ডাঃ প্রাইভেট হাসপাতালে সেবা নেয়ার যত নিয়ম

অতিরিক্ত তথ্য

বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে বা শরীরের চেকআপের জন্য আমরা হাসপাতালে যাই।এর মধ্যে আমরা অনেকেই সরকারীর চেয়ে বেসরকারী তথা প্রাইভেট হাসপাতালে যেতে পছন্দ করি।

সেখানে সবাই কথা শুনে,সবদিকে পরিষ্কার এসব ভালো লাগে তবে এসবের জন্য ভালো দাম পরিশোধ করতে হয়।প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা নিন,তবে সব কিছু তাদের হাতে ছেড়ে দিবেন না,টাকা ও রোগীর জান দুটোই যাবে।

 

# যদি এক্সট্রিম ইমার্জেন্সিতে না পড়েন, তাহলে ভর্তি হওয়ার আগে কেবিন ভাড়া,সার্ভিস চার্জ,অনকলে কোন কোন প্রফেসর আসে,জেনে নিন।

# যে হাসপাতাল গুলো ট্রাস্টের তৈরী সেগুলো খরচ কম পড়ে।

# ভর্তি হওয়ার পর ডিউটি ডাক্তার ও নার্স রুমের নাম্বার জেনে নিন।

# গাইনী রোগীর ক্ষেত্রে লেবার রুম,অপারেশন রুম ও ব্লাড ট্রান্সফিউশনের সুবিধা আছে কিনা জেনে নিবেন।সাথে NICU থাকলে আরো ভালো।

# নরমাল ডেলিভারি ও সিজারিয়ান কত ঠিক করে নিবেন।সিজার যদি করাতেই হয় তবে ছোট ক্লিনিকে না করানোই উত্তম।

# সার্জারীর জন্য ভর্তি হলে কেবিন ভাড়া ও ঔষধপত্রের খরচ সব ঠিক করে নিবেন

# অপারেশন এর পরে ঔষধ যা লাগবে না,তা ফেরত নেবার ব্যাপারে আগে কথা বলে নিবেন।

# ১ দিন পর পর বিল চেক করুন

# অন কল প্রফেসর এর ক্ষেত্রে আপনাদের পছন্দ থাকলে তা জানিয়ে দিন।

# ল্যাবটেস্ট স্পেশাল কাউকে দিয়ে করাতে চাইলে তাও জানিয়ে দিন।

# ছোট ছোট হাসপাতালের ল্যাব টেস্ট গুলোর মান যাচ্ছেতাই। খেয়াল রাখুন।

# কেবিন নেয়ার ক্ষেত্রে নন-এসি কেবিনকে প্রাধান্য দিন।রোগীর জন্য এটিই উপযোগী।

# হাসপাতালে ক্যান্টিন সু-ব্যবস্থা আছে কিনা জেনে নিবেন।

# বিল হাতে পাওয়ার পর সবকিছু চেক করুন, কোনটা ২ বার লিখা হয়েছে কিনা এবং নিজে একবার যোগ করুন।

# বিল কমাতে চাইলে সরাসরি এমডি বা ম্যানেজারের সাথে দেখা করুন।

# ডিসচার্জ হওয়ার আগে ঔষধ ও রোগীর যত্ন সবকিছু বুঝে নিন।

 

প্রাইভেট হাসপাতালে যা যা আপনি পাবেন নাঃ

# সব সময় সিনিয়র ডাক্তার থাকে,প্রফেসর তো নয় ই!

# ডিউটি ডাক্তার থাকে কিন্তু ইমার্জেন্সিতে তাদের ডিসিশান দেয়ার ক্ষমতা থাকে না।

সর্তকতাঃ 

# আপনার রোগী যদি মারা যায় তবে এটা ভাববেন না।হাসপাতাল ম্যানেজমেন্ট এর কারণে মারা গেছে।যদি সংগত কারণ থাকে,তবে বিএমএ ভবনে গিয়ে লিখিত বিচার দিন এবং তার একটি কপি নিজের কাছে রাখুন।

# কোন ধরণের ভাংচুর করবেন না।এটা আপনাদের মিথ্যা প্রমাণিত করবে।

তবে,চট্টগ্রামের জন্য এখনো প্রাইভেট ক্লিনিকের চেয়ে সরকারী হাসপাতালের চিকিৎসা তুলনামূলক ভালো।

সুতরাং অসুখ ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিবেন।