Category Archives

170 Articles

fexo 120 কি ও কেন এবং খাওয়ার নিয়ম ও সর্তকতা

by isk 0 Comments
fexo 120 কি ও কেন এবং খাওয়ার নিয়ম ও সর্তকতা

Fexo 120 কি ?

ফেক্সো ১২০ ফেক্সোফেনাডিন গোত্রের একটি মেডিসিন,এতে প্রতিটি ট্যাবলেট 100mg হাইড্রোক্লোরাইড ইউএসপি বহন করে।
এটি চুলকানি,এলার্জিক রাইনোটিস ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
এটি মুখে সেবন করতে হয় এবং এর মাধ্যমে দ্রুত পরিশোধিত হয়।
এটি প্রাপ্ত বয়স্ক এবং ২ বছর বা এর বেশী বয়সের শিশুর জন্য ব্যবহারযোগ্য।

কখন Fexo 120  ব্যবহার করা হয় ?

# হাঁচি

# নাক দিয়ে পড়া

# নাক ও গলা চুলকানি

# ত্বকের চুলকানি

# চোখ লাল হওয়া

 

ফেক্সো ১২০ খাওয়ার নিয়ম বা ডোজঃ

# ট্যাবলেট:

প্রাপ্ত বয়স্ক এবং ১২ বছরের বেশী বয়সের শিশুদের জন্য দিনে দুইটি করে ৬০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট অথবা দিনে একটি করে ফেক্সো ১৮০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট।

৬ থেকে ১১ বছর বয়সের শিশুদের জন্য দিনে দুইবার করে ৩০ মি.গ্রা. ফেক্সোফেনাডিন অথবা দিনে একটি ৬০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট।

# ওরাল সাসপেনশন:

২-১১ বছর বয়সের শিশুদের জন্য দিনে ২ বার করে ৩০ মি.গ্রা. (৫ মি.লি.) সাসপেনশন সেবন করতে হবে।
২-১১ বছর বয়সের শিশুদের জন্য দিনে ২ বার করে ৩০ মি.গ্রা. (৫ মি.লি.) সাসপেনশন সেব্য।

৬ মাস থেকে ২ বছরের কম বয়সের শিশুদের জন্য দিনে ২ বার করে ১৫ মি.গ্রা. (২.৫ মি.লি.) সাসপেনশন সেবন করতে হবে।

# fexo 120 যে কোন সময়ে খাওয়া যায়,খালি বা ভরা পেটে।তবে ভরা পেটে খাওয়ায় উত্তম। ফেক্সো সাসপেনশন খাওয়ার আগে ভালো ভাবে ঝাকিয়ে নিন।

 

ফেক্সো ১২০ খাওয়ার আগে সর্তকতাঃ

# আগে বা পরে ১ মিনিটের মধ্যে “Antacid” ব্যবহার করবেন না।

# গর্ভাবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া যাবে না।

# যাদের কিডনী,লিভার,হৃদরোগ আছে,খাওয়া আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে

 

fexo 120 এর সাইড এফেক্টঃ

মাথা ব্যাথা

অস্বাভাবিক ঘুম

বমি

পিঠে ব্যাথা

মাথা ঘোরা

হাঁচি

গলা ব্যথা

পেট খারাপ

ক্লান্তি

পেশী ব্যথা

বাতরোগ (Rheumatologist) বিশেষজ্ঞ কি ও কি ধরণের সেবা দেন

বাতরোগ (Rheumatologist) বিশেষজ্ঞ কি ও কি ধরণের সেবা দেন

রিউমাটলজি কি ?

রিউমাটলজি হল ইন্টারনাল মেডিসিন ও শিশুরোগ বিজ্ঞান এর একটি শাখা যা জয়েন্ট,সফট টিস্যু, টেনডন,লিগামেন্ট, অটো ইমিউনো ডিজিস ও বংশগতরোগ নিয়ে কাজ করে।

রিউম্যাটোলজিস্ট কি ?

একজন রিউম্যাটোলজিস্ট ইন্টারনাল মেডিসিনের একজন ডাক্তার যিনি মাসকুলুস্কেলেটাল ডিজিস ও সিস্টেমিক অটোইমিউন ডিজিস নিয়ে বিশেষভাবে অভিজ্ঞ। তিনি জয়েন্ট,টেনডন,লিগামেন্ট,হাড়,মাংসপেশী ও নরম টিস্যু নিয়ে কাজ করেন।

রিউম্যাটলজিস্ট যেসব বিষয়ে চিকিৎসা সেবা দেনঃ

# জয়েন্ট (গিরা) ব্যথা,ফোলা ও বাঁকা হওয়া (রিউম্যাটয়েড আথ্রাইটিস)

# দীর্ঘমেয়াদী কোমরের,মেরুদন্ডের ব্যথা (স্পন্ডাইলো-আথ্রাইটিস)

# হাড়ের বাত (অস্টিও-আথ্রাইটিস), গেটে বাত (গাউট)

# মাংসপেশীর ব্যথা ও দূর্বলতা (মায়োসাইটিস),

# রক্তনালীর প্রদাহ (ভাস্কুলাইটিস)

# হাড় ক্ষয় (অস্টিওপরোসিস)

# চামড়া শক্ত ও পুরু হওয়া (সিস্টেমিক স্ক্লেরোসিস)

# গিরার আশেপাশে ব্যথা,

# গিরায় ইনফেকশন

# এস এল ই (মুখে ঘা,লালচে ত্বক,কিডনীর প্রদাহ)

 

সব ব্যথার রোগী ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের আন্ডারে নয়,

আবার সব ব্যথার রোগী রিউম্যাটোলজি বিভাগের আন্ডারে নয়। 

(রোগীর শারীরিক লক্ষণ দেখে বুঝতে হবে)

 

# চট্টগ্রামের সেরা বাত-ব্যথা রোগ বিশেষজ্ঞ

কাঁধে ব্যথার সাতকাহন

কাঁধে ব্যথার সাতকাহন

# কাঁধে ব্যথা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বহুল প্রচলিত রোগ।

# নানাবিধ কারণেই এই ব্যথা হতে পারে। কাঁধে ব্যথা হঠাৎ করে অথবা দীর্ঘমেয়াদী হতে পারে। হঠাৎ বা একিউট কারণ হিসেবে

কাঁধে আঘাত, হাড় ভাংগা বা সারভাইকেল রেডিকুলোপ্যাথি হতে পারে। আর দীর্ঘমেয়াদি কারণ হিসেবে কাঁধের চারপাশের

মাংসপেশির টেন্ডিনাইটিস, টেন্ডন এ চাপ পড়া, টেন্ডন ছিঁড়ে যাওয়া বা ফ্রোজেন সোল্ডার হতে পারে।

# কাঁধের ব্যথা ঘাঁড়, হার্ট, ফুসফুস বা পেটের বিভিন্ন অংগের রোগেও হতে পারে।

# তাই কাঁধে ব্যথার কারণ নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা করা অত্যন্ত জরুরী।

**পাদটীকা–

^ কাঁধে ব্যথা মানেই ফ্রোজেন সোল্ডার নয়।

^ কাঁধে ব্যথা মানেই সর্বদা কাঁধের রোগ নয়।

ডাঃ আবদুল্লাহ আল মোর্শেদ
বিশেষজ্ঞ রিউম্যাটোলজিস্ট
এপিক হেলথ কেয়ার লিঃ

চুলের জন্য পি আর পি (PRP Therapy) থেরাপি ??

by isk 0 Comments
চুলের জন্য পি আর পি (PRP Therapy) থেরাপি ??

অসচেতনতা কিংবা না জানার কারণে বেশীরভাগ চুলপড়া ও টাকের রোগী মনে করেন এই রোগের কার্যকরী কোন চিকিৎসা নেই।ফলে সিংহভাগ রোগীই প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা না নিয়ে শেষ পর্যায়ে এসে কোন চিকিৎসায় ভালো ফল পান না।

বর্তমানে টাক ও চুল পড়া রোধে ৪ ধরনের চিকিৎসা প্রচলিতঃ

১) ঔষধ ও ইনজেকশনের মাধ্যমে চিকিৎসা

২) PRP (প্লাটিলেট রিচ প্লাজমা) থেরাপি ও লেজার লাইট থেরাপি

৩) চুল প্রতিস্থাপন

এটি জটিল ও সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ বলে এদেশে জনপ্রিয়তা না পেলেও মূলত এটিই হচ্ছে টাকের স্থায়ী চিকিৎসা পদ্ধতি।

সুতরাং সবদিক বিবেচনায় ঔষধ ও ইনজেকশনের পাচাপাশি পি আর পি (PRP Therapy) থেরাপি হচ্ছে বতমান বিশ্বে প্রচলিত সুলভ মূল্যের কার্যকরী আধুনিক চিকিৎসার মধ্যে অন্যতম,যা ইদানিং আমাদের দেশেও প্রচুর জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

পি আর পি কি ?

রক্তের অণুচক্রিকা,বিভিন্ন প্রোটিন ও এনজাইমকে একত্রে পিআরপি বলে।এতে বিভিন্ন ধরনের গ্রোথ ফ্যাক্টর রয়েছে যা চুলের সার হিসেবেনকাজনকরে।যেমনটি জমির উর্বরতা বাড়াতে এবং দূর্বল রুগ্ন গাছকে সবল করতে সার ব্যবহৃত হয়।

পিআরপি কিভাবে সংগ্রহ করা হয় ?

রোগীর রক্ত সংগ্রহ করে মেশিনের সাহায্যে আলাদা করে প্লাটিলেট (অনুচক্রিকা) সংগ্রহ করা হয়,যা প্লাটিলেট রিচ প্লাজমা বা পি আর পি নামে পরিচিত।এটি মাথার চামড়ায় বিশেষ ধরনের মাইক্রোনিডেল (ডার্মারোলার/ডার্মাপেন) এবং চিকন ইনসুলিন সুই দিয়ে ইনজেকশান হিসেবে দেয়া হয়।

কতটুকু নিরাপদ এবং কেন দেয়া হয় ?

# পিআরপি রোগীর নিজ রক্ত থেকে সংগ্রহ করা হয় বলে এটি শতভাগ নিরাপদ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত।

# চুল পড়া বন্ধ করে, চুলের বৃদ্ধি ও মোটা হতে সাহায্য করে।

# প্রাথমিক পর্যায়ে ৪০ বছরের কম বয়সী রোগী ৩-৪ সপ্তাহে অন্তর ৬-১০ বার, এই থেরাপি নিলে ৫০-৮০ ভাগ চুল গজানোর সম্ভাবনা আছে।

 

ডাঃ মোহাম্মদ এহসান

এমবিবিএস (ঢাকা), ডিডি (থাইল্যান্ড-জাপান)

ডিপিডি (লন্ডন), স্কিন এন্ড লেজার সার্জারী (ব্যাংকক)

এবিএলএস (আমেরিকা)

চর্ম,যৌন,এলার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ ও কসমেটিক সার্জন

ডেলটা হেলথ কেয়ার,চিটাগাং লিঃ

সিরিয়াল: ০১৮৪১-৯০৬০৯০,০১৮৪১-৯০৬০৩০,

Source:  www.deltahcctg.com

সিজার পরবর্তী নরমাল ডেলিভারি কি সম্ভব ?

by isk 0 Comments
সিজার পরবর্তী নরমাল ডেলিভারি কি সম্ভব ?

আমাদের দেশে অনেকেরই ধারণা একবার সিজারের মাধ্যমে ডেলিভারি হলে পরবর্তী প্রতিটি প্রেগনেনসিতে সিজার করার দরকার হয়। এমেরিকান প্রেগনেন্সি এ্যাসোসিয়েশন-এর রিপোর্ট অনুযায়ী সিজারিয়ান ডেলিভারির পরও ৯০% মায়েরা পরবর্তী প্রেগনেন্সিতে নরমাল ভেজাইনাল ডেলিভারি করানোর জন্য উপযুক্ত থাকেন।

এদের মধ্যে ৬০-৮০% মায়ের কোনো সমস্যা ছাড়াই সফল ভাবে নরমাল ভেজাইনাল ডেলিভারি সম্ভব হয়। কিন্তু ডেলিভারি ট্রায়াল দেয়ার আগে দেখে নিতে হবে কোনো কোনো মা এই ডেলিভারির জন্য উপযুক্ত।

এজন্য আগের সিজার সম্পর্কে কিছু তথ্য নিতে হবে। যেমন

 

আগের সিজারের সংখ্যা :

যাদের আগে একটি সিজার হয়েছে,তারাই কেবলমাত্র পরে ভেজাইনাল ডেলিভারি ট্রায়াল দিতে পারবে।

 

 

কী কারণে সিজার হয়েছিল?

সিজার এমন কিছু কারনে হয়েছিল যা পুনরাবৃত্তি হবার আশঙ্কা কম যেমন, বাচ্চার এ্যাবনরমাল পজিশনের কারণে সিজার হলে কিংবা বাচ্চা বা মায়ের কোনো সমস্যার কারণে সিজার হলে যা বর্তমান প্রেগনেনসিতে অনুপস্থিত।

আগে সিজারের স্থানটি কতখানি মজবুত আছে :

Lower uterine caessarean section বা LUCS (জরায়ুর নিচের অংশে সেলাই) এর ক্ষেত্রেই কেবল পরবর্তীতে ভেজাইনাল ডেলিভারি ট্রায়াল দেবার সুযোগ থাকে, এক্ষেত্রে পূর্বের সেলাই ফেটে যাবার আশঙ্কা ০.৫ %। অন্যদিকে ক্লাসিক্যাল সিজারের ক্ষেত্রে সেলাই ফাটার হার ১.৫%।

দুই প্রেগনেন্সির মধ্যে অন্তত দুই বছরের গ্যাপ থাকা উচিত, আগের সেলাইয়ের স্থানটি মজবুত হয়।

আগের প্রেগনেন্সিতে প্লাসেন্টা প্রিভিয়া থাকলে বা সিজারের পর ইনফেকশন হলে সেলাইর স্থানটি দুর্বল করে ফেলে যা পরে ফেটে যাবার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়।
এছাড়া বর্তমান প্রেগনেন্সিতে মায়ের অন্য কোনো জটিলতা যেমন উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস থাকলে তাকে নরমাল ভেজাইনাল ডেলিভারি ট্রায়ালের জন্য উপযুক্ত ধরা হয় না।

বাচ্চার ওজন চার কেজির কম থাকা এবং প্রসবের রাস্তা যথেষ্ট প্রশস্ত থাকাও ভেজাইনাল ডেলিভারির একটি পূর্ব শর্ত।

সবকিছু ঠিক থাকলে এই ডেলিভারির সুবিধা অসুবিধা মা ও অভিভাবকদের অবহিত করতে হবে। ডেলিভারি এমন হস্পিটালে ট্রায়াল দিতে হবে যেখানে ইমারজেন্সি সিজার করার দরকার হলে তা দ্রুত এরেঞ্জ করা সম্ভব। বাচ্চা এবং মায়ের নিবিড় পর্যবেক্ষণ করাটা এক্ষেত্রে জরুরি বিষয়। উন্নত দেশে লেবারের সময় CTG (cardio-tocograph) মেশিনের মাধ্যমে বাচ্চাকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হয়।

২০ থেকে ৫০ ভাগ ক্ষেত্রে ভেজাইনাল ডেলিভারি সম্ভব হয় না এবং ইমার্জেন্সি সিজারের দরকার হয়। এই ডেলিভারির সময় সঠিক মনিটরিং না হলে মা ও বাচ্চার জটিলতার হার বেড়ে যায়। অপরদিকে সফল ভেজাইনাল ডেলিভারির মাধ্যমে শরীরে বাড়তি অস্ত্রপাচার এড়ানো যায়। শরীরে অস্ত্রপাচারেরে সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে টিস্যু এডহেশন এবং টিস্যু ইনজুরির সম্ভাবনা বেড়ে যায়, এবং এই ডেলিভারির অস্ত্রপাচারজনিত সমস্ত রিস্ক থেকে মুক্ত।

কিন্তু আমাদের দেশে বেশির ভাগ হাসপাতালে এই প্রাকটিস করা হয় না, এর কারণ দক্ষ লোকবলের অভাব, মা ও বাচ্চার মনিটরিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অপ্রতুলটা এবং ভেজাইনাল ডেলিভারিতে মায়েদের অনীহা ও ভীতি।

ডা: নুসরাত জাহান
অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর (গাইনি-অবস)
কেয়ার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কলেজ গেট।

টাইফয়েড কি এবং টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ কি কি

by isk 0 Comments
টাইফয়েড কি এবং টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ কি কি

টাইফয়েড বা টাইফয়েড  জ্বর কি ?

 

টাইফয়েড (typhoid) জ্বর বাংলাদেশে খুবই কমন একটি রোগ। টাইফয়েড জ্বর স্যালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমণে হয়ে থাকে। দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে প্রধানত দেহে এই জীবাণু ছড়ায়। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার লোকজনের টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তস্রোতে ও অন্ত্রনালীতে এই ব্যাটটেরিয়া অবস্থান করে এবং দূষিত খাবার ও পানি গ্রহণের মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিযা দেহে প্রবেশ করা জীবাণুগুলো গুণিতক আকারে বেড়ে গিয়ে রক্তস্রোতে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে জ্বরসহ নানা ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়।

 

 

 

টাইফয়েড বা টাইফয়েড জ্বরের কারণঃ

টাইফয়েডের অন্যতম কারণ হলো দূষিত খাবার গ্রহণ। এ ছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে এবং পানির মাধ্যমেও এই রোগের জীবাণু ছড়ায়। এ রোগের জটিলতাও নেহাত কম নয়। রক্তক্ষরণ, অগ্নাশয়ে প্রদাহ, মেরুদণ্ডে সংক্রমণ এমনকি কিডনিতেও বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে টাইফয়েড থেকে।

 

 

টাইফয়েড জ্বরের ছড়ানোর মাধ্যম:

প্রধানত দূষিত পানি ও খাবার গ্রহণের মাধ্যমেই এই জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার প্রতি উদাসীনতার কারণেও এটি শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এছাড়াও টাইফয়েড জ্বর হতে আরোগ্য লাভ করেছেন কিন্তু এই ব্যাকটেরিয়া বহন করছেন এমন কিছু সংখ্যক ব্যক্তিও এই রোগের বাহক হতে পারে। যেভাবেই এই জীবাণু শরীরে শরীরে প্রবেশ করুক না ঢুকার পর তা বৃহদান্ত্রকে আক্রমণ করে। এছাড়া এই ব্যাকটেরিয়া শরীরের পিত্তথলিতে জমা থাকে এবং উপযুক্ত পরিবেশ পেলেই কেবল আক্রমণ করে।

 

 

টাইফয়েড ও প্যারটাইফয়েড জ্বরঃ

প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী টাইফয়েড জ্বরের আনুমানিক ১১-১২ মিলিয়ন আক্রান্ত হয় এবং প্যারাটাইফয়েড জ্বরে ৫ মিলিয়ন মানুষ আক্রান্ত হয়।বছরে ২ লাখ ১৫ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে।

 

 

টাইফয়েড বা টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ (typhoid fever):

সাধারণত রোগ-জীবাণু শরীরে প্রবেশের ১০ থেকে ১৪ দিন পর রোগের লক্ষণ সমূহ প্রকাশ পেতে থাকে। জ্বর এ রোগের প্রধান লক্ষণ যা প্রথম চার-পাঁচ দিন জ্বর বৃদ্ধি পায় জ্বর কখনো বাড়ে, কখনো কমে; তবে কোনো সময় সম্পূর্ণ ছেড়ে যায় না। এর প্রধান প্রধান

লক্ষণসমূহ নিম্নরুপঃ

১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত টানা জ্বর হওয়া।

জ্বরের সঙ্গে মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা ও শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।

ক্ষুধামন্দা হওয়া সহ কারো কারো কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।

শিশুদের ক্ষেত্রে ডায়রিয়া ও বমি হতে পারে।

গা ম্যাজ ম্যাজ করা সহ রোগীর কফ বা কাশি হতে পারে ।

প্রচণ্ড পেটে ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

দ্বিতীয় সপ্তাহে রোগীর পেটে ও পিঠে গোলাপি রঙের দানা দেখা দিতে পারে।

কারো কারো জ্বরের সঙ্গে কাশি হয়।

হার্ট রেট বা হৃদস্পন্দন কমে যেতে পারে।

ওষুধ চলা অবস্থায়ও সপ্তাহ খানেক জ্বর থাকতে পারে।

 

 

টাইফয়েড জ্বরের জটিলতাঃ

 

পরিপাকতন্ত্র থেকে রক্তক্ষরণ,

অগ্ন্যাশয়ে প্রদাহ, মেরুদণ্ডে সংক্রমণ,

মস্তিষ্কে প্রদাহ,

পিত্তথলিতে সংক্রমণ,

নিউমোনিয়া,

শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোড়া,

স্নায়বিক সমস্যা

কিডনিতেও বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

 

 

টাইফয়েড জ্বরে ডায়াগনস্টিক বা ল্যাব টেস্টঃ

# Widal Test

# ICT for Salmonella

# CBC

# Urine R/E

# Blood Cuture

 

 

টাইফয়েড জ্বরের ঔষধঃ

 

রেজিস্ট্যান্স বা প্রতিরোধক না হলে, ফ্লুরোকুইনোলন যেমন সিপ্রোফ্লক্সাসিন সবচেয়ে কার্যকরি। অন্যথায়, তৃতীয় প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন যেমন সেফট্রায়াক্সন বা সেফোট্যাক্সিম কার্যকরি। মুখে খাওয়ার ঔষধের মধ্যে সেফিক্সিম ব্যবহার করা হয়।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে টাইফয়েড প্রাণঘাতী নয়।অ্যান্টিবায়োটিক যেমন অ্যাম্পিসিলিন, ক্লোরাম্ফেনিকল, অ্যামক্সিসিলিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন ইত্যাদি টাইফয়েড চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। চিকিৎসায় এ রোগে মৃত্যুর হার ১% এ নেমে আসে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি ও স্যালাইন গ্রহণ করতে হবে।

(ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া মেডিসিন নেয়া যাবে না)

 

 

 

টাইফয়েড রোগীর খাবারঃ

# বেশী বেশী তরল জাতীয় খাবার খেতে হবে।

# ভিটামিন-সি জাতীয় খাবার খেতে হবে।

# যেহেতু এন্টিবায়োটিক খেতে হবে তাই পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।

 

 

 

টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধ:

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী টাইফয়েড জ্বরের জন্য নির্ধারিত ভ্যাক্সিন (টিকা) গ্রহণ করা রোগটি থেকে বেঁচে থাকার একটি উপায়। ইনজেকশন এবং মুখে খাওয়ার উভয় ধরনের ভ্যাক্সিন বাজারে পাওয়া যায়। ভ্যাক্সিন গ্রহণ করার ব্যাপারে চিকিৎসককের পরামর্শ নেওয়া দরকার। সব সময় ভ্যাক্সিন ১০০% কার্যকর হয়না তাই ভ্যাক্সিনের পাশাপাশি নিম্নলিখিত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করা দরকার।

সব সময় পরিষ্কার পোশাক পরে, নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পান করে টাইফয়েড প্রতিরোধ করা যায়। এছাড়া, অবশ্যই হাত ভালোভাবে ধুতে হবে। ঘরের জিনিসপত্র নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে এবং আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিস আলাদা করে রাখতে হবে। পানি ফুটিয়ে পান করতে হবে। খাবার গরম করে খেতে হবে। বাইরের খাবার খেলে সব সময় সচেতন থাকতে হবে। অপরিষ্কার শাকসবজি ও কাঁচা-ফলমূল খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহার করতে হবে। লক্ষ রাখতে হবে কোনোভাবেই যেন টয়লেটে ময়লা বা পানি জমে না থাকে। আক্রান্ত ব্যক্তির টয়লেট নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে খোলামেলা ও পরিষ্কার বাসায় রাখতে হবে।

টাইফয়েড টেস্টঃ সঠিক রিপোর্ট পেতে সঠিক সময়ে টেস্ট করুন

ই ক্যাপ ৪০০ (e cap 400) কি ও কেন এবং ই ক্যাপ খাওয়ার নিয়ম

by isk 0 Comments
ই ক্যাপ ৪০০ (e cap 400) কি ও কেন এবং ই ক্যাপ খাওয়ার নিয়ম

ভিটামিন ই, একটি এন্টি-অক্সিডেন্ট যা সাধারণত খাবারে পাওয়া যায় যেমন- বাদাম,সবুজ শাক-সবজি,বিভিন্ন ধরণের বীজ ইত্যাদি।এটি একটি ফ্যাট সলিউবল ভিটামিন যা শরীরের জন্য খুব দরকারী।

 

ই ক্যাপ ৪০০ কি ?

অনেকের শরীরে ভিটামিন-ই এর অভাব রয়েছে বা খাদ্য থেকে পর্যাপ্ত ভিটামিন-ই পাচ্ছে না,তাদের জন্য ডাক্তার ভিটামিন-ই সাপ্লিমেন্ট ক্যাপসুল দিয়ে থাকেন।ই ক্যাপ ৪০০- একটি ভিটামিন-ই সাপ্লিমেন্ট, যা শরীরের ভিটামিন-ই এর অভাব পূরণ করবে।

 

 

কেন ভিটামিন-ই বা ই ক্যাপ ৪০০ (e cap 400) খাবো ?

# এন্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে

 

# ভিটামিন-ই এর অভাব পূরনে

 

# হিমোলাইটিক এনিমিয়া (Haemolytic Anaemia)

 

# চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে

*** চুল পড়া রোধ করে

*** মাথার তালুতে রক্ত সরবরাহ বাড়ায়।

*** মাথার চামড়ায় তেলের ব্যালান্স রক্ষা করে

*** চুলের উজ্জলতা বাড়ায় ও গোড়া মজবুত করে।

 

# খাদ্য সম্পূরক হিসেবে

 

# হার্টের রোগে

 

# শরীরে ভারী ধাতু বিষক্রিয়ায়

 

# অক্সিজেন থেরপিতে

( কোন ধরণের ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া যাবে না)

 

 

বাজারে কত প্রকারের ই ক্যাপ ক্যাপসুল পাওয়া যায় ?

# 200 IU
# 400 IU
# 600 IU

 

 

ভিটামিন ই ক্যাপসুল কোনটা ভালো ?

এখানে যে কোন ইউনিট এর ক্যাপসুল ভালো। আপনি কোনটা খাবেন সেটা নির্ভর করছে আপনার রোগ বা শরীরে কতটুকু অভাব আছে তার উপর।

 

 

ই ক্যাপ ৪০০ এর দামঃ

প্রতিটি ই ক্যাপ ক্যাপসুল ৬.৫০ টাকা

ই ক্যাপ ৪০০ খাওয়ার নিয়মঃ

# হার্টের সমস্যায়ঃ ৪০০-৮০০/ প্রতিদিন

# প্রাপ্তবয়স্কদের ভিটামিন-ই এর অভাবেঃ ২০০-৪০০/ প্রতিদিন

# শিশুদের ভিতামিন-ই এর অভাবেঃ ২০০ আই ইউ/ প্রতিদিন

# থ্যালাসেমিয়াঃ ৮০০ আই ইউ/ প্রতিদিন

# সিকল সেল এনিমিয়াঃ ৪০০ আই ইউ/ প্রতিদিন

# চুল ও ত্বকের জন্যঃ ২০০-৪০০/ প্রতিদিন

# বয়স্কদের ঠান্ডাজনিত সমস্যাঃ ২০০ ই ইউ/প্রতিদিন

 

 

 

কমন সাইড এফেক্ট ই ক্যাপ ৪০০ঃ

# শরীরে র‍্যাশ দেখা যাওয়া

# মাথা ব্যথা

# বমি বমি ভাব

# ক্লান্ত লাগা

 

 

 

কখন ই ক্যাপ ৪০০ খাওয়া বন্ধ করবো ?

# চোখে ঝাপসা দেখা

# নাক দিয়ে রক্ত পড়া

# ডায়রিয়া

এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তার দেখাতে হবে।

 

 

 

অতিরিক্ত ই ক্যাপ ৪০০ বা ভিটামিন-ই খেলে কি হবে ?

# থাইরয়েডে সমস্যা হবে

# হাড় দূর্বল হয়ে যাবে

# প্রস্টেট ক্যান্সার এর ঝুকি বাড়ায়

 

 

 

কাদের ই ক্যাপ ৪০০ বা ভিটামিন-ই খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে ???

# গর্ভবতী বা দুগ্ধদানকারী মা

# যাদের ওষুধে নিম্নে দেয়া উপাদান আছেঃ

—————cholestyramine

—————mineral oil

—————orlistat (alli, Xenical)

—————warfarin (Coumadin,Jantoven)

# যাদের কিডনি রোগ আছে

# যাদের লিভার রোগ আছে

# যাদের ব্লিডিং ডিসঅর্ডার আছে বা রক্তরোগ আছে

# যাদের হাই কোলেস্টেরল আছে

# যাদের ডায়াবেটিস আছে (অনেক কোম্পানির ওষুধে সুগার আছে)

 

Reference:

www.webmd.com

www.healthline.com

জ্বর কি ও কেন এবং জ্বর কমানোর ঘরোয়া উপায়

by isk 0 Comments
জ্বর কি ও কেন এবং জ্বর কমানোর ঘরোয়া উপায়

জ্বর কি ?

জ্বর হচ্ছে শরীরেরর উচ্চ তাপমাত্রা।যেটি সাধারণত জীবাণুর বিরুদ্ধে শরীর যখন যুদ্ধ করে বা আমাদের বডি ডিফেন্স সিস্টেম যখন কাজ তখন শরীরে জ্বর আসে।এটি একটি ভালো লক্ষণ।জ্বর কিন্তু কোন রোগ নয়।এটি একটি শারীরিক অবস্থা।

শরীরের সাধারণ তাপমাত্রা ৯৮.৬ ডিগ্রী ফারেনহাইট বা ৩৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস।যখন কারো শরীরের তাপমাত্রা বাড়বে বুঝতে হবে তার শরীর হেলদি আছে এবং জীবাণু বিরুদ্ধে লড়াই করছে,তার ইমিউনিটি ভালো

 

 

উচ্চ তাপমাত্রাকে কখন আমরা জ্বর বলবো ?

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য,যদি শরীরের তাপমাত্রা ১০০.৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট থাকবে।

 

শিশুদের ক্ষেত্রে,

পায়ুপথে তাপমাত্রা যখন ১০০.৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট থাকবে,

মুখে তাপমাত্রা থাকেব ৯৯.৫ ডিগ্রী,

বগলের নিচে ৯৯.০ ডিগ্রী

 

 

জ্বর আসার লক্ষণঃ

# শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি সত্ত্বেও সাধারণত ঠান্ডা অনুভূত হয়।

# তাপমাত্রা

# কাপুনি

# ঘাম হওয়া

# মাথা ব্যথা

# মেজাজ খিট্মিটে

# খাওয়ার ইচ্ছা কমে যাওয়া

# পানিশূন্যতা

# ক্লান্তি বা দুর্বল লাগা

 

জ্বরের  প্রকারভেদঃ

তাপমাত্রা পরিবর্তনের ধরন রোগের উপর নির্ভরশীল: জ্বর এর পরিবর্তনের ধরন থেকেই কখনো কখনো রোগ নির্ণয় সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারেঃ

 

# একটানা জ্বরঃ সারাদিন ধরে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে এবং ২৪ ঘণ্টায় ১0 সে. এর বেশি তাপমাত্রার পরিবর্তন হয় না। যেমনঃ লোবার নিউমোনিয়া, টাইফয়েড, মূত্রনালির ইনফেকশন, ব্রুসেলসিস, টাইফাস ইত্যাদি রোগের ক্ষেত্রে একটানা জ্বর পরিলক্ষিত হয়। টাইফয়েড রোগের ক্ষেত্রে জ্বরের একটি নির্দিষ্ট আঙ্গিক দেখা যায়। জ্বর ধাপে ধাপে বাড়ে এবং উচ্চ তাপমাত্রা অনেকক্ষণ থাকে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

 

 

# নির্দিষ্ট বিরতিতে জ্বরঃ জ্বর একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বাড়ে এবং পরে তাপমাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যায়, যেমনঃ ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর (kala-azar), পাইয়েমিয়া, সেপ্টিসেমিয়া (রক্তের সংক্রমন)। এর প্রকারভেদগুলো হলঃ

—কুয়োটিডিয়ান জ্বর, যার পর্যায়কাল হল ২৪ ঘণ্টা, সাধারণত ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে দেখা যায়।

—টারশিয়ান জ্বর, যার পর্যায়কাল ৪৮ ঘণ্টা, এটিও ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে দেখা যায়।

—কোয়ার্টান জ্বর, যার পর্যায়কাল ৭২ ঘণ্টা, এটি দেখা যায় Plasmodium malariae জীবাণুর ক্ষেত্রে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

 

 

# স্বল্প বিরতিতে জ্বরঃ শরীরের তাপমাত্রা সারদিন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে এবং ২৪ ঘণ্টায় ১0 সে. এর চেয়ে বেশি উঠা নামা করে। যেমনঃ infective endocarditis.

 

 

# Pel-Ebstein জ্বরঃ এই বিশেষ ধরনের জ্বরটি হজকিন লিম্ফোমা এর ক্ষেত্রে দেখা যায়। জ্বর এক সপ্তাহ বেশি, এক সপ্তাহ কম- এভাবে চলতে থাকে। তবে আদৌ এ ধরনের জ্বর বিদ্যমান কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

 

 

# দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অবর্তমানে এক ধরনের জ্বর দেখা যায় যাকে বলা হয় “ফিব্রাইল নিউট্রোপেনিয়া ” ।এক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধী নিউট্রোফিল এর অভাবে ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমন তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পরে। তাই এই রোগের জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন। যেসব রোগীর কেমোথেরাপি চিকিৎসা চলছে যা কিনা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় তাদের ক্ষেত্রে এই রোগ বেশি দেখা যায়।

 

 

# Febricula, এটি একটি প্রাচীন শব্দ যা এমন ধরনের জ্বরের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যখন তাপমাত্রা বেশি উঠে না এবং বিশেষ করে যখন জ্বরের কারণ অজানা থাকে। এ ধরনের জ্বর থেকে রোগী এক সপ্তাহে সেরে ওঠে।

 

জ্বর কেন হয় ?

# বিভিন্ন কারণে শরীরে জ্বর আসতে পারে।তবে কমন কারণ হচ্ছে ঠান্ডা বা সর্দি।

# যে কোন ধরণের ইনফেকশন

# প্রস্রাবের রাস্তায় ইনফেকশান

# ভ্যাক্সিনাশান

# যে কোন রোগেই জ্বর আসতে পারে,প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে।

কিছু শারীরিক অবস্থার কারনে,যেমনঃ

# স্ট্রেস

# ভারী কাপড় পড়া

# পিরিয়ড

# শারীরিক আঘাত

# আচমকা ভয় পেলে

 

জ্বর নির্ণয়ে ল্যাব টেস্টঃ

# সিবিসি টেস্ট (cbc test)

# টাইফয়েড টেস্ট (widal test)

# প্রস্রাব টেস্ট / ইউরিন টেস্ট (urine r/e)

# ম্যালেরিয়া টেস্ট (ict for malaria)

# ডেঙ্গু টেস্ট (ict for dngue-NS1)

# চিকুনগুনিয়া টেস্ট

জ্বর হলে করণীয় চিকিৎসাঃ

# জ্বর যদি ১০১ ডিগ্রীর নিচে হয়,তাহলে কোন চিকিৎসার দরকার নেই।

# প্রচুর পরিমাণে পানি বা তরল জাতীয় খাবার খেতে হবে।

# বেড রেস্ট নিতে হবে।

 

জ্বর হলে কি ঔষধ খাওয়া উচিত ?

# এসপিরিন, এসিটামিনোপেন, আইবোপ্রুফেন জাতীয় ওষুধ খেতে পারেন।

বিঃদ্রঃ ১৭ বছরের নিচে কাউকে “এসপিরিন” জাতীয় ওষুধ দেয়া যাবে না।

 

দ্রুত জ্বর কমানোর ঘরোয়া উপায়ঃ

১। হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করুন। হালকা গরম পানিতে গোসল করলে শরীরের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যাবে। তবে ঠান্ডা পানিতে গোসল করে শরীরকে শীতল করার চেষ্টা কখনই করবেন না।

কারণ জ্বর নিয়ে ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গে রক্ত ছুটে যাবে ও মূল তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়ে যাবে। অন্যদিকে ত্বক শীতল হয়ে পড়বে ও শরীরে কাঁপুনি শুরু হবে।

 

২। স্পঞ্জ বাথও নিতে পারেন। বগল ও কুঁচকির মতো উচ্চ তাপমাত্রার (temperature) অংশে ঠান্ডা পানিতে ভেজা স্পঞ্জ বা নরম কাপড় দিয়ে মুছে নিলে জ্বর অনেকাংশে কমে আসবে।

 

৩। গোসল করতে না চাইলে কপাল ও ঘাড়ের ওপর ঠান্ডা পানিতে ভেজা নরম কাপড় রাখলেও জ্বর কমে আসবে।

 

৪। শরীরকে শীতল করার একটি প্রক্রিয়া হলো ঘাম নিঃসরণ। তাই শরীর থেকে ঘাম ঝরিয়ে জ্বর কমানোর চেষ্টা অস্বাভাবিক কিছু নয়। ঘাম নিঃসরণকে উদ্দীপ্ত করতে আদার চা পান করতে পারেন।

এক মগ পানিতে আধ চা-চামচ আদা কুচি কুচি ঢেলে ফুটিয়ে নিন। এরপর এই পানীয়কে ছেঁকে কুসুম গরম অবস্থায় পান করুন।

 

৫। জ্বর (fever) আসলে খাবারে বেশি পরিমাণে ঝাল মরিচের গুঁড়া ব্যবহার করুন। ঝাল মরিচের প্রধান উপাদান হলো ক্যাপসাইসিন। এটি শরীর থেকে ঘাম ঝরিয়ে জ্বর কমাতে পারে।

 

৬। জ্বরের জনপ্রিয় একটি ঘরোয়া টোটকা হলো ওয়েট-শক ট্রিটমেন্ট। বিছানায় যাওয়ার পূর্বে প্রথমেই হালকা গরম পানিতে পা ভিজিয়ে নিন। এরপর ১ জোড়া কটনের মোজাকে ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে পরে নিন।

এর ওপর পশমের ১ জোড়া শুকনো মোজা পরুন। এ প্রক্রিয়াতে পায়ের দিকে রক্ত তাড়াতাড়ি ছুটে আসবে এবং জ্বর কমবে।

 

৭। পায়ের দিকে রক্ত টেনে আনার অন্যতম উপায় হলো মাস্টার্ড ফুটবাথ। ৪ মগ কুসুম গরম পানিতে ২ চা-চামচ সরিষা গুঁড়া মিশিয়ে পা দুটিকে কিছুক্ষণ জন্য ডুবিয়ে রাখুন। এতেও জ্বর (fever) কমে আসবে।

 

৮। প্রাচীনযুগের জ্বরের টোটকা হচ্ছে চাদরকে ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে শরীরে পুরোপুরি মুড়ে নেয়া। তবে আজকের চিকিৎসকেরা শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত কমানোর বিপক্ষ বলে কুসুম গরম পানি ব্যবহার করতে পারেন। চাদরটি শরীরে মুড়িয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে খুলে ফেলুন।

 

৯। জ্বরে শরীর সহজেই পানিশূন্য হতে পারে। তাই প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।

 

১০। জ্বরে কমলার রস ও অন্যান্য ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফলের রস খেলে অনেকটা উপকার পাওয়া যায়। ভিটামিন-সি ইমিউনিটি সিস্টেমকে ইনফেকশনের বিরুদ্ধে লড়তে সহায়তা করে।

মধু ও তুলসিপাতা

সর্দি-কাশি বা জ্বরের মতো সমস্যায় মধু খুবই উপকারী। অসুখ-বিসুখে মধুর ব্যবহার বেশ পুরনো। মধু ও তুলসীপাতা গলার কফ পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। সর্দি-কাশি হলে নিয়মিত সকালে মধু আর তুলসিপাতা একসাথে খেয়ে নিন। কিছুক্ষণ পরেই দেখবেন গলা পুরোপুরি পরিষ্কার হয়ে যাবে।

আদা চা

আদার চা জ্বর কিংবা সর্দি-কাশি থেকে সহজে মুক্তি দেয়। শুধুমাত্র গলার কফ দূর করতেই নয়, বুকের কফ পরিষ্কার করতেও আদা চায়ের তুলনা হয় না। আদা চা তৈরির জন্য হালকা গরম পানিতে চিনি দিয়ে ফোটান। চিনি মিশে গেলে চা দিয়ে ফোটাতে হবে।

এরপর এতে আদার ছোট ছোট কুচি মেশান। এরপর ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিন চা। চাইলে মেশাতে পারেন লেবুর রস। এটা চায়ের ভিটামিন-সি যোগ করে। এই আদা চা খেলে সর্দির সময় মাথা ধরা কমে যায়। দুর্বলতা কেটে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ করে তোলে।

ভিটামিন

শরীরে বিভিন্ন ভিটামিনের অভাব হলে শরীর অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়ে। তখন বাইরের রোগ-জীবাণু সহজেই শরীরকে আক্রমণ করতে পারে। ফ্লুও একই কারণে হয়ে থাকে। তাই ফ্লু থেকে দূরে থাকতে ভিটামিন খাওয়া জরুরী।

কিছু খাবারে থাকে প্রচুর ভিটামিন-এ, বি, সি ইত্যাদি। তাই খাবারের একটি ঠিকঠাক তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করুন যাতে শরীরে সব ধরণের ভিটামিন ঠিকমতো প্রবেশ করতে পারে।

তরল খাবার

বুকে কফ জমে গেলে তা বের করা খুব কঠিন। এমনকি সঠিক চিকিৎসা না হলে হতে পারে ইনফেকশন। তাই সর্দি-কাশির সময় কোনোভাবেই যেন বুকে কফ বসে না যায়। এর জন্য খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে তরল।

বিশুদ্ধ পানি পানের পাশাপাশি ফ্রুট জুস বা স্যুপ জাতীয় খাবার খান দৈনিক। তরল জাতীয় খাবার কফকে সহজে বুকে বসতে দেয় না।

বিশ্রাম

এসময় জ্বর (fever) অনুভূত হলে বাড়ি থেকে কোথাও না বেরিয়ে বাড়িতেই বিশ্রাম নিন। এতে সংক্রমণের আশঙ্কা কমে যাবে। এসময় শরীর যথেষ্ট দুর্বল থাকে। তাই ঠিকঠাক বিশ্রাম নিতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম। বাড়িতে চেষ্টা করুন পর্যাপ্ত ঘুমিয়ে নেয়ার।

 

 

কখন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে ?

# জ্বরের সাথে যদি খুব বেশী ঘাড় ব্যথা থাকে।

# জ্বরের ঘরোয়া চিকিৎসার পরেও তাপমাত্রা ২ ঘণ্টার মধ্যে ১০৩ ডিগ্রীর নিচে না নামে।

# যদি ২ দিনের বেশী সেইম তাপমাত্রার জ্বর থাকে।

# জ্বরের সাথে শরীরের র‍্যাশ থাকে।

# রোগী যদি লাইট বা আলো দেখে বিরক্ত হয় বা ভয় পায়।

# রোগীর যদি প্রস্রাব কমে যায় বা একেবারে না হয়।চোখ যদি শুকিয়ে যায়।

# যদি খিচুনী হয়।

Reference:

https://bn.wikipedia.org/

https://www.jonny360.xyz/

মেথির উপকারিতা ও অপকারিতা এবং খাওয়ার নিয়ম

by isk 0 Comments
মেথির উপকারিতা ও অপকারিতা এবং খাওয়ার নিয়ম

মেথি কি ?

মেথি একটি মৌসুমী গাছ।এর বৈজ্ঞানিক নাম Trigonella foenum-graecum।এর ইংরেজি নাম Fenugreek। মেথি একটি বর্ষজীবী গাছ। একবার মাত্র ফুল ও ফল হয়। তিনটি করে পাতা একসাথে জন্মায়। ফুলে ও তিনটা করে পাপড়ি থাকে। স্ত্রী এবং পুরুষ দুই ধরনের ফুল হয়। রঙ সাধারণত সাদা ও হলুদ হয়ে থাকে। বাদামি-হলুদ বর্ণের প্রায় চারকোনা আকৃতির বীজ হয়।

মেথির পাতা শাক হিসাবে খাওয়া হয়। মেথি শাক গ্রাম বাংলার মানুষের প্রিয় খাদ্য। ইউনানী, কবিরাজী ও লোকজ চিকিৎসায় বহুবিধ ব্যবহার হয়। মশলা হিসাবেও এটি প্রচুর ব্যবহার হয়।। এটি পাঁচ ফোড়নের একটি উপাদান।

মেথির স্বাদ তিতা ধরনের।মেথিকে মসলা, খাবার, পথ্য—তিনটাই বলা চলে।ভেষজ উদ্ভিদ হিসাবে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইরাক, ইরান, নেপাল ইত্যাদি দেশে ব্যবহার করা হয়।তাছাড়া হাজার বছর ধরে মেথি চীনে চিকিৎসা সেবায় ব্যবহার হয়ে আসছে।

 

 

 

মেথির গুনাগুনঃ

# ফাইবার

# প্রোটিন

# কার্বোহাইড্রেট

# আয়রন

# ফ্যাট

# মাংগানিজ

# ম্যাগনেশিয়াম

# কোলিন

# ইনোসিটল

# বায়োটিন

# ভিটামিন-বি

# জিংক

# পটাশিয়াম

# সেলেনিয়াম

 

 

 

মেথি খাওয়ার নিয়মঃ

# এক গ্লাস বিশুদ্ধ পানি নিন। এবার তাতে এক চা চামচ মেথি ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। সকালে উঠে খালি পেটে সেই পানিটুকু পান করুন। আবার সকালে খালি পেটে শুধু মেথিও চিবিয়ে খেতে পারেন।

# চাইলে মেথি ভেজানো পানির সঙ্গে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।

# শুকনো মেথির বীজ শুকিয়ে গুঁড়ো করে মাংসে ছিটিয়ে দেওয়া যেতে পারে। এছাড়াও একে গ্রাইন্ড করে কারীর সাতে যোগ করতে পারেন।

# রুটি, পরোটা, ঝোল তরকারি, সালাদ এবং মাছে ব্যবহার করতে পারেন মেথি।

# মেথির চা বানিয়ে খেতে পারেন।যেভাবে বানাবেন-

*** এক চা চামচ মেথি গুঁড়া করে নিন।

*** এক কাপ ফুটন্ত গরম পানিতে গুঁড়া করা মেথি মিশিয়ে দিন।

*** এক চা চামচ মধু অথবা তুলসি পাতাও মেশাতে পারেন।

*** সব উপকরণ দিয়ে মিনিট তিনেক ভিজিয়ে রাখুন।

*** ছেঁকে পান করুন স্বাস্থ্যকর মেথি চা।

 

 

 

মেথি খাওয়ার পরিমাণঃ

# প্রতিদিন ৩-৫ গ্রাম খাওয়া যাবে।এর বেশী নয়।

 

মেথির দামঃ

২৫০ গ্রাম —-১৫০/ টাকা

 

মেথির উপকারিতাঃ

# ওজন কমাতে

# জ্বর ও খুসখুসে গলার জন্য

# চুল পড়া রোধে

# হজমে সহায়ক

# রক্তে গ্লুকোজ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে

# উজ্জ্বল ত্বকের জন্য

# খুশকি দূর করতে

# ক্যান্সার দূর করে

# স্থূলতা দূর করে

# একজিমা প্রতিরোধ করে

# মাংশপেশীর ব্যথা দূর করতে

# ডায়াবেটিস প্রতিরোধে

# কোলেস্টেরল কমায়

# বুক জ্বালা-পোড়া কমায়

# কফ,কাশি দূর করে

# নার্ভ ভালো রাখে

# শরীর থেকে টক্সিন দূর করে।

 

 

 

পুরুষের জন্য মেথির উপকারিতাঃ

# সহবাসে আগ্রহ বাড়ায়

# টেস্টটোসটেরন বাড়ায়, যা যৌনশক্তি বাড়ায়।

# বডি ম্যাসল গ্রোথ করত সাহায্য করে।

# শুক্রাণুর গুনগত মান বাড়ায়।

 

 

মহিলাদের জন্য মেথির উপকারিতাঃ

# পিরিয়ডের ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে

# মহিলাদের দুধ বাড়াতে সাহায্য করে।

# ইস্ট্রোজেন হরমোন এর ব্যালান্স রাখে।

# ভ্যাজাইনাল ইনফেকশন প্রতিরোধে সাহায্য করে।

# বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধ করে।

 

 

কাদের জন্য মেথি খাওয়া নিষেধঃ

# যাদের লো সুগার আছে।

# যাদের ব্লাড ক্লটিং ডিজিস আছে।

# গর্ভবটি মহিলাদের।

# যাদের থাইরয়েড এর রোগ রয়েছে।

 

 

মেথির অপকারিতা / সাইড এফেক্টঃ

অতিরিক্ত মেথি খেলে বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।মেথি কোনভাবেই ওভারডোজ নেয়া যাবে না।যে সমস্যা হতে পারে—

# ডায়রিয়া

# বমি

# হার্ট রেট বেড়ে যেতে পারে

# নিঃশ্বাস দ্রুত হতে পারে

 

 

কখন হাসপাতালে নিতে হবে ?

যদি মুখ, ঠোট, জিহ্বা ফুলে যায়।গলা ফুলে যায়।শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।একে (হাইব’স) এলার্জিক রিয়্যাকশন বলে।

Reference: https://bn.wikipedia.org/

কিসমিসের উপকারিতা ও কিসমিস খাওয়ার নিয়ম

by isk 0 Comments
কিসমিসের উপকারিতা ও কিসমিস খাওয়ার নিয়ম
কিসমিসের উপকারিতা ও কিসমিস খাওয়ার নিয়ম

কিসমিস হলো শুকনো আঙ্গুর।এটিকে ইংরেজিতে রেইসিন (Raisin) বলা হয়।কিসমিস বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে উৎপাদিত হয় এবং এটি সরাসরি খাওয়া যায় ও বিভিন্ন খাদ্য রান্নার সময় উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি খেতে খুব সুস্বাদু।এটি প্রাচীনকাল থেকে শক্তি বা ক্যালরির চমৎকার উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

 

কিসমিস কত প্রকারঃ

পৃথিবীতে ৬ প্রকারের কিসমিস পাওয়া যায়।সব গুলো স্বাদে অনন্য।

১) কালো কিসমিস

২) কুরেন্ট কিসমিস

৩) সুলতানা কিসমিস

৪) লাল কিসমিস

৫) সবুজ কিসমিস

৬) গোল্ডেন কিসমিস

কিসমিসের পুষ্টি গুণঃ

কিশমিশে ওজন অনুসারে ৭২% শর্করা থাকতে পারে।যার বেশিরভাগ ফ্রুক্টোজ এবং গ্লুকোজ। এগুলিতে প্রায় ৩% প্রোটিন এবং ৩.৭% –৬.৮% ডায়েটার ফাইবারও রয়েছে।আছে ফাইবার,আয়রন,বোরন ও ক্যালসিয়াম।আরো আছে ভিটামিনবি৬ ও ক্যালসিয়াম।

কিসমিস কিভাবে তৈরী হয় ?

১ কেজি আঙ্গুর ২ লিটার পানিতে নিয়ে চুলার উপর বসিয়ে দিন।এবার চুলায় ঝাল দিতে থাকুন যতক্ষণ না পানিতে বুদবুদ আসে।একটা ছাকুনি দিয়ে ছেকে পরিষ্কার কাপড়ের উপর রাখুন।এবার কড়া রোদে শুকাতে দিন।টানা ২-৩ দিন শুকান,এরমধ্যে কিসমিস তৈরী হয়ে যাবে।এবার ব্যামে ভরে রাখু।এটি ৬ মাস পর্যন্ত ঠিক থাকবে।

কিসমিসের দাম কত ?

প্রতি কেজি ২৮০ – ৩৫০ টাকা

কিসমিসের উপকারিতাঃ

# রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে।

# হাড় ও দাঁত মজবুত করে।

# কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

# উচ্চ রক্তচাপ কমায়।

# ক্যান্সার দূর করে।

যেহেতু প্রচুর ক্যালরি আছে,তাই এটি সেক্স পাওয়ার বাড়ায়।

 

সেক্সে কিসমিসের উপকারিতাঃ

কিসমিসে প্রচুর ক্যালরি আছে।এটি শক্তি বাড়ায়।এটি আপনার বিশেষ অঙ্গে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে, দৃঢ় রাখতে সাহায্য করে।

 

কিসমিস খাওয়ার নিয়মঃ

আসলে এটি কিসমিস খাওয়ার স্পেশাল কোন নিয়ম নেই।তবে এটি ধুয়ে খেতে হবে।পানিতে ভিজিয়েও খাওয়া যায়। দিনে ২-৩ বার খেতে পারে,অতিরিক্ত খাওয়া যাবে না।খালি পেটে খাওয়া ঠিক নয়।

কিসমিস খেলে কি ওজন কমে ?

এটি এক দিক দিয়ে সত্য।ফাস্ট ফুড খেয়ে ওজন বাড়িয়ে ফেলে মানুষ,তাই স্ন্যাকস হিসেবে কিসমিস দিয়ে তৈরী বিভিন্ন খাবার খেলে ওজন কমাতে সাহায্য করবে।

কিসমিস খেলে কি মোটা হওয়া যায় ?

না।কিসমিস খেলে শক্তি বাড়ে,ওজন মোটেও বাড়ে না।

Reference: https://bn.wikipedia.org/

Don`t copy text!

ডেলটা হেলথ কেয়ার,চট্টগ্রাম-এর বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন (একেবারে ফ্রি)

01841-906040