্যাল থেরাপিঃ
ফিজিওথেরাপির মধ্যে আলট্রাসাউন্ড থেরাপি ও শকওয়েভ থেরাপি বেশ কার্যকর

অর্থোসিসঃ
হাতের আঙ্গুলের অবস্থান ঠিক রাখার জন্য “ফিঙ্গার স্প্লিন্ট” ব্যবহার করা যেতে পারে

ইনজেকশনঃ
ব্যথা দীর্ঘমেয়াদি বা তীব্র হলে, আলট্রাসাউন্ড মেশিনের মাধ্যমে টেন্ডন/রগের চারপাশে ইনজেকশন দেওয়া যেতে পারে।

রোগের পরিণতি কি ?

– সঠিক চিকিৎসা নিলে এ রোগ পুরোপুরি ভালো হয়ে যায়
– উপরোক্ত চিকিৎসায় ভালো না হলে, অপারেশনের মাধ্যমে আঙুলের যে স্থানে টেন্ডন/রগ নড়তে সমস্যা হচ্ছে সেটা ছাড়িয়ে দিতে হয়

সম্পাদনায় ———————————
ডাঃ মোঃ মাহফুজুর রহমান
এমবিবিএস; এফসিপিএস
বাত-ব্যথা, মেরুদন্ড-জয়েন্ট পেইন ও
আর্থ্রাইটিস বিশেষজ্ঞ
কনসালটেন্ট,
পার্কভিউ হসপিটাল প্রাঃ লিঃ চট্টগ্রাম
যোগাযোগঃ 01828 44 79 66

অতিরিক্ত ভিটামিন আপনার বিপদ ডেকে আনতে পারে!

by isk 0 Comments
অতিরিক্ত ভিটামিন আপনার বিপদ ডেকে আনতে পারে!

আমরা বিভিন্ন সময়ে ভিটামিন খেয়ে থাকি।মূলত অসুস্থ হবার পরে, সার্জারী করার পরে রোগীকে এক্সট্রা ভিটামিন খেতে বলা হয়।এটা সাধারণত রোগীর দূর্বল শারিরিক অবস্থা ও দ্রুত শরীর রিকোবারির জন্য বলা হয়।কিন্তু এর বাইরে আমরা ছোট-বড় সবাই ভিটামিন খেয়ে থাকি,যা একদম অপ্রয়োজনীয়।

যা নিয়মিত খাবার খেলে পুষে যাবে সেই জায়গায় মেডিসিন নেয়ার দরকার নেই।মানবদেহ তার প্রয়োজনের অতিরিক্ত ভিটামিন শরীরে রাখে না।মল ও মুত্রের মাধ্যমে বের করে দেয়।ভিটামিন নিজেই একটি টক্সিক ক্যামিকেল। এই অতিরিক্ত ভিটামিন খাওয়ার কারণে জীবন নিয়ে সংশয় হতে পারে।এটা একদম রেয়ার,তবে হতে পারে।আরো যা হতে পারে বিভিন্ন অঙ্গে সমস্যা হতে পারে,এমনকি বন্ধও হয়ে যেতে পারে।

# ক্যালসিয়াম: অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম খেলে রক্তে এর মাত্রা বেড়ে গিয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য, কিডনিতে পাথরসহ আরও কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি একসঙ্গে উচ্চমাত্রায় সেবন করলে অনেক সময় এ সমস্যা দেখা দেয়।

# ভিটামিন-এ: উচ্চমাত্রার ভিটামিন এ সেবন গর্ভবতী নারীদের জন্য বিপজ্জনক। কেননা টক্সিক মাত্রায় ভিটামিন এ অনাগত শিশুর নানা ধরনের জন্মগত ত্রুটির কারণ হতে পারে। এ ছাড়া উচ্চমাত্রার ভিটামিন এ যকৃৎ, হাড় ও ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। দুর্ঘটনাবশত হঠাৎ বেশি ভিটামিন এ খেয়ে ফেললে বমি, মাথাব্যথা, ত্বকের সমস্যা হতে পারে।

# ভিটামিন-সি: এক গ্রামের বেশি ভিটামিন সি একসঙ্গে খেয়ে ফেললে ডায়রিয়া হতে পারে। শিশুরা চুষে খাবার ভিটামিন সি লজেন্স বেশি খেয়ে বিপদ ঘটাতে পারে।

# লৌহ: আয়রন বা লৌহজাতীয় বড়ি গ্যাস্ট্রিকের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, কোষ্ঠকাঠিন্য করতে পারে। থ্যালাসেমিয়া ও জন্মগত হিমোগ্লোবিন ত্রুটি আছে, এমন রোগী আয়রন খেলে যকৃৎ, মস্তিষ্ক ও বিভিন্ন গ্রন্থিতে অতিরিক্ত আয়রন জমে অকার্যকারিতা দেখা দিতে পারে। এদের আয়রন বড়ি খাওয়া নিষেধ। তা ছাড়া বেশি মাত্রায় আয়রন যেকোনো মানুষের পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা করতে পারে। শিশুরা বেশি আয়রন খেয়ে ফেললে বিষক্রিয়া পর্যন্ত হতে পারে।

# জিংক: মাল্টি ভিটামিন বড়িতে জিংক উপাদান থাকে। জিংক একটি প্রয়োজনীয় ও উপকারী উপাদান। কিন্তু অতিরিক্ত জিংক দেহে স্বাভাবিক লৌহ ও কপারের শোষণ কমিয়ে দিয়ে রক্তশূন্যতার সৃষ্টি করতে পারে।

# ভিটামিন-বি: ভিটামিন বি কমপ্লেক্স স্নায়ু ভালো রাখে বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু অতিরিক্ত ভিটামিন বি৬ নিজেই স্নায়ুর ক্ষতি করতে সক্ষম।

# ভিটামিন-ডি: মাত্রাতিরিক্ত ভিটামিন ডি, বিশেষ করে কোলেক্যালসিফেরল রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

# ফ্লোরাইড: অনেক সময় পানিতে বা টুথপেস্টে অতিরিক্ত ফ্লুরাইড যোগ করা হয়। ফ্লুরাইড দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও অতিরিক্ত ফ্লুরাইড দাঁতের এনামেলের ক্ষয় করে ও দাঁতকে হলুদ করে।

(ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ভিটামিন নেয়া যাবে না)

৯টি লক্ষণ দেখে বুঝে নিন,চোখে সমস্যা হয়েছে !

by isk 0 Comments
৯টি লক্ষণ দেখে বুঝে নিন,চোখে সমস্যা হয়েছে !

মানবদেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল অঙ্গ হল “চোখ” ।শরীরের নানা সমস্যা চোখেও প্রতিফলিত হয়। চিকিৎসকরা এ কারণে চোখ দেখেই বহু রোগের লক্ষণ নির্ণয় করতে পারেন। আপনার চোখে যদি এর কোনো লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে দেরি করবেন না। দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে অনেক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।

১. চোখে ছোট লাল দাগ

চোখের সাদা অংশে যদি বিন্দু বিন্দু রক্ত জমে লাল দাগ তৈরি হয় তাহলে তা অবহেলা করবেন না। এটি হতে পারে ডায়াবেটিসের লক্ষণ। এটি হতে পারে সিডিসির একটি লক্ষণ, যা প্রচুর মানুষের হয়ে থাকে। যদি রক্তের চিনির মাত্রা অনেকখানি বেড়ে যায় তাহলে এটি হতে পারে।

২. চোখে রক্ত জমাট বাধা

চোখে বিভিন্ন সমস্যার কারণে কিছুটা বড় আকারে রক্ত জমাট বাধার মতো চিহ্ন দেখা যায়। এটি হতে পারে মারাত্মক কাশি থেকে শুরু করে ফাংগাস সংক্রমণের কারণেও।

৩. চোখে চুলকানি

অ্যালার্জি থাকলে প্রায়ই তা চোখে চুলকানির সৃষ্টি করে। এতে চোখ ফুলে যেতে পারে। ক্ষেত্রবিশেষে তা লাল হয়েও যেতে পারে। ধূলাবালি কিংবা অ্যালার্জির প্রতি সংবেদনশীল কোনো খাবার খেলে এটি হতে পারে। এতে অনেকের চোখ শুকিয়ে যায়, যা সমস্যা মারাত্মক করে তোলে।

৪. শুষ্ক চোখ

নানা ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় চোখের শুষ্কতা আসতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ঘুমের ওষুধ, ব্যথার ওষুধ কিংবা উদ্বেগ থেকে মুক্ত থাকার ওষুধ সেবনে। তবে চোখের কিছু রোগের কারণেও আর্দ্রতা তৈরিকারি গ্ল্যান্ডটি অকার্যকর হয়ে এমনটা হতে পারে।

৫. কাছের জিনিস দেখতে সমস্যা

অনেক মানুষই বয়স হলে এ সমস্যায় আক্রান্ত হয়। তবে তা ঠিকঠাক ব্যবস্থা নিলে একটা নির্দিষ্ট পর্যায়ে দীর্ঘদিন আটকে রাখা যায়। কিছু ওষুধের প্রতিক্রিয়াতেও এ সমস্যা হতে পারে।

৬. ঝাপসা দৃষ্টি

চোখের নানা সমস্যার কারণে দৃষ্টি ঝাপসা হতে পারে। তবে যাদের উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি রয়েছে, তাদের এ সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

৭. হঠাৎ আলোর ঝলকানি দেখা

রেটিনার মারাত্মক সমস্যার একটি লক্ষণ হতে পারে এটি। যদি এ সমস্যার সঙ্গে চোখে ছায়া দেখা যায় তাহলে তা রেটিনা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার লক্ষণ। এ ধরনের সমস্যায় অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

৮. চোখে ব্যথা

চোখের সামান্যতম ব্যথার মতো সমস্যাতেও চিকিৎসক দেখিয়ে নেওয়া ভালো। কারণ চোখের ডাক্তাররা বিভিন্ন লক্ষণ দেখে আগেভাগেই কয়েক ধরনের ক্যান্সার নির্ণয় করতে পারেন। এর মধ্যে রয়েছে ব্রেন টিউমারও। আপনি আয়নায় দেখে কোনোভাবেই এ লক্ষণগুলো বুঝতে পারবেন না।

৯. সাদা বৃত্ত

চোখের চারপাশে যদি সাদা বা হলদেটে বৃত্ত দেখা যায় তাহলে তা কোলেস্টরেলের একটি লক্ষণ। এমনটা দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।

নিউমোনিয়াঃ শীতে সর্বনাশা শিশুরোগ

নিউমোনিয়াঃ শীতে সর্বনাশা শিশুরোগ

শীতে শিশুর শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়াসহ (pneumonia) বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে। নিউমোনিয়া একটি মারাত্মক রোগ। এ রোগ হতে পারে যে কোনো বয়সেই। তবে শিশুদের বেশি হয়।

রোগটিতে প্রথমে সর্দি-কাশির মতো সাধারণ উপসর্গ থাকে, যা পরে মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। নিউমোনিয়া সব বয়সই হয়।তবে নিউমোনিয়ার কারণে কখনও শিশুর জীবন সংকটাপন্ন হয়ে উঠতে পারে। সাধারণত পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যেই নিউমোনিয়ার প্রকোপ বেশি থাকে। নিউমোনিয়া হলে শিশুর ফুসফুস মারাত্মক সংক্রমণের শিকার হয়।

যখন ফুসফুসে বিভিন্ন ধরণের ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস সংক্রামিত হয় যা শ্বাসযন্ত্রের উপর আক্রমণ করে, তখন এটিকে নিউমোনিয়া বলে। এটি ফুসফুসের এক বা উভয় অংশকে প্রভাবিত করতে পারে এবং সম্ভবত একজন ব্যক্তি এথেক খুব অসুস্থ হতে পারে। ফুসফুসের বায়ুথলিগুলি সংক্রমণের দ্বারা সংক্রমিত হয় এবং শ্লেষ্মা, পুঁজ ও অন্যান্য তরল দিয়ে ভরে যায়, যা শ্বাস নেওয়া কঠিন করে তোলে। সাধারণ উপসর্গ হল কাশি, যা ফুসফুস থেকে গাঢ় শ্লেষ্মার সঙ্গে হয়, যা সবুজ, বাদামি বা রক্তের ছিটেযুক্ত হতে পারে। মানুষের ঠান্ডা বা ফ্লু এবং প্রায়ই শীতকালের পরে নিউমোনিয়ার বিকাশ হয়।

নিউমোনিয়ার বিভিন্ন ধরন কি কি ?

নিউমোনিয়া ফুসফুসের সংক্রমণের একটি সাধারণ শব্দ যা বিভিন্ন ধরণের জীবাণুর কারণে হতে পারে। এটি মূলত দুটি বিভাগে বিভক্ত: ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাল নিউমোনিয়া।

শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়ার লক্ষণ এবং উপসর্গঃ

ঘাম ও গায়ে কাঁটা দেওয়ার সঙ্গে জ্বর।
গাঢ়, হলুদ, ঘন শ্লেষ্মা বা রক্তযুক্ত গুরুতর কাশি।
শিশু সাধারণত অস্বস্তিকর এবং ক্ষুধা কম

যে গুরুতর উপসর্গগুলি দেখা গেলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হতে হবেঃ

দ্রুতগতিতে অগভীর শ্বাস। পাঁজরের খাঁচা এবং কলার বোনের উপরের পাঁজরগুলির মধ্যে থাকা ত্বক প্রতিটি শ্বাসের সাথে ভিতরের দিকে ঢুকে যায় বলে মনে হয়।
গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিশুর স্বাভাবিক পরিমাণে তরল পানের পরিমাণের অর্ধেকেরও কম পান করে।
প্রতিটি শ্বাসের সাথে একটি মোটা বাঁশির মতো শব্দ।
ঠোঁট এবং আঙুলের নখ নীল হয়ে যায়।

কিভাবে নিউমোনিয়া প্রতিরোধ করবেন ?

টিকাগুলি আপ টু ডেট কিনা তা নিশ্চিত করুন: নিউমোনিয়া, সেপটিসিমিয়া (রক্তে বিষাক্তকরণ) এবং মেনিনজাইটিস হতে পারে এমন জীবাণু থেকে রক্ষা করার জন্য নিউমোকোকাল টিকা (পিসিভি) দেওয়া হয়। ডিপথেরিয়া, হিব এবং হুপিং কাশির মতো রোগগুলি নিউমোনিয়ার মতো প্রতিরোধ করতেও অন্যান্য অনেক টিকা দেওয়া হয়

একটি ভাল ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখুন: শিশুকে ধরার আগে আপনার হাত পরিষ্কার রাখুন এবং যদি আপনার কোন কাজের লোক থাকে, যিনি যত্ন নিচ্ছেন তবে নিশ্চিত হন যে সে ভাল স্বাস্থ্যবিধি অভ্যাস করে। যখন আপনার কাশি হয় মুখে হাত ঢেকে কাশুন এবং আপনার হাত ও শিশু হাত প্রায়ই জীবাণুগুলি প্রতিরোধ করতে ধুয়ে নিন। নিয়মিতভাবে খেলনা, খাওয়ানোর বোতল, বাসনপত্র এবং অন্যান্য জিনিস যা জীবাণু জমা করতে পারে সেগুলি নির্বীজকরণ করুন।

ঘরটি একটি ধোঁয়া-মুক্ত পরিবেশ তৈরি করুন: যদি আপনি বা আপনার সঙ্গী ধূমপান করেন তবে বন্ধ করার চেষ্টা করুন। যদি না হয়, ঘরএর বাইরে ধূমপান করুন। গবেষণায় দেখা যায় যে সিগারেটের ধোঁয়া থেকে শিশুরা প্রায়শই অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং হাঁপানি, ঠান্ডা, কানে সংক্রমণ এবং নিউমোনিয়ার মতো অসুস্থতার জন্য বেশি সংবেদনশীল হয়।

ভাল পুষ্টি: আপনার বাচ্চার সুস্থ থাকার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ, তাই সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তারা যথেষ্ট শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন। প্রথম ৬ মাসের জন্য তাদের বিশেষভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো আপনার বাচ্চার একটি প্রতিরক্ষা সিস্টেমকে শক্তিশালী করার আদর্শ উপায়। বুকের দুধে আপনার শরীর দ্বারা উৎপন্ন অ্যান্টিবডিগুলি থাকে যা শিশুকে সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং তার ইমিউনো সিস্টেমকে উন্নত করতে থাকে। আপনি ধীরে ধীরে কঠিন খাবারের সাথে তাদের আপ টু ডেট টিকা, ভাল পুষ্টি এবং স্বাস্থ্যবিধির সঙ্গে, নিউমোনিয়া প্রতিরোধ করা যেতে পারে। এমনকি আপনার সন্তানকে নিউমোনিয়ায় সময়মত চিকিৎসা এবং যত্নের সাথে সম্পূর্ণরূপে সুস্থ করা যেতে পারে।পরিচয় করিয়ে দিলে, সম্পূর্ণরূপে দুধ খাওয়া বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত বুকের দুধটি অ্যান্টিবডি এবং পুষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসাবে থাকা উচিত।

অতিরিক্ত যত্ন: অকাল জন্মা শিশুদের শুরু থেকে অতিরিক্ত যত্ন প্রয়োজন, কারণ তাদের প্রতিরক্ষা সিস্টেম দুর্বল হয়, যার কারণে তাদের সংক্রমণের প্রবণতা বেশি দেখা দেয়।

আপ টু ডেট টিকা, ভাল পুষ্টি এবং স্বাস্থ্যবিধির সঙ্গে, নিউমোনিয়া প্রতিরোধ করা যেতে পারে। এমনকি আপনার সন্তানকে নিউমোনিয়ায় সময়মত চিকিৎসা এবং যত্নের সাথে সম্পূর্ণরূপে সুস্থ করা যেতে পারে।

সম্পাদনাঃ

ডাঃ মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম (সুমন)
এমবিবিএস(সিইউ),এমসিপিএস(শিশু স্বাস্থ্য), এফসিপিএস(শিশু স্বাস্থ্য)
নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ
সময়ঃ সন্ধ্যা ৭ টা – রাত ১০টা
প্রতিদিন,শুক্রবার বন্ধ
প্রাথমিক পরামর্শ নিতে কল করুনঃ ০১৮৯১-৬২২৬৪৫ (ফ্রি)
সিরিয়ালঃ ০৩১-২৫৫৫০৭১-৫,০১৯৭৬-০২২১১১
# পার্কভিউ হাসপাতাল

 

স্তন ক্যান্সারঃ আপনার যা অবশ্যই জানা উচিত

by isk 0 Comments
স্তন ক্যান্সারঃ আপনার যা অবশ্যই জানা উচিত

পুরো পৃথিবীতে নারীমৃত্যুর অন্যতম কারণ হলো স্তন ক্যান্সার। প্রতি ৮ জন মহিলার মধ্যে একজনের স্তন ক্যান্সার হতে পারে এবং আক্রান্ত প্রতি ৩৬ জন নারীর মধ্যে মৃত্যুর সম্ভাবনা একজনের। আমাদের দেশে ক্যান্সারে যত নারীর মৃত্যু হয়, তার অন্যতম কারণও স্তন ক্যান্সার। প্রতি ৬ মিনিটে একজন নারী এতে আক্রান্ত হয় এবং প্রতি ১১ মিনিটে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত একজন নারী মারা যায়।

কিন্তু এতকিছুর পর ও আমাদের সমাজে স্তন ক্যান্সার নিয়ে রয়েছে পর্যাপ্ত সচেতনতার অভাব। আর এই সচেতনতার অভাবে অনেকের একেবারে শেষ পর্যায়ে গিয়ে ধরা পড়ছে এটি। তখন মৃত্যুর প্রহর গোনা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। অথচ ঘরে বসেই সহজে একজন নারী তার স্তন পরীক্ষা করে নিতে পারেন। এতে স্তন ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়েই নির্ণয় করা সম্ভব। প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন ক্যান্সার নির্ণয় করা সম্ভব হলে ক্যান্সারের সাথে লড়াইয়ে জিতে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

স্তন ক্যান্সার কি ?

“স্তন” লক্ষ লক্ষ কোষের সমন্বয়ে গঠিত একটি অঙ্গ যার একটি মাত্র কোষের অনিয়ন্ত্রিত এবং অস্বাভাবিক বিভাজন থেকে স্তন ক্যান্সার বা টিউমারের উৎপত্তি। কখনো কখনো কিছু অস্বাভাবিক কোষ স্তন থেকে দেহের অন্যান্য অঙ্গে পৌছে জন্ম দেয় নতুন টিউমার।স্তন মূলত কতগুলো দুগ্ধগ্রন্থী (মিল্ক গ্ল্যান্ড),মায়ের দুধ প্রবাহের জন্য দুগ্ধনালী(ডাক্ট) এবং গ্রন্থিকে ঘিরে থাকা চর্বি ও আশ জাতীয় টিস্যু নিয়ে গঠিত।প্রতিটি গ্রন্থি ১২-১৬ টি লোব এবং প্রতিটি লোব ৩০/৪০ টি লোবিউল এ বিভক্ত হয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বাল্বে এসে শেষ হয়।স্তন ক্যান্সার সাদারণত এসব দুগ্ধনালী বা গ্রন্থির কোষ থেকেই প্রথম শুরু হয়।

প্রধান লক্ষণ বা উপসর্গসমূহ:

# স্তনের ভেতরে পিণ্ড অথবা স্তন পুরু হয়ে যাওয়া

# স্তনের বোঁটা থেকে রক্ত নিঃসরিত হওয়া

# স্তনের আকার বা আকৃতির পরিবর্তন হওয়া

# স্তনের উপরের ত্বকের পরিবর্তন হওয়া (যেমন: গর্ত হয়ে যাওয়া)

# স্তনের বোঁটা ভেতরে ঢুকে যাওয়া

# স্তনের বোঁটার চামড়া কুচকে যায় অথবা চামড়া ওঠে যাওয়া

# স্তনের চামড়া লাল হয়ে যাওয়া

উপরোক্ত যেকোনো ধরনের লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। পরবর্তীতে চিকিৎসক প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে নির্ণয় করতে পারবেন এটি স্তন ক্যান্সার কি না। প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে রোগীর সুস্থ হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি, তাই নিয়মিত স্তন পরীক্ষা করে দেখতে হবে অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন চোখে পড়ে কি না।

যেসব উপাদান স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়:

# মহিলা: মহিলাদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি পুরুষদের চেয়ে বেশি।

# বয়স: যত বয়স বৃদ্ধি হতে থাকে, স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি ততোই বাড়তে থাকে। অল্প বয়সের মহিলাদের চেয়ে বয়স্ক মহিলাদের বিশেষ করে ৫৫ বছরের বেশি বয়সী মহিলাদের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।

# পূর্বে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকলে: যদি কারো পূর্বে একটি স্তনে ক্যান্সার হয়ে থাকে, তবে তার অন্য স্তনেও ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

# পরিবারে স্তন ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে: যদি কারও মা, বোন অথবা মেয়ের স্তন ক্যান্সার হয়ে থাকে তবে তার স্তনে ক্যান্সারের আশঙ্কা অনেক গুণ বেশি। তবে স্তন ক্যান্সার ধরা পড়েছে, এমন ব্যক্তিদের অধিকাংশরই কোনো পারিবারিক ইতিহাস নেই।

# তেজস্ক্রিয়তা: শিশু অথবা তরুণ প্রাপ্তবয়স্ক তেজস্ক্রিয়/বিকিরণ রশ্মি দিয়ে চিকিৎসা করলে পরবর্তী জীবনে তার স্তন ক্যান্সারের বিকাশের সম্ভাবনা থাকে।

# স্থূলতা: মাত্রাতিরিক্ত ওজন (অথবা মোটা) স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। চর্বি ইস্ট্রোজেন হরমোন উৎপাদন করে, যা ক্যান্সারের জ্বালানি হিসেবে কাজ করে।

# তাড়াতাড়ি ঋতুস্রাব: ১২ বছর বয়স হওয়ার আগে ঋতুস্রাব হলে তা স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

# দেরিতে মেনোপজ: ৫৫ বছর বয়সের পর যদি মেনোপজ হয়, তা স্তন ক্যান্সারের বিকাশ ঘটাতে পারে।

# দেরিতে গর্ভধারণ: ৩৫ বছরের পরে যদি কোনো মহিলা প্রথম সন্তান জন্ম দেয় তবে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

# হরমোন চিকিৎসা: ঋতুজরার লক্ষণ ও উপসর্গ সমূহের জন্য যেসব মহিলা ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরনে মিলিত হরমোনের চিকিৎসা নেন, তাদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি থাকে।

# মদ্যপান: অতিরিক্ত মদ্যপান স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

 

ডায়াগনোসিসঃ

# ফিজিক্যালি স্তন পরীক্ষা

# ম্যামোগ্রাম

# ব্রেস্ট আল্ট্রাসাউন্ড

# বায়োপসি

# এম আর আই

# টিউমার মার্কার টেস্ট

সতর্কতাঃ

# স্তনের পরিবর্তন মানেই ক্যান্সার নয়।

# ক্যান্সার মানেই নিশ্চিত মৃত্যু নয়।প্রাথমিক পর্যায়ে নির্ণয় হলে,উপযুক্ত চিকিৎসার মাধ্যমে এ রোগ প্রায় শতভাগ নিরাময় যোগ্য।

দেশের সর্বপ্রথম সফলভাবে পিএফও (PFO) সম্পন্ন করলো এভারকেয়ার হাসপাতাল,ঢাকা

by isk 0 Comments
দেশের সর্বপ্রথম সফলভাবে পিএফও (PFO) সম্পন্ন করলো এভারকেয়ার হাসপাতাল,ঢাকা

এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা দেশের সর্বপ্রথম সফল পিএফও ( পেটেন্ট ফোরামেন ওভেল) ডিভাইস ক্লোজার সম্পন্ন করে তৈরি করলো ইতিহাস।

এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা ক্রিপটোজেনিক স্ট্রোক (ইসকেমিক সিভিডি)-এর ২৭ বছর বয়সী একজন তরুণীর উপর দেশের সর্বপ্রথম সফল পিএফও (পেটেন্ট ফোরামেন ওভেল) ডিভাইস ক্লোজার করে দেশের ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক স্থাপন করলো। গত ১৮ অক্টোবর একজন বাংলাদেশি কনসালটেন্ট এবং তার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ টিম অত্যন্ত দক্ষতাপূর্ণ এই প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করেন। এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা’র কারিগরি সহায়তার ফলেই তা সম্ভব হয়েছে, তাদেরকে ধন্যবাদ। এর পরপর, এই মাসেরই ২৮ তারিখ ৩৭ বছর বয়সী একজন মহিলার উপর এই প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

ব্রেইন টিস্যুতে যখন রক্ত সরবরাহ ব্যাহত হয় তখনই ব্রেইনে স্ট্রোক প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। আর এর কারণ যখন অজানা থাকে, তখন তাকে ক্রিপটোজেনিক বলা হয়। বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী, এই ধরনের ক্রিপটোজেনিক স্ট্রোকের সবচেয়ে সম্ভাব্য কারণ হচ্ছে, পেটেন্ট ফোরামেন ওভেল এবং এর মাধম্যে সংঘটিত প্যারাডক্সিক্যাল এম্বোলিজম বা জমাট বাঁধা রক্তের উল্টোপথে সঞ্চালন।

এই সুদক্ষ টিম ও তাদের সফলতার কথা সারাদেশের সব নিউরোলোজিস্ট ও সার্জনকে জানাতে চায় এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা। তারা হচ্ছেন-

১. প্রফেসর ডাঃ এ কিউ এম রেজা, সিনিয়র কনসালটেন্ট ও কোর্ডিনেটর, ক্লিনিক্যাল ও ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি বিভাগ
২. ডাঃ অপরাজিতা করিম, সিনিয়র রেজিস্ট্রার, ক্লিনিক্যাল ও ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি বিভাগ
৩. ডাঃ মাহমুদ হাসান খান, রেজিস্ট্রার, ক্লিনিক্যাল ও ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি বিভাগ
৪. ক্যাথ-ল্যাব টিম

এই ধরনের স্ট্রোক বা রোগে যে রোগীরা ভুগছেন, এই বিশেষজ্ঞবৃন্দ তাদের জন্য সবসময় প্রস্তুত আছেন, কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের অভিজ্ঞ হাতই আত্মবিশ্বাসের সাথে আগামী দিনের সাফল্যের ভিত্তি স্থাপন করেছে। এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা বিশ্বাস করে, একসাথে কাজ করে গেলে ভবিষ্যতে তারা আরও অনেক বিপদাপন্ন রোগীকে সাহায্য করতে পারবে; যাদের ভবিষ্যতে এই ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতির প্রয়োজন হতে পারে।

আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা বাংলাদেশের একমাত্র JCI স্বীকৃত হসপিটাল। এটি এভারকেয়ার গ্রুপ-এর একটি অংশ, যা ২৯টি হসপিটাল, ১৬টি ক্লিনিক ও ৫৭টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার নিয়ে রয়েছে ২টি মহাদেশের ৬টি দেশে; উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার মিশন নিয়ে।

এডিনয়েড সম্পর্কে জানুন আপনার শিশুকে ভাল রাখুন

এডিনয়েড সম্পর্কে জানুন আপনার শিশুকে ভাল রাখুন

এডিনয়েড হলো কিছু লসিকা গ্রন্থির গুচ্ছ( group of lymphoid tissue) যেটি নাকের ভিতরে নেসোফেরিংস এর পেছনের দেওয়াল এবং ছাদ এর সংযোগ স্থলে থাকে। এটি শরীরে জীবাণু ঢুকাকে বাঁধাদান করে।
দশ বছরের পর থেকে এটি নিজে নিজে সংকুচিত হয়ে যায়।

অনেক সময় বাচ্চাদের এডিনয়েড আকারে বড় হয়ে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে।

যেমন:
নাকের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা যায়-

১, মুখ হা করে শ্বাস নেয়।
২, খাওয়ার কষ্ট পরিলক্ষিত হয়।
৩, মাঝে মাঝে শ্বাসকষ্ট দেখা যায় এবং কণ্ঠস্বরের অস্বাভাবিকতা পরিলক্ষিত হয়।
৪. রাতে বার বার ঘুম ভেঙে বাচ্চা চিৎকার করে।

Eustachian tube( কানের একটি নালি) বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা যায়-

১, কানে কম শোনা।
২. কানে ব্যথা অনুভব করা।
৩, কান দিয়ে পানি পড়া।

সমস্যা বেড়ে “এডিনয়েড ফেসিস” বা চেহারার গঠনগত পরিবর্তন প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলে নিম্নলিখিত লক্ষণসমূহ দেখা যায়-

১, নাকের ছিদ্র ছোট এবং চিকন হয়ে যায়।
২, সামনের দাঁত সমূহ (incisor teeth) সম্মুখ দিকে প্রলম্বিত থাকে।
৩, চেহারার expressioন থাকে নিস্প্রভ।
৪, মুখের পাশ দিয়ে প্রায় সময় লালা ঝরে।
৫, পুষ্টিহীনতায় ভোগে।

# রোগ নির্ণয় করার পরীক্ষা সমূহ:
১.
Posterior rhinoscpoy এর মাধ্যমে তিন বছর বয়সের ঊর্ধ্বে অনেক সময় এডিনয়েড দেখা যায়।
২.
X-ray nasopharynx খুবই জরুরী পরীক্ষা।

♦️চিকিৎসা:

যাদের লক্ষণ বেশি তীব্র নয় ও রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পরেছে তাদেরকে
নাকের ড্রপ, কিছু মুখে খাওয়ার ওষুধ, শ্বাসের ব্যায়াম এর মাধ্যমে চিকিৎসা সম্ভব।

Surgery:
যাদের লক্ষণ বেশি তীব্র তাদের ক্ষেত্রে অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা নেওয়া জরুরী।

সম্পাদনাঃ

ডাঃ মোঃ আবুল বশর
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), ডি এল ও(ই এন টি)
নাক কান গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এন্ড হেড-নেক সার্জন।
চেম্বার: ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, আগ্রাবাদ চট্টগ্রাম।

Don`t copy text!