A Leading Doctor Chamber information Site In Chittagong

kk
4
22
a5
a3
2
5
dr3 (1)

গর্ভবতী মহিলার জন্য আলট্রাসনোগ্রাফি কেন জরুরি ?

আলট্রাসনোগ্রাফি টেস্ট গর্ভবতী মহিলার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এ পরীক্ষার উপকার অনেক।সুস্থ বাচ্ছা ও সুস্থ মায়ের জন্য এর কোন বিকল্প নেই।বিশেষ করে,গর্ভকালীন সময়ে ১ম তিন মাসের মধ্যে একটা আলট্রাসনোগ্রাফি করানো খুব জরুরি-চট্টগ্রামের সেরা ১০ স্ত্রী ও প্রসূতীরোগ বিশেষজ্ঞ

১। বাচ্চার অবস্থান জানার জন্য ও এই আলট্রাসনোগ্রাফি খুবই জরুরি, অনেক সময় দেখা যায় বাচ্চা জরায়ু তে অবস্থান না করে ডিম্বনালি / ডিম্বাশয় এ অবস্থান করে যা ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে এবং একটা সময় ফেটে গিয়ে তীব্র পেট ব্যথা সহ আরো অনেক মারাত্মক জটিলতা নিয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন। এটি মায়ের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এবং দ্রুত সিদ্বান্ত নিতে না পারলে মায়ের জীবন সংকটাপন্ন হয়।

২। অনেক সময় গর্ভকালীন সময়ের শুরুতেই ভ্রুন টি নষ্ট হয়ে যায়। যার কোন হ্রদস্পন্দন থাকেনা, তাই এটি বয়ে না বেরিয়ে শুরুতে আলট্রাসনোগ্রাফি করা গেলে দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

৩। এই সময়ে খুব ভাল এবং সঠিকভাবে বাচ্চার বয়স বের করা যায়। অন্যদিকে আমাদের দেশে এটি খুবই প্রয়োজনীয় কারন বেশিরভাগ মা তার শেষ মাসিকের তারিখ ভুল করেন।

৪। বাচ্চার সংখ্যা নির্ধারনের জন্য ও এটি খুবই জরুরি কারন অনেক সময় একের অধিক বাচ্চা গর্ভধারণ হয়, তাই আগে থেকে জানা গেলে প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হয়।

৫। অনেক সময় জরায়ু তে বাচ্চার থলে থাকলে ও বাচ্চা থাকেনা যেটাকে আমরা মেডিকেল ভাষায় বলে থাকি ( ব্লাইটেড ওভাম) যেটি গর্ভকালীন সময়ে দ্রুত আলট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে নির্ণয় করা সম্ভব।

আল্ট্রাসনোগ্রাফি কি কেন কিভাবে

৬। অনেক সময় মায়েদের গর্ভের সব লক্ষণ থাকবে, প্রস্রাব টেষ্ট ও পজিটিভ থাকবে কিন্তু আলট্রাসনোগ্রাফি করে জানা যায় যে পেটে বাচ্চা অনুপস্থিত। এখানে প্রস্রাব টেষ্ট পজিটিভ দেখানোর কারন গর্ভফুলের একটা টিউমার।
যেটিকে মেডিকেল ভাষায় মোলার প্রেগন্যান্সি বলা হয়।

৭। এছাড়া ও বাচ্চার কোন জন্মগত ত্রুটি আছে কিনা তা এই সময়ে আলট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে বুঝা যায় যা পরবর্তী তে সিদ্বান্ত নিতে সহজ হয়।

সর্তকতাঃ

# টেস্ট করার সময় ঢোলা-ঢিলা কাপড় পড়া উচিত।

# পরীক্ষাকালীন রোগীর সাথে থাকবেন কিনা তা জেনে নেবেন বা জানিয়ে দিবেন।

# এ পরীক্ষার সাথে খালি পেট বা ভরা পেটের কোন সর্ম্পক নেই।

আমাদের দেশের সাধারণ জনগন এসব বিষয়ে একটু কম সচেতন। তাই প্রতিনিয়ত ডাক্তারদেরকে অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়, এবং কিছু কুসংস্কার রয়েছে যা খুবই দুঃখজনক, তাই নিজে সচেতন হোন অন্যকে সচেতন করুন।

হরমোন টেস্ট: আপনার যা অবশ্যই জানা উচিত

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *