isk

ই ক্যাপ ৪০০ (e cap 400) কি ও কেন এবং ই ক্যাপ খাওয়ার নিয়ম

by isk 0 Comments
ই ক্যাপ ৪০০ (e cap 400) কি ও কেন এবং ই ক্যাপ খাওয়ার নিয়ম

ভিটামিন ই, একটি এন্টি-অক্সিডেন্ট যা সাধারণত খাবারে পাওয়া যায় যেমন- বাদাম,সবুজ শাক-সবজি,বিভিন্ন ধরণের বীজ ইত্যাদি।এটি একটি ফ্যাট সলিউবল ভিটামিন যা শরীরের জন্য খুব দরকারী।

 

ই ক্যাপ ৪০০ কি ?

অনেকের শরীরে ভিটামিন-ই এর অভাব রয়েছে বা খাদ্য থেকে পর্যাপ্ত ভিটামিন-ই পাচ্ছে না,তাদের জন্য ডাক্তার ভিটামিন-ই সাপ্লিমেন্ট ক্যাপসুল দিয়ে থাকেন।ই ক্যাপ ৪০০- একটি ভিটামিন-ই সাপ্লিমেন্ট, যা শরীরের ভিটামিন-ই এর অভাব পূরণ করবে।

 

 

কেন ভিটামিন-ই বা ই ক্যাপ ৪০০ (e cap 400) খাবো ?

# এন্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে

 

# ভিটামিন-ই এর অভাব পূরনে

 

# হিমোলাইটিক এনিমিয়া (Haemolytic Anaemia)

 

# চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে

*** চুল পড়া রোধ করে

*** মাথার তালুতে রক্ত সরবরাহ বাড়ায়।

*** মাথার চামড়ায় তেলের ব্যালান্স রক্ষা করে

*** চুলের উজ্জলতা বাড়ায় ও গোড়া মজবুত করে।

 

# খাদ্য সম্পূরক হিসেবে

 

# হার্টের রোগে

 

# শরীরে ভারী ধাতু বিষক্রিয়ায়

 

# অক্সিজেন থেরপিতে

( কোন ধরণের ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া যাবে না)

 

 

বাজারে কত প্রকারের ই ক্যাপ ক্যাপসুল পাওয়া যায় ?

# 200 IU
# 400 IU
# 600 IU

 

 

ভিটামিন ই ক্যাপসুল কোনটা ভালো ?

এখানে যে কোন ইউনিট এর ক্যাপসুল ভালো। আপনি কোনটা খাবেন সেটা নির্ভর করছে আপনার রোগ বা শরীরে কতটুকু অভাব আছে তার উপর।

 

 

ই ক্যাপ ৪০০ এর দামঃ

প্রতিটি ই ক্যাপ ক্যাপসুল ৬.৫০ টাকা

ই ক্যাপ ৪০০ খাওয়ার নিয়মঃ

# হার্টের সমস্যায়ঃ ৪০০-৮০০/ প্রতিদিন

# প্রাপ্তবয়স্কদের ভিটামিন-ই এর অভাবেঃ ২০০-৪০০/ প্রতিদিন

# শিশুদের ভিতামিন-ই এর অভাবেঃ ২০০ আই ইউ/ প্রতিদিন

# থ্যালাসেমিয়াঃ ৮০০ আই ইউ/ প্রতিদিন

# সিকল সেল এনিমিয়াঃ ৪০০ আই ইউ/ প্রতিদিন

# চুল ও ত্বকের জন্যঃ ২০০-৪০০/ প্রতিদিন

# বয়স্কদের ঠান্ডাজনিত সমস্যাঃ ২০০ ই ইউ/প্রতিদিন

 

 

 

কমন সাইড এফেক্ট ই ক্যাপ ৪০০ঃ

# শরীরে র‍্যাশ দেখা যাওয়া

# মাথা ব্যথা

# বমি বমি ভাব

# ক্লান্ত লাগা

 

 

 

কখন ই ক্যাপ ৪০০ খাওয়া বন্ধ করবো ?

# চোখে ঝাপসা দেখা

# নাক দিয়ে রক্ত পড়া

# ডায়রিয়া

এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তার দেখাতে হবে।

 

 

 

অতিরিক্ত ই ক্যাপ ৪০০ বা ভিটামিন-ই খেলে কি হবে ?

# থাইরয়েডে সমস্যা হবে

# হাড় দূর্বল হয়ে যাবে

# প্রস্টেট ক্যান্সার এর ঝুকি বাড়ায়

 

 

 

কাদের ই ক্যাপ ৪০০ বা ভিটামিন-ই খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে ???

# গর্ভবতী বা দুগ্ধদানকারী মা

# যাদের ওষুধে নিম্নে দেয়া উপাদান আছেঃ

—————cholestyramine

—————mineral oil

—————orlistat (alli, Xenical)

—————warfarin (Coumadin,Jantoven)

# যাদের কিডনি রোগ আছে

# যাদের লিভার রোগ আছে

# যাদের ব্লিডিং ডিসঅর্ডার আছে বা রক্তরোগ আছে

# যাদের হাই কোলেস্টেরল আছে

# যাদের ডায়াবেটিস আছে (অনেক কোম্পানির ওষুধে সুগার আছে)

 

Reference:

www.webmd.com

www.healthline.com

জ্বর কি ও কেন এবং জ্বর কমানোর ঘরোয়া উপায়

by isk 0 Comments
জ্বর কি ও কেন এবং জ্বর কমানোর ঘরোয়া উপায়

জ্বর কি ?

জ্বর হচ্ছে শরীরেরর উচ্চ তাপমাত্রা।যেটি সাধারণত জীবাণুর বিরুদ্ধে শরীর যখন যুদ্ধ করে বা আমাদের বডি ডিফেন্স সিস্টেম যখন কাজ তখন শরীরে জ্বর আসে।এটি একটি ভালো লক্ষণ।জ্বর কিন্তু কোন রোগ নয়।এটি একটি শারীরিক অবস্থা।

শরীরের সাধারণ তাপমাত্রা ৯৮.৬ ডিগ্রী ফারেনহাইট বা ৩৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস।যখন কারো শরীরের তাপমাত্রা বাড়বে বুঝতে হবে তার শরীর হেলদি আছে এবং জীবাণু বিরুদ্ধে লড়াই করছে,তার ইমিউনিটি ভালো

 

 

উচ্চ তাপমাত্রাকে কখন আমরা জ্বর বলবো ?

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য,যদি শরীরের তাপমাত্রা ১০০.৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট থাকবে।

 

শিশুদের ক্ষেত্রে,

পায়ুপথে তাপমাত্রা যখন ১০০.৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট থাকবে,

মুখে তাপমাত্রা থাকেব ৯৯.৫ ডিগ্রী,

বগলের নিচে ৯৯.০ ডিগ্রী

 

 

জ্বর আসার লক্ষণঃ

# শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি সত্ত্বেও সাধারণত ঠান্ডা অনুভূত হয়।

# তাপমাত্রা

# কাপুনি

# ঘাম হওয়া

# মাথা ব্যথা

# মেজাজ খিট্মিটে

# খাওয়ার ইচ্ছা কমে যাওয়া

# পানিশূন্যতা

# ক্লান্তি বা দুর্বল লাগা

 

জ্বরের  প্রকারভেদঃ

তাপমাত্রা পরিবর্তনের ধরন রোগের উপর নির্ভরশীল: জ্বর এর পরিবর্তনের ধরন থেকেই কখনো কখনো রোগ নির্ণয় সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারেঃ

 

# একটানা জ্বরঃ সারাদিন ধরে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে এবং ২৪ ঘণ্টায় ১0 সে. এর বেশি তাপমাত্রার পরিবর্তন হয় না। যেমনঃ লোবার নিউমোনিয়া, টাইফয়েড, মূত্রনালির ইনফেকশন, ব্রুসেলসিস, টাইফাস ইত্যাদি রোগের ক্ষেত্রে একটানা জ্বর পরিলক্ষিত হয়। টাইফয়েড রোগের ক্ষেত্রে জ্বরের একটি নির্দিষ্ট আঙ্গিক দেখা যায়। জ্বর ধাপে ধাপে বাড়ে এবং উচ্চ তাপমাত্রা অনেকক্ষণ থাকে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

 

 

# নির্দিষ্ট বিরতিতে জ্বরঃ জ্বর একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বাড়ে এবং পরে তাপমাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যায়, যেমনঃ ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর (kala-azar), পাইয়েমিয়া, সেপ্টিসেমিয়া (রক্তের সংক্রমন)। এর প্রকারভেদগুলো হলঃ

—কুয়োটিডিয়ান জ্বর, যার পর্যায়কাল হল ২৪ ঘণ্টা, সাধারণত ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে দেখা যায়।

—টারশিয়ান জ্বর, যার পর্যায়কাল ৪৮ ঘণ্টা, এটিও ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে দেখা যায়।

—কোয়ার্টান জ্বর, যার পর্যায়কাল ৭২ ঘণ্টা, এটি দেখা যায় Plasmodium malariae জীবাণুর ক্ষেত্রে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

 

 

# স্বল্প বিরতিতে জ্বরঃ শরীরের তাপমাত্রা সারদিন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে এবং ২৪ ঘণ্টায় ১0 সে. এর চেয়ে বেশি উঠা নামা করে। যেমনঃ infective endocarditis.

 

 

# Pel-Ebstein জ্বরঃ এই বিশেষ ধরনের জ্বরটি হজকিন লিম্ফোমা এর ক্ষেত্রে দেখা যায়। জ্বর এক সপ্তাহ বেশি, এক সপ্তাহ কম- এভাবে চলতে থাকে। তবে আদৌ এ ধরনের জ্বর বিদ্যমান কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

 

 

# দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অবর্তমানে এক ধরনের জ্বর দেখা যায় যাকে বলা হয় “ফিব্রাইল নিউট্রোপেনিয়া ” ।এক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধী নিউট্রোফিল এর অভাবে ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমন তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পরে। তাই এই রোগের জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন। যেসব রোগীর কেমোথেরাপি চিকিৎসা চলছে যা কিনা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় তাদের ক্ষেত্রে এই রোগ বেশি দেখা যায়।

 

 

# Febricula, এটি একটি প্রাচীন শব্দ যা এমন ধরনের জ্বরের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যখন তাপমাত্রা বেশি উঠে না এবং বিশেষ করে যখন জ্বরের কারণ অজানা থাকে। এ ধরনের জ্বর থেকে রোগী এক সপ্তাহে সেরে ওঠে।

 

জ্বর কেন হয় ?

# বিভিন্ন কারণে শরীরে জ্বর আসতে পারে।তবে কমন কারণ হচ্ছে ঠান্ডা বা সর্দি।

# যে কোন ধরণের ইনফেকশন

# প্রস্রাবের রাস্তায় ইনফেকশান

# ভ্যাক্সিনাশান

# যে কোন রোগেই জ্বর আসতে পারে,প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে।

কিছু শারীরিক অবস্থার কারনে,যেমনঃ

# স্ট্রেস

# ভারী কাপড় পড়া

# পিরিয়ড

# শারীরিক আঘাত

# আচমকা ভয় পেলে

 

জ্বর নির্ণয়ে ল্যাব টেস্টঃ

# সিবিসি টেস্ট (cbc test)

# টাইফয়েড টেস্ট (widal test)

# প্রস্রাব টেস্ট / ইউরিন টেস্ট (urine r/e)

# ম্যালেরিয়া টেস্ট (ict for malaria)

# ডেঙ্গু টেস্ট (ict for dngue-NS1)

# চিকুনগুনিয়া টেস্ট

জ্বর হলে করণীয় চিকিৎসাঃ

# জ্বর যদি ১০১ ডিগ্রীর নিচে হয়,তাহলে কোন চিকিৎসার দরকার নেই।

# প্রচুর পরিমাণে পানি বা তরল জাতীয় খাবার খেতে হবে।

# বেড রেস্ট নিতে হবে।

 

জ্বর হলে কি ঔষধ খাওয়া উচিত ?

# এসপিরিন, এসিটামিনোপেন, আইবোপ্রুফেন জাতীয় ওষুধ খেতে পারেন।

বিঃদ্রঃ ১৭ বছরের নিচে কাউকে “এসপিরিন” জাতীয় ওষুধ দেয়া যাবে না।

 

দ্রুত জ্বর কমানোর ঘরোয়া উপায়ঃ

১। হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করুন। হালকা গরম পানিতে গোসল করলে শরীরের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যাবে। তবে ঠান্ডা পানিতে গোসল করে শরীরকে শীতল করার চেষ্টা কখনই করবেন না।

কারণ জ্বর নিয়ে ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গে রক্ত ছুটে যাবে ও মূল তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়ে যাবে। অন্যদিকে ত্বক শীতল হয়ে পড়বে ও শরীরে কাঁপুনি শুরু হবে।

 

২। স্পঞ্জ বাথও নিতে পারেন। বগল ও কুঁচকির মতো উচ্চ তাপমাত্রার (temperature) অংশে ঠান্ডা পানিতে ভেজা স্পঞ্জ বা নরম কাপড় দিয়ে মুছে নিলে জ্বর অনেকাংশে কমে আসবে।

 

৩। গোসল করতে না চাইলে কপাল ও ঘাড়ের ওপর ঠান্ডা পানিতে ভেজা নরম কাপড় রাখলেও জ্বর কমে আসবে।

 

৪। শরীরকে শীতল করার একটি প্রক্রিয়া হলো ঘাম নিঃসরণ। তাই শরীর থেকে ঘাম ঝরিয়ে জ্বর কমানোর চেষ্টা অস্বাভাবিক কিছু নয়। ঘাম নিঃসরণকে উদ্দীপ্ত করতে আদার চা পান করতে পারেন।

এক মগ পানিতে আধ চা-চামচ আদা কুচি কুচি ঢেলে ফুটিয়ে নিন। এরপর এই পানীয়কে ছেঁকে কুসুম গরম অবস্থায় পান করুন।

 

৫। জ্বর (fever) আসলে খাবারে বেশি পরিমাণে ঝাল মরিচের গুঁড়া ব্যবহার করুন। ঝাল মরিচের প্রধান উপাদান হলো ক্যাপসাইসিন। এটি শরীর থেকে ঘাম ঝরিয়ে জ্বর কমাতে পারে।

 

৬। জ্বরের জনপ্রিয় একটি ঘরোয়া টোটকা হলো ওয়েট-শক ট্রিটমেন্ট। বিছানায় যাওয়ার পূর্বে প্রথমেই হালকা গরম পানিতে পা ভিজিয়ে নিন। এরপর ১ জোড়া কটনের মোজাকে ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে পরে নিন।

এর ওপর পশমের ১ জোড়া শুকনো মোজা পরুন। এ প্রক্রিয়াতে পায়ের দিকে রক্ত তাড়াতাড়ি ছুটে আসবে এবং জ্বর কমবে।

 

৭। পায়ের দিকে রক্ত টেনে আনার অন্যতম উপায় হলো মাস্টার্ড ফুটবাথ। ৪ মগ কুসুম গরম পানিতে ২ চা-চামচ সরিষা গুঁড়া মিশিয়ে পা দুটিকে কিছুক্ষণ জন্য ডুবিয়ে রাখুন। এতেও জ্বর (fever) কমে আসবে।

 

৮। প্রাচীনযুগের জ্বরের টোটকা হচ্ছে চাদরকে ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে শরীরে পুরোপুরি মুড়ে নেয়া। তবে আজকের চিকিৎসকেরা শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত কমানোর বিপক্ষ বলে কুসুম গরম পানি ব্যবহার করতে পারেন। চাদরটি শরীরে মুড়িয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে খুলে ফেলুন।

 

৯। জ্বরে শরীর সহজেই পানিশূন্য হতে পারে। তাই প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।

 

১০। জ্বরে কমলার রস ও অন্যান্য ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফলের রস খেলে অনেকটা উপকার পাওয়া যায়। ভিটামিন-সি ইমিউনিটি সিস্টেমকে ইনফেকশনের বিরুদ্ধে লড়তে সহায়তা করে।

মধু ও তুলসিপাতা

সর্দি-কাশি বা জ্বরের মতো সমস্যায় মধু খুবই উপকারী। অসুখ-বিসুখে মধুর ব্যবহার বেশ পুরনো। মধু ও তুলসীপাতা গলার কফ পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। সর্দি-কাশি হলে নিয়মিত সকালে মধু আর তুলসিপাতা একসাথে খেয়ে নিন। কিছুক্ষণ পরেই দেখবেন গলা পুরোপুরি পরিষ্কার হয়ে যাবে।

আদা চা

আদার চা জ্বর কিংবা সর্দি-কাশি থেকে সহজে মুক্তি দেয়। শুধুমাত্র গলার কফ দূর করতেই নয়, বুকের কফ পরিষ্কার করতেও আদা চায়ের তুলনা হয় না। আদা চা তৈরির জন্য হালকা গরম পানিতে চিনি দিয়ে ফোটান। চিনি মিশে গেলে চা দিয়ে ফোটাতে হবে।

এরপর এতে আদার ছোট ছোট কুচি মেশান। এরপর ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিন চা। চাইলে মেশাতে পারেন লেবুর রস। এটা চায়ের ভিটামিন-সি যোগ করে। এই আদা চা খেলে সর্দির সময় মাথা ধরা কমে যায়। দুর্বলতা কেটে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ করে তোলে।

ভিটামিন

শরীরে বিভিন্ন ভিটামিনের অভাব হলে শরীর অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়ে। তখন বাইরের রোগ-জীবাণু সহজেই শরীরকে আক্রমণ করতে পারে। ফ্লুও একই কারণে হয়ে থাকে। তাই ফ্লু থেকে দূরে থাকতে ভিটামিন খাওয়া জরুরী।

কিছু খাবারে থাকে প্রচুর ভিটামিন-এ, বি, সি ইত্যাদি। তাই খাবারের একটি ঠিকঠাক তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করুন যাতে শরীরে সব ধরণের ভিটামিন ঠিকমতো প্রবেশ করতে পারে।

তরল খাবার

বুকে কফ জমে গেলে তা বের করা খুব কঠিন। এমনকি সঠিক চিকিৎসা না হলে হতে পারে ইনফেকশন। তাই সর্দি-কাশির সময় কোনোভাবেই যেন বুকে কফ বসে না যায়। এর জন্য খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে তরল।

বিশুদ্ধ পানি পানের পাশাপাশি ফ্রুট জুস বা স্যুপ জাতীয় খাবার খান দৈনিক। তরল জাতীয় খাবার কফকে সহজে বুকে বসতে দেয় না।

বিশ্রাম

এসময় জ্বর (fever) অনুভূত হলে বাড়ি থেকে কোথাও না বেরিয়ে বাড়িতেই বিশ্রাম নিন। এতে সংক্রমণের আশঙ্কা কমে যাবে। এসময় শরীর যথেষ্ট দুর্বল থাকে। তাই ঠিকঠাক বিশ্রাম নিতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম। বাড়িতে চেষ্টা করুন পর্যাপ্ত ঘুমিয়ে নেয়ার।

 

 

কখন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে ?

# জ্বরের সাথে যদি খুব বেশী ঘাড় ব্যথা থাকে।

# জ্বরের ঘরোয়া চিকিৎসার পরেও তাপমাত্রা ২ ঘণ্টার মধ্যে ১০৩ ডিগ্রীর নিচে না নামে।

# যদি ২ দিনের বেশী সেইম তাপমাত্রার জ্বর থাকে।

# জ্বরের সাথে শরীরের র‍্যাশ থাকে।

# রোগী যদি লাইট বা আলো দেখে বিরক্ত হয় বা ভয় পায়।

# রোগীর যদি প্রস্রাব কমে যায় বা একেবারে না হয়।চোখ যদি শুকিয়ে যায়।

# যদি খিচুনী হয়।

Reference:

https://bn.wikipedia.org/

https://www.jonny360.xyz/

মেথির উপকারিতা ও অপকারিতা এবং খাওয়ার নিয়ম

by isk 0 Comments
মেথির উপকারিতা ও অপকারিতা এবং খাওয়ার নিয়ম

মেথি কি ?

মেথি একটি মৌসুমী গাছ।এর বৈজ্ঞানিক নাম Trigonella foenum-graecum।এর ইংরেজি নাম Fenugreek। মেথি একটি বর্ষজীবী গাছ। একবার মাত্র ফুল ও ফল হয়। তিনটি করে পাতা একসাথে জন্মায়। ফুলে ও তিনটা করে পাপড়ি থাকে। স্ত্রী এবং পুরুষ দুই ধরনের ফুল হয়। রঙ সাধারণত সাদা ও হলুদ হয়ে থাকে। বাদামি-হলুদ বর্ণের প্রায় চারকোনা আকৃতির বীজ হয়।

মেথির পাতা শাক হিসাবে খাওয়া হয়। মেথি শাক গ্রাম বাংলার মানুষের প্রিয় খাদ্য। ইউনানী, কবিরাজী ও লোকজ চিকিৎসায় বহুবিধ ব্যবহার হয়। মশলা হিসাবেও এটি প্রচুর ব্যবহার হয়।। এটি পাঁচ ফোড়নের একটি উপাদান।

মেথির স্বাদ তিতা ধরনের।মেথিকে মসলা, খাবার, পথ্য—তিনটাই বলা চলে।ভেষজ উদ্ভিদ হিসাবে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইরাক, ইরান, নেপাল ইত্যাদি দেশে ব্যবহার করা হয়।তাছাড়া হাজার বছর ধরে মেথি চীনে চিকিৎসা সেবায় ব্যবহার হয়ে আসছে।

 

 

 

মেথির গুনাগুনঃ

# ফাইবার

# প্রোটিন

# কার্বোহাইড্রেট

# আয়রন

# ফ্যাট

# মাংগানিজ

# ম্যাগনেশিয়াম

# কোলিন

# ইনোসিটল

# বায়োটিন

# ভিটামিন-বি

# জিংক

# পটাশিয়াম

# সেলেনিয়াম

 

 

 

মেথি খাওয়ার নিয়মঃ

# এক গ্লাস বিশুদ্ধ পানি নিন। এবার তাতে এক চা চামচ মেথি ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। সকালে উঠে খালি পেটে সেই পানিটুকু পান করুন। আবার সকালে খালি পেটে শুধু মেথিও চিবিয়ে খেতে পারেন।

# চাইলে মেথি ভেজানো পানির সঙ্গে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।

# শুকনো মেথির বীজ শুকিয়ে গুঁড়ো করে মাংসে ছিটিয়ে দেওয়া যেতে পারে। এছাড়াও একে গ্রাইন্ড করে কারীর সাতে যোগ করতে পারেন।

# রুটি, পরোটা, ঝোল তরকারি, সালাদ এবং মাছে ব্যবহার করতে পারেন মেথি।

# মেথির চা বানিয়ে খেতে পারেন।যেভাবে বানাবেন-

*** এক চা চামচ মেথি গুঁড়া করে নিন।

*** এক কাপ ফুটন্ত গরম পানিতে গুঁড়া করা মেথি মিশিয়ে দিন।

*** এক চা চামচ মধু অথবা তুলসি পাতাও মেশাতে পারেন।

*** সব উপকরণ দিয়ে মিনিট তিনেক ভিজিয়ে রাখুন।

*** ছেঁকে পান করুন স্বাস্থ্যকর মেথি চা।

 

 

 

মেথি খাওয়ার পরিমাণঃ

# প্রতিদিন ৩-৫ গ্রাম খাওয়া যাবে।এর বেশী নয়।

 

মেথির দামঃ

২৫০ গ্রাম —-১৫০/ টাকা

 

মেথির উপকারিতাঃ

# ওজন কমাতে

# জ্বর ও খুসখুসে গলার জন্য

# চুল পড়া রোধে

# হজমে সহায়ক

# রক্তে গ্লুকোজ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে

# উজ্জ্বল ত্বকের জন্য

# খুশকি দূর করতে

# ক্যান্সার দূর করে

# স্থূলতা দূর করে

# একজিমা প্রতিরোধ করে

# মাংশপেশীর ব্যথা দূর করতে

# ডায়াবেটিস প্রতিরোধে

# কোলেস্টেরল কমায়

# বুক জ্বালা-পোড়া কমায়

# কফ,কাশি দূর করে

# নার্ভ ভালো রাখে

# শরীর থেকে টক্সিন দূর করে।

 

 

 

পুরুষের জন্য মেথির উপকারিতাঃ

# সহবাসে আগ্রহ বাড়ায়

# টেস্টটোসটেরন বাড়ায়, যা যৌনশক্তি বাড়ায়।

# বডি ম্যাসল গ্রোথ করত সাহায্য করে।

# শুক্রাণুর গুনগত মান বাড়ায়।

 

 

মহিলাদের জন্য মেথির উপকারিতাঃ

# পিরিয়ডের ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে

# মহিলাদের দুধ বাড়াতে সাহায্য করে।

# ইস্ট্রোজেন হরমোন এর ব্যালান্স রাখে।

# ভ্যাজাইনাল ইনফেকশন প্রতিরোধে সাহায্য করে।

# বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধ করে।

 

 

কাদের জন্য মেথি খাওয়া নিষেধঃ

# যাদের লো সুগার আছে।

# যাদের ব্লাড ক্লটিং ডিজিস আছে।

# গর্ভবটি মহিলাদের।

# যাদের থাইরয়েড এর রোগ রয়েছে।

 

 

মেথির অপকারিতা / সাইড এফেক্টঃ

অতিরিক্ত মেথি খেলে বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।মেথি কোনভাবেই ওভারডোজ নেয়া যাবে না।যে সমস্যা হতে পারে—

# ডায়রিয়া

# বমি

# হার্ট রেট বেড়ে যেতে পারে

# নিঃশ্বাস দ্রুত হতে পারে

 

 

কখন হাসপাতালে নিতে হবে ?

যদি মুখ, ঠোট, জিহ্বা ফুলে যায়।গলা ফুলে যায়।শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।একে (হাইব’স) এলার্জিক রিয়্যাকশন বলে।

Reference: https://bn.wikipedia.org/

কিসমিসের উপকারিতা ও কিসমিস খাওয়ার নিয়ম

by isk 0 Comments
কিসমিসের উপকারিতা ও কিসমিস খাওয়ার নিয়ম
কিসমিসের উপকারিতা ও কিসমিস খাওয়ার নিয়ম

কিসমিস হলো শুকনো আঙ্গুর।এটিকে ইংরেজিতে রেইসিন (Raisin) বলা হয়।কিসমিস বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে উৎপাদিত হয় এবং এটি সরাসরি খাওয়া যায় ও বিভিন্ন খাদ্য রান্নার সময় উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি খেতে খুব সুস্বাদু।এটি প্রাচীনকাল থেকে শক্তি বা ক্যালরির চমৎকার উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

 

কিসমিস কত প্রকারঃ

পৃথিবীতে ৬ প্রকারের কিসমিস পাওয়া যায়।সব গুলো স্বাদে অনন্য।

১) কালো কিসমিস

২) কুরেন্ট কিসমিস

৩) সুলতানা কিসমিস

৪) লাল কিসমিস

৫) সবুজ কিসমিস

৬) গোল্ডেন কিসমিস

কিসমিসের পুষ্টি গুণঃ

কিশমিশে ওজন অনুসারে ৭২% শর্করা থাকতে পারে।যার বেশিরভাগ ফ্রুক্টোজ এবং গ্লুকোজ। এগুলিতে প্রায় ৩% প্রোটিন এবং ৩.৭% –৬.৮% ডায়েটার ফাইবারও রয়েছে।আছে ফাইবার,আয়রন,বোরন ও ক্যালসিয়াম।আরো আছে ভিটামিনবি৬ ও ক্যালসিয়াম।

কিসমিস কিভাবে তৈরী হয় ?

১ কেজি আঙ্গুর ২ লিটার পানিতে নিয়ে চুলার উপর বসিয়ে দিন।এবার চুলায় ঝাল দিতে থাকুন যতক্ষণ না পানিতে বুদবুদ আসে।একটা ছাকুনি দিয়ে ছেকে পরিষ্কার কাপড়ের উপর রাখুন।এবার কড়া রোদে শুকাতে দিন।টানা ২-৩ দিন শুকান,এরমধ্যে কিসমিস তৈরী হয়ে যাবে।এবার ব্যামে ভরে রাখু।এটি ৬ মাস পর্যন্ত ঠিক থাকবে।

কিসমিসের দাম কত ?

প্রতি কেজি ২৮০ – ৩৫০ টাকা

কিসমিসের উপকারিতাঃ

# রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে।

# হাড় ও দাঁত মজবুত করে।

# কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

# উচ্চ রক্তচাপ কমায়।

# ক্যান্সার দূর করে।

যেহেতু প্রচুর ক্যালরি আছে,তাই এটি সেক্স পাওয়ার বাড়ায়।

 

সেক্সে কিসমিসের উপকারিতাঃ

কিসমিসে প্রচুর ক্যালরি আছে।এটি শক্তি বাড়ায়।এটি আপনার বিশেষ অঙ্গে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে, দৃঢ় রাখতে সাহায্য করে।

 

কিসমিস খাওয়ার নিয়মঃ

আসলে এটি কিসমিস খাওয়ার স্পেশাল কোন নিয়ম নেই।তবে এটি ধুয়ে খেতে হবে।পানিতে ভিজিয়েও খাওয়া যায়। দিনে ২-৩ বার খেতে পারে,অতিরিক্ত খাওয়া যাবে না।খালি পেটে খাওয়া ঠিক নয়।

কিসমিস খেলে কি ওজন কমে ?

এটি এক দিক দিয়ে সত্য।ফাস্ট ফুড খেয়ে ওজন বাড়িয়ে ফেলে মানুষ,তাই স্ন্যাকস হিসেবে কিসমিস দিয়ে তৈরী বিভিন্ন খাবার খেলে ওজন কমাতে সাহায্য করবে।

কিসমিস খেলে কি মোটা হওয়া যায় ?

না।কিসমিস খেলে শক্তি বাড়ে,অজন মোটেও বাড়ে না।

Reference: https://bn.wikipedia.org/

গলা ব্যথার কারণ ও প্রতিকার এবং গলা ব্যথার ঔষধ

by isk 0 Comments
গলা ব্যথার কারণ ও প্রতিকার এবং গলা ব্যথার ঔষধ
গলা ব্যথার কারণ ও প্রতিকার এবং গলা ব্যথার ঔষধ

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অসুস্থ হওয়ার পূর্ব লক্ষণ হিসেবে গলা ব্যথা করে। গলা ব্যথার অপর নাম হলো ফ্যারিঞ্জাইটিস। সাধারণত ঠান্ডা এবং ফ্লুর (ইনফ্লুয়েঞ্জা) মতো জীবাণুর সংক্রমণের মাধ্যমে গলার এই সমস্যা হয়।টনসিলের কারণেও গলা ব্যথা হয়। গলায় শুষ্ক চুলকানি হয় এবং খাবার গিলতে ও ঢোঁক গিলতে সমস্যা হয়।

গলা ব্যথাকে অনেকে খুব একটা গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন না। গলা ব্যথা অনেক সময় মারাত্মক অসুখের উপসর্গের কারণ হতে পারে।

 

গলা ব্যথার কারণঃ

# সর্দি,ফ্লু, ভাইরাল ইনফেকশন

# ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন

# এলার্জি

# গরম ও শুষ্ক বাতাস

# ধোয়া ও কেমিক্যাল

# আঘাত

# গ্যাস্ট্রোইসুফ্যাগাল রিফ্ল্যাক্স ডিজিস

# টিউমার

 

গলা ব্যথার লক্ষণঃ

# জ্বালা পোড়া করা

# গলা শুষ্ক হয়ে যাওয়া

# গলা খুশখুশ করা

# নাক বন্ধ

# কফ জমা

# গলার টোন বসে যাওয়া

# ঢোক গিলতে অসুবিধা হওয়া

# জ্বর–৬ মাসের নীচে বয়সী শিশুদের জ্বর ১০১ ফারেনহাইট এবং বড়দের ক্ষেত্রে তা ১০৩ ফারেনহাইট পর্যন্ত হয়ে যাওয়া।

# টনসিল ফুলে যাওয়া

কাদের গলা ব্যথা হওয়ার ঝুঁকি বেশি ?

* শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা

* যারা ধূমপান করে অথবা ধূমপায়ী ব্যক্তির কাছাকাছি থাকে

* ধুলাবালু থেকে যাদের অ্যালার্জি হয়

* ঘরে ব্যবহৃত জ্বালানি ও রাসায়নিক বস্তুর সংস্পর্শে এলে

* যাদের দীর্ঘদিন ধরে সাইনাসের সমস্যা আছে

* যাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম

গলা ব্যথা থেকে কি জটিলতা দেখা দিতে পারে ?

গলা ব্যথার ফলে অনেক মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। যেমন ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের কারণে টনসিলে প্রদাহ, সাইনাসে প্রদাহ, কানের সংক্রমণ, কিডনির প্রদাহ, বাতজ্বর দেখা দিতে পারে।

গলা ব্যথা হলে করণীয় কি ?

** সাবান দিয়ে ভালো ভাবে হাত ধুতে হবে।নোংরা হাতে মুখে হাত দেয়া যাবে না।

** অন্যের প্লেট, গ্লাস ব্যবহার করা যাবে না।

** বাড়ির আবহাওয়া আদ্র রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

** রান্নার চুলার ধোয়া বের হবার ব্যবস্থা করতে হবে।

** ধূমপান করা যাবে না।

** প্রচুর তরল জাতীয় খাবার খাতে হবে।

 

কখন ডাক্তার অবশ্যই লাগবে ?

# ঢোক গিলতে বেশী সুবিধা হলে

# শ্বাসকষ্ট হলে

# মুখের লালার সাথে রক্ত আসলে

# গলায় পুঁজ দেখা দিলে

 

গলা ব্যথার জন্য কি কি টেস্ট করতে হতে পারে ?

# Throat Culture

# Allergy Test

# MRI

# CT- Scan

# CBC

গলা ব্যথার ঔষধঃ

বেশীরভাগ ক্ষেত্রে গলা ব্যথা এমনি এমনি ভালো হতে যায়।ব্যথার জন্য “প্যারাসিটামল” জাতীয় ঔষধ খেতে পারেন তবে ইনফেকশন বেশী হয়ে গেলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিবায়োটিক খেতে হবে।কফের জন্য সিরাপ খেতে পারেন।

 

গলা ব্যথার ঘরোয়া ঔষধঃ

মেথি-

গবেষণায় দেখা গেছে, মেথির অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান ব্যথা উপশম করতে পারে ও ক্ষতিকর ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, গর্ভবতী নারীদের মেথি এড়িয়ে চলাই ভালো।

রসুন-

রসুনে থাকা প্রদাহবিরোধী উপাদানসমূহ গলা ব্যথা দ্রুত সারাতে সক্ষম। তাছাড়া রসুন দাঁতে লুকিয়ে থাকা জীবাণু ধ্বংস করে এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের উন্নতি ঘটায়

বেকিং সোডা-

বেকিং সোডার কার্যকারিতা অনেক। গলা ব্যথা সারাতে বেকিং সোডা ও লবণ পানি দিয়ে গার্গেল করতে পারেন। এই দ্রবণে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদানসমূহ ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলতে পারে।

ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের পরামর্শ অনুসারে, ১ কাপ গরম পানি, ১/৪ চা চামচ বেকিং সোডা এবং ১/৪ চা চামচ লবণ মিশিয়ে প্রতি তিন ঘণ্টা পরপর গার্গেল করলে দ্রুত গলা ব্যথা সেরে যায়।

গোলমরিচ-

শুধু রান্না স্বাদ বাড়াতেই নয়, শারীরিক বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত রাখতেও কার্যকর গোলমরিচ। বিশেষ করে সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি দেয় এতে থাকা উপাদান। গোলমরিচে মেন্থল বৈশিষ্ট্য আছে। যা পাতলা শ্লেষ্মা, গলা ব্যথা ও কাশি থেকে তাৎক্ষণিত স্বস্তি দেয়।

এর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ভাইরাল বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন ব্যথা নিরাময়ে কাজ করে। আস্ত গোলমরিচের দানা পানিতে ফুটিয়ে চায়ের মতো করে পান করলে দ্রুত গলা ব্যথায় স্বস্তি মিলবে।

মধু-

চায়ের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেতে পারে গলা ব্যথা সারাতে। এটি গলা ব্যথার সাধারণ ঘরোয়া প্রতিকার। গবেষণায় দেখা গেছে, মধু কাশির সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকর।

গবেষণায় দেখা যায়, মধুতে থাকা উপাদানসমূহ বিভিন্ন ক্ষত নিরাময় ও গলার প্রদাহে দ্রুততর নিরাময় ঘটায়।

Reference: https://www.wikipedia.org/

 

 

টনসিল কি, কেন হয় এবং চিকিৎসা ও প্রতিকার

by isk 0 Comments
টনসিল কি, কেন হয় এবং চিকিৎসা ও প্রতিকার

গলায় ব্যাথা হলেই সাধারনত আমরা ধরে নিই টনসিলে ইনফেকশন হয়েছে। টনসিল হলো আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধকারী অংঙ্গ এবং এগুলো মুখের ভেতরে কয়েকটি গ্রুপে অবস্থান নেয়।
এগুলোকে প্যালাটাইন, লিংগুয়াল, টিউবাল ও অ্যাডেনয়েড টনসিল বলে। সাধারণত প্যালাটাইন টনসিলই সাধারণ মানুষের কাছে টনসিল হিসেবে পরিচিত।

টনসিলের ইনফেকশন বা টনসিলাইটিস শিশু এবং বাচ্চাদের বেশি হলেও এটি যেকোন বয়সেই হতে পারে।
এই ইনফেকশন সাধারণত ২ ধরনের হয়।

****  তীব্র বা হটাৎ প্রদাহ ( Acute Tonsillitis),

****  দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ (Chronic Tonsillitis)

কখনও কখনও টনসিলের চারিপাশে ফোঁড়া হতে পারে, যেটাকে বলা হয় #Peritonsillar_Abscess. এ ক্ষেত্রে তৎক্ষনাৎ লোকাল এনেস্থিসিয়ার মাধ্যমে পূঁজ বের করে দিতে হয় এবং পরবর্তীতে এক থেকে দেড় মাস পর টনসিল অপারেশন করে ফেলে দিতে হয়।

টনসিল হওয়ার রোগের লক্ষণঃ

# গলাব্যথা, তীব্র বা মাঝারি ধরনের

# মাথাব্যথা, জ্বর

# খাবার খেতে কষ্ট ও মুখ হাঁ করতে অসুবিধা হয়।

# কানেও ব্যথা হতে পারে।

# মুখ দিয়ে লালা বের হয় ও কণ্ঠস্বর ভারী হয়ে যেতে পারে।মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হতে পারে।

# স্বরভঙ্গ,গলায় ঘা সহ টনসিল স্ফীতি, ঢোঁক গিলতে কষ্ট হয়,গলা ফুলে যাওয়া।

 

টনসিল হবার কারণ:

পুষ্টির অভাব বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, আইসক্রিম, ফ্রিজে রাখা শীতল পানি বেশি পান করা,
মুখ ঠিকমত পরিষ্কার না রাখা, ক্ষতিকর ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ টনসিলের ইনফেকশনের কারন হতে পারে।
স্যাঁতসেঁতে বাসস্থান, ঠান্ডা আবহাওয়া, শীতের প্রকোপ বেশি হলে, গরমে ঘাম বসে গেলে টনসিলের প্রদাহ বেড়ে যেতে পারে।

টনসিল ইনফেকশন হলে কি করবেন ?

# প্রচুর পরিমাণে কুশুম গরম পানি ও তরল খাবার খেতে হবে।

# পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে যত দিন সুস্থ না হবে।

# মুখের হাইজিন (মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য) বা ওরাল হাইজিন ঠিক রাখতে হবে।

# বারবার কুলি বা মাউথ ওয়াশ (Viodin / Arodin Mouth wash 1%) করতে হবে।

# সাধারণ স্যালাইন বা লবণ মিশ্রিত গরম পানি দিয়ে বারবার কুলি করতে হবে।

# লেবু বা আদা চাও খেতে পারেন।

# গলায় ঠান্ডা লাগানো যাবে না।

যেহেতু তীব্র ব্যথা থাকে এবং জ্বর থাকে, সে ক্ষেত্রে প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন জাতীয় ওষুধ খেতে এবং পরবর্তীতে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হতে পারে।

নিয়মিত ঔষধ খেলে, পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও নিয়ম মেনে চললে রোগী সাধারণত ১-২ সপ্তাহের মধ্যে পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে।
তবে অপর্যাপ্ত চিকিৎসা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে দীর্ঘ মেয়াদী ইনফেকশন বা ক্রনিক টনসিলাইটিস হতে পারে এবং কিছু অন্যান্য শারীরিক জটিলতা যেমন, কিডনি ও হার্টের বাল্বের সমস্যাও হতে পারে।

দীর্ঘমেয়াদি টনসিলাইটিসের চিকিৎসা সাধারণত অস্ত্রোপচার বা অপারেশন। যদি বারবার টনসিলাইটিস হয় বা এর জন্য অন্য কোনো জটিলতার সৃষ্টি হয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে টনসিল ফেলে দেয়াই ভালো।

টনসিল হলে কি কি খাওয়া যাবে নাঃ

# এলকোহল

# টমেটো এবং টমেটো সস

# আচার

# সিগারেট

# টক জাতীয় ফল

# শক্ত খাবার (চিপস, কাঁচা সবজি, গাজর)

# চর্বিযুক্ত খাবার

# ঝাল খাবার

# ফাস্ট ফুড

 

যে ৪ টি খাবার টনসিলের ব্যথায় আপনাকে আরাম দিবেঃ

# লবণ-পানি——-একটু গরম পানিতে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে গরগরা ক্রুন,আরাম পাবেন।

# মধু ও লেবু——–এক গ্লাস গরম পানিতে, একটি লেবু, ১ চামচ ও এক চিমটি লবণ গুলিয়ে খান।ভালো লাগবে।

# মধু ও গ্রীন টি——— হাফ চামচ গ্রীন টি ও ১ চামচ মধু পানিতে গুলিয়ে ১০ মিনিট সিদ্ধ করুন।এটি এন্টিব্যাক্টেরিয়াল,যা ইনফেকশনের বিরুদ্ধে লড়বে।

# দুধ ও হলুফ——— ১ কাপ দুধে সামান্য হলুদ মিশিয়ে নিন,খেয়ে ফেলুন।হলুদ এন্টিব্যাক্টেরিয়াল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

 

কখন টনসিলের অপারেশন করতে হয় ?

# দীর্ঘমেয়াদি বা ক্রনিক টনসিলাইটিস

# টনসিল বড় হয়ে শ্বাসনালি বন্ধ হয়ে গেলে এবং নিঃশ্বাস নিতে অসুবিধা হলে।

# টনসিলে যদি ফোঁড়া বা পেরিটনসিলার এবসেস হয়।

# যদি বছরে তিন-চার বারের বেশি ইনফেকশন হয়।

# এসব কারণ ছাড়াও যদি দীর্ঘমেয়াদি বা ক্রনিক ক্রিপটোকঙ্কাল ইনফেকশন হয়।

# স্টাইলয়েড প্রসেস অপারেশন এর সময়

 

কখন টনসিলের অপারেশন করা যাবে নাঃ

# অ্যাকিউট ইনফেকশন থাকলে টনসিলে অস্ত্রোপচার করা যাবে না। কারণ, তখন ইনফেকশন সারা শরীরে ছড়িয়ে যেতে পারে এবং রক্তপাত বন্ধ না-ও হতে পারে।

# জ্বর বা ব্যথা থাকা অবস্থায় করা যাবে না।

# যদি কারও রক্তরোগ থাকে, যেমন থ্যালাসেমিয়া।রক্তনালি এবং রক্তরোগ থাকলে টনসিলে অপারেশন করা যাবে না। এ ছাড়া ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে না এনে অপারেশন করা যাবে না।

টনসিলে কি কি ঔষধ দেয়া হয় ?

টনসিলের চিকিৎসার শুরুতে সাধারণত ব্যথানাশক ঔষধ দেয়া হয়।কিন্তু ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে যদি টনসিলের সমস্যা হয় তাহলে চিকিৎসকরা অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে থাকেন।

বিঃদ্রঃ এন্টিবায়োটিকের ডোজ অবশ্যই পুরো করতে হবে।

—————————————————–

রসুনের উপকারিতা ও অপকারিতা এবং খাওয়ার নিয়ম

by isk 0 Comments
রসুনের উপকারিতা ও অপকারিতা এবং খাওয়ার নিয়ম

রসুন কি ?

রসুন হল পিঁয়াজ জাতীয় একটি ঝাঁঝালো সবজি যা রান্নায় মশলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়,আবার এটি ভেষজ ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।তাছাড়া বিভিন্ন আচার ও মুখরোচক খাবার তৈরীতে রসুনের ব্যবহার করা হয়।এর বৈজ্ঞানিক নাম ” অ্যালিয়াম স্যাটিভাম”

 

রসুনে কি কি ভিটামিন আছে ?

# থিয়ামিন (ভিটামিন বি১),

# রিবোফ্লাবিন (ভিটামিন বি২),

# নায়াসিন (ভিটামিন বি৩),

# প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড (ভিটামিন বি৫),

# ভিটামিন বি৬,

# ফোলেট (ভিটামিন বি৯)

# সেলেনিয়াম

# এলিসিন

 

রসুন নিয়ে মজার তথ্যঃ

# ইউরোপে “হোয়াইট ম্যাজিক” করতে মানুষ রসুন ব্যবহার করতো।

# ভ্যাম্পায়ার তাড়ানোর কাজে রসুন ব্যবহার করতো।

# বিশ্বের ৬০% রসুন উৎপাদন হয় চীনে।

# বিভিন্ন দেশে মিষ্টি তৈরীতে রসুন ব্যবহার করা হয়।

# ১ম বিশ্বযুদ্ধে আহত সৈনিকদের গ্যাংগ্রিনের চিকিৎসায় সালফার সংকট হলে রসুন ব্যবহার করা হয়।

# ১৯ এপ্রিল বিশ্বজুড়ে ‘রসুন দিবস’ পালিত হয়।

 

রসুনের উপাকারিতাঃ

 

রসুন একটি ভেষজ উদ্ভিদ।প্রাচীন ইতিহাস ঘেঁটে দেখলে জানা যায়, তখন রসুন কিন্তু শুধু বিভিন্ন অসুখ সারানোর জন্যই ব্যবহার হতো। মিসরীয়,ব্যাবিলনীয়,গ্রিক,রোমান ও চৈনিক সভ্যতায় ওষুধ হিসেবে রসুন ব্যবহারের নিদর্শন পাওয়া গেছে।এর বিভিন্ন ধরণের শারীরিক ও মানসিক উপকারিতা আছে।দিনে বা রাতে যে রসুন খান তা শরীরের জন্য উপকারী।

রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি

রসুনের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাঙ্গাল গুণ একে অনেকটা ওষুধের মতোই তৈরি করেছে, যার দরুন রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। খালি পেটে রসুন খেলে এই উপকার বেশি। বর্তমানে এই অতিমারি পরিস্থিতিতে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধিতে খুব জরুরি, তাই প্রতিদিন দুই কোয়া রসুন খেতে পারেন।

রক্ত সঞ্চালনক্ষমতা বাড়ায়

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই কোয়া রসুন খেলে রক্ত সঞ্চালনক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, যার দরুণ রক্ত বাধাগ্রস্ত হয়ে যেসব রোগের সৃষ্টি করে, তা আর হতে পারে না।

পুরুষের যৌনক্ষমতা বা সেক্স পাওয়ার বাড়াতেও বেশ সহায়ক

রসুন পুরুষের সেক্সের অনেক উপকার করে। পুরুষের যৌনক্ষমতা নানান কারণে কমে যেতে পারে, সে ক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই কোয়া রসুন খেলে ধীরে ধীরে যৌনক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এটা নিয়ে মানুষের মধ্যে দুই ধরনের মতামত থাকলেও পুরুষের ক্ষমতার মূল উৎস হচ্ছে রক্তের সাবলীল গতি। রসুনে এই কাজ করে বলেই যৌনক্ষমতার কথা বলা হয়ে থাকে।

হৃৎপিণ্ডের শক্তিবর্ধক

যাঁরা হৃদপিণ্ডের ছোটখাটো সমস্যা নিয়ে বিব্রত আছেন, মাঝেমধ্যে বুকের বাঁ পাশে ব্যথা অনুভূত হয়, সিঁড়ি বেয়ে উঠতে কষ্ট হয়, তাঁদের জন্য প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই কোয়া রসুন পানি দিয়ে গিলে খেয়ে ফেলতে হবে, এতে করে হৃদপিণ্ড শক্তিশালী হবে, রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধির কারণে হৃদপিণ্ডের ব্লকগুলো আর বাড়বে না এবং ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারবে না, বুকের ব্যথা কমে যাবে, সিঁড়ি বেয়ে উঠতে কষ্ট হবে না।

উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে

উচ্চ রক্তচাপ কমানোর জন্য অনেক পথ্যের অন্যতম রসুন। শরীরের এলডিএল বেড়ে যাওয়ার কারণে রক্তচাপ বেড়ে যায়, প্রতিদিন দুই কোয়া রসুন সকালে খালি পেটে খেলে উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যা থাকবে না।

সংক্রমণ বা ইনফেকশন প্রতিরোধ

মানুষের শরীরে যেকোনো সময়ে সংক্রমণ ঘটতে পারে। সংক্রামক রোগ এমন একটি অবস্থা, যার কোনো পূর্বলক্ষণ থাকে না। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই কোয়া রসুন খেলে শরীর সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।

ফুসফুসের সংক্রমণ প্রতিরোধ

ফুসফুসে বিভিন্ন কারণে সংক্রমণ হতে পারে। অ্যালার্জি সমস্যা, ঠান্ডা লাগার প্রবণতা থেকে ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটতে পারে, যা থেকে মুক্তি পেতে রসুন পিষে রস খেলে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি রোধ করে, সঙ্গে হলুদগুঁড়া গরম পানি দিয়ে চায়ের মতো খেলে সংক্রমণ থাকে না। আর প্রতিদিন দুই কোয়া রসুন খালি পেটে খাওয়া ফুসফুসের সংক্রমণ রোধে অত্যন্ত কার্যকর।

রক্ত পরিশোধিত করে

প্রতিদিন দুই কোয়া রসুন খালি পেটে খেলে রক্তের পরিশোধনক্ষমতা বেড়ে গিয়ে রক্ত চলাচলে স্বাভাবিক গতি ফিরে আসে, তাতে শরীর ভালো থাকে, নিরোগ দেহের জন্য সাবলীল রক্ত চলাচল অত্যন্ত কার্যকর একটি উপায়।

ত্বক ভালো রাখে, ব্রণের উপকার করে

প্রতিদিন দুই কোয়া রসুন খালি পেটে খেলে ত্বক ভালো থাকে, ত্বকে বার্ধ্যকের ছাপ পড়ে না, চেহারায় কোনো দাগ থাকলে কমে যায়।ব্রণ দ্রুত শুকিয়ে যায়।দাগ দূর করে।

শরীরে অবাঞ্ছিত ফোলা বা গোটা

অনেকের শরীরে বিভিন্ন জায়গায় ফোলা পিণ্ড থাকে, বাড়ে কমে না, ব্যথাও করে না, কিন্তু ফোলাটা মিশেও না, এমন ফোলা বা গোটা শরীর থেকে মুছে ফেলতে প্রতিদিন ছয়-আট কোষ রসুন সকালে খালি পেটে এবং দুপুর ও রাতে খাবার পর দুইটি করে রসুন কোষ খেলে ফোলাটা ধীরে ধীরে মিশে যাবে। অথবা দুই কোয়া রসুন হালকা করে ভেজে তা খেতে হবে।

সেল ড্যামেজ রোধ করে

রসুনে উপস্থিত অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ‘সেল ড্যামেজ’ ও ‘এজিং’ রোধ করে। ব্রেনের সেল ড্যামেজ কম হয়ে আলঝেইমারস ও ডিমেনশিয়ার মতো রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

শরীরের হাড়ের শক্তি বাড়ায়

একটা বয়সের পর বিভিন্ন কারণে নারীদের হাড়ের শক্তি কমে যায়। প্রতিদিন ২ গ্রাম করে রসুন খেলে নারীদের শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রায় ভারসাম্য থাকে, যাঁদের কম থাকে, তাঁদের কিছুটা বাড়ে। ফলে হাড়সংক্রান্ত সমস্যা অনেকটা কমে যায়। এমনকি যে নারীদের মেনোপোজ হয়ে গেছে, তাঁরাও নিয়মিত রসুন খেলে অনেক উপকার পাবেন।

সেক্সে রসুনের উপকারিতাঃ

# শারীরিক মিলনে আগ্রহ বাড়ায়।

# সেক্স পাওয়ার বাড়ায়।

# ইরেকটাইল ডিসফাংশান দূর করে।

# পুরুষ ও মহিলা উভয়ের সেক্স ড্রাইভ বাড়ায়।

# অকাল বীর্যপাত রোধ করে।

# শুক্রানোর পরিমাণ বাড়ায়।

# বীর্য  ঘন করে।

# সেক্সে বা সহবাসে সময় বাড়ায়।

# বীর্যে কোন ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন থাকলে দূর করে।

কখন, কীভাবে রসুন খাবেন ?

সকালে খালি পেটে খেতে হবে এমন নয়।ভরা পেটে খাওয়ায় উত্তম। বিকেল-দুপুর বা রাতে খেতে পারেন। রসুন খেতে হবে কাঁচা।দিনে ১-২ কোয়া।কাঁচা না পারলে আচার করে খেতে পারেন।

তারপরেও খেতে অসুবিধা হলে ধনেপাতার সঙ্গে বেটে নিন। নারকেল বা কচু বাটায় মেশান। সালাদ বা দইয়ে মিশিয়ে খাওয়া যায়। কারও ভয় একটাই, শ্বাসে কটূ গন্ধ হবে কি না। সে উপায়ও আছে। একটু পার্সলে পাতা চিবিয়ে নিন, দাঁত মাজুন বা ব্যবহার করুন মাউথ-ওয়াশ, গন্ধ চলে যাবে।

কাচা রসুনের যত অপকারিতাঃ

# এটি অতিরিক্ত খাওয়া লিভারের জন্য ক্ষতিকারক।এতে প্রচুর পরিমাণে থাকা “এলিসিন” লিভারে ক্ষতি করে।

# খালি পেটে রসুন খেলে অনেক সময় ডায়রিয়া হতে পারে।

# বুক জ্বালা পোড়া, বমি হতে পারে।

# মুখে বাজে গন্ধ হয়।

# রসুন রক্ত পাতলা করে।তাই এটি অতিরিক্ত পরিমাণে দীর্ঘ দিন খেলে শরীরে “ইন্টারনাল ব্লিডিং” হতে পারে।

# অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে।

# মেয়েদের ভ্যাজাইনাল ইনফেকশন হতে পারে।তবে এটি রেয়ার।

# রসুন খেলে অনেকের ক্ষেত্রে এলার্জি বেড়ে যায়।

# অতিরিক্ত রসুন চোখের সমস্যা করতে পারে।একে “হাইপিমা” বলে।

কিসমিস কিভাবে সহবাসে শক্তি বাড়ায়?

তীব্র কাঁধে ব্যথা মানেই ফ্রোজেন শোল্ডার নয় ?

by isk 0 Comments
তীব্র কাঁধে ব্যথা মানেই ফ্রোজেন শোল্ডার নয় ?

রোগীঃ (মহিলা) ডক্টর, আমার সোল্ডারে হঠাৎ কাল থেকে প্রচন্ড ব্যথা। হাত নাড়াতেই পারছি না। এর আগে আমি দিব্যি ভাল মানুষ।

ডাক্তার: এর আগে কখনোই কি ব্যথা হয়নি?

রোগীঃ উমম… হয়েছে। অল্প ব্যথা মাঝে মধ্যে হতো। একটু হাত নাড়াচাড়া বেশি হলে হত। কিন্তু পেইন কিলার খেলে বা ম্যাসাজ করলে কিছুদিনের মধ্যেই কমে যেত। তেমন কিছু না।

ডাক্তার: আপনার বয়স কত?

রোগীঃ ৪৩।
(৩০-৪৫ বছর বয়সের মহিলাদের এই রোগ বেশি)
ডাক্তার: কোন সোল্ডারে যেন ব্যথাটা?

রোগীঃ ডান পাশে।
(যে হাতে কাজ বেশি হয়, সে হাতে এ রোগ বেশি, তবে অন্য হাতেও হতে পারে)।

ডাক্তার: আপনার ডায়াবেটিস আছে?

রোগীঃ জ্বী, ৩ বছর।
(ডায়াবেটিসের সাথে এই রোগের সম্পর্ক নাই, ফ্রোজেন সোল্ডারের সাথে আছে)।

ডাক্তার: আপনি হাতটি উপরে তোলার চেষ্টা করেন তো।

রোগীঃ পারব না ডক্টর, মনে হচ্ছে হাতের হাঁড় ভেংগে গেছে।

ডাক্তার: কোন আঘাত পেয়েছিলেন?

রোগীঃ না।
(কোন আধাত ছাড়াই এ রোগ হয়)

ডাক্তার: আমি সন্দেহ করছি, আপনার সোল্ডারের একটা টেন্ডন ফুলে গেছে এবং তাতে ক্যালসিয়াম জমেছে (supraspinatus calcific tendinitis)। তবে আমি নিশ্চিত নই।

রোগীঃ কিভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়?

ডাক্তার: একটা এক্সরে করলেই বুঝা যাবে। তবে সাথে একটা জয়েন্টের আলট্রাসনোগ্রাফি করলে বেস্ট হয়। কারন আরলি (Early) স্টেজে এক্সরেতে অনেক সময় মিস হয়। তাছাড়া আলট্রাতে আমরা টেন্ডনের অবস্থা বুঝতে পারব। অনেক সময় ডেন্ডন ইঞ্জুরি থাকতে পারে, টেন্ডিনাইটিস বা বারসাইটিস থাকতে পারে, এগুলো এক্সরেতে বুঝা যায় না।
আলট্রা করলাম তখনই। বিশাল একটা ক্যালসিয়াম দেখা গেল সুপ্রাস্পাইনাটাস টেন্ডনের ভিতর। টেন্ডিনাইটিস ও হাল্কা বারসাইটিস আছে।

রোগীঃ এখন কি করা? এটাতো অনেক বড়। অপারেশন করে বের করতে হবে?

ডাক্তার: না। এ রোগে আপারেশন লাগে না। এই ক্যালসিয়াম এমনিতেই গলে যাবে। তবে আমরা লোকাল এনেস্থেসিয়া দিয়ে ওই ক্যালসিয়ামটাকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি এর সাহায্যে নিডেল দিয়ে ভেংগে দিব। এর পর নরমাল স্যলাইন দিয়ে ওয়াস করে নিডেল দয়ে টেনে বের করার চেষ্টা করব। শক্ত হয়ে গেলে অনেক সময় বের হয় না কিছুই। বের না হলেও অসুবিধা নাই। এর পর একটা স্টেরয়েড ইঞ্জেকশন দিব ওখানে। এই পদ্ধতির নাম “বারবোটেজ”। এটা পুরাতন চিকিৎসা, নতুন নয়। তবে এখন এটা আমরা উন্নত প্রযুক্তি (হাই ফ্রিকোয়েন্সি আলট্রা) দিয়ে দেখে দেখে করব। আগে ক্যালসিয়ামটা না দেখে, এনাটমি আন্দাজ করে ইরিগেশন বা ইঞ্জেকশন করা হত।
রোগি: আমার তো ভয় লাগছে। এটা কি অপারেশন?

ডাক্তার: না না। আমরা কোন ইনসিশন দিব না (কাটাকাটি নাই)। আর পুরো প্রসিডিউরে টাইম লাগবে সর্বোচ্চ ১৫-২০মি। ব্যথা বিহীন প্রক্রিয়া। শেষ করার সাথে সাথেই ব্যথা কমবে এবং বাড়ি যেতে পারবেন।

রোগীঃ ডক্টর, এটা কি আবার হবে? বার বার করতে হবে?

ডাক্তার: উম…ম, না। এমন কেইস পাইনি। রিসার্চ বলে, এটা সাধারণত বার বার হয় না।

রোগীঃ এমন কেইস আগে করেছেন?

ডাক্তার: জ্বী। প্রতি ২/৩ মাসেই ১টা কেইস পাই। সাধারণত ৩-৭% পূর্ণ বয়স্ক মানুষের এই রোগ হয়।

রোগীঃ আরেকটু বিরক্তি করছি। আরেকটা বিষয় জানার ছিল।

ডাক্তার: না…না, বলেন।

রোগীঃ আমার কেন এ রোগ হল?

ডাক্তার: রিসার্চ বলে, এ রোগের কোন সুনির্দিষ্ট কারণ পাওয়া যায়নি। তবে হাতের দৈনিক কাজের সময় সোল্ডার নাড়াচাড়া তো করতেই হয়। তখন একটা হাঁড়ের (এক্রোমিয়ন, Acromion) নিচে সোল্ডারের সুপ্রাস্পাইনাটাস টেন্ডন এর ফ্রিকশন (ঘষা) হয়। অনেকের আবার এক্রোমিয়ন হাঁড়ের সেইপ (shape) একটু বাঁকানো (curved/beaked shape) থাকে। তাদের ফ্রিকশনটা বেশি হয় বলে ধারণা করা হয়। তাই তাদের এই রোগ বেশি হয়। ফ্রিকশন থেকে মাইক্রো ইঞ্জুরি, রিপেয়ার, ফাইব্রোসিস, ক্যালসিফিকেশন। প্রসেটা বুঝতে আপনার একটু কষ্ট হবে।
রোগি: যদি আমি এটার চিকিৎসা না করে রেখে দেই?

ডাক্তার: সাধারণত এই ক্যালসিয়াম গলে যায়। তাই বলে চিকিৎসা না করালে জটিলতা দেখা দিতে পারে। যেমন ব্যথা অনেক তীব্র হতে পারে। টেন্ডন টা ছিঁড়ে যেতে পারে।

রোগীঃ বারবোটেজ ছাড়া আর কোন চিকিৎসা নাই ?

ডাক্তার: অবশ্যই আছে। বারবোটেজ করছি আপনার এই প্রচন্ড ব্যথা কমানোর জন্য এবং ক্যালসিয়াম যাতে তাড়াতাড়ি গলে যায় তার জন্য। সাথে আপনার এক্সসারসাইজ করে যেতে হবে। বরফের সেঁক ভাল কাজ দেয় ব্যথার জন্য।
(গতকাল রাতের এক রোগির সাথে কথোপকথন এর আলোকে। আজ তার বারবোটেজ করব, ইনশাহআল্লাহ।)
—————————–
ডা. মো. মঈন উদ্দীন (মনজু)
ফিজিক্যাল মেডসিন এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন স্পেশালিস্ট।
ইন্টারভেনশনাল পেইন ও স্পোর্টস ইনজুরি স্পেশালিস্ট।

ডেঙ্গু টেস্টের ব্যাপারে সচেতন হউন, জানুন আর জানিয়ে দিন

ডেঙ্গু টেস্টের ব্যাপারে সচেতন হউন, জানুন আর জানিয়ে দিন

ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত রোগ,যার বাহকের নাম “এডিস মশা”। আমাদের দেশে ৪ প্রকারের ডেঙ্গু সেরোটাইপ আছে।এটি সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায় বিশেষ করে সূর্যোদয়ের কয়েক ঘন্টা পরে ও সূর্যাস্তের কয়েক ঘন্টা আগে।

সাধারণত ডেঙ্গু রোগের ধরণ  প্রধান ২টা:-

১) লক্ষণ প্রকাশ করে না

২) লক্ষণ প্রকাশ করে

বাংলাদেশে মশা তাড়ানোর সেরা ১৮ টি উপায়

# লক্ষণ গুলো এভাবে দেখা  দেয় :-

১) শরীরে ভাইরাস ঢুকার ৩-৬ দিনের মধ্য জ্বর আসে।অনেক সময় ১০ দিন পর্যন্ত সময় নেয়।

২) গায়ে প্রচন্ড ব্যথা থাকে।মাংসপেশী,মাথা,চোখের পিছনে ব্যথা,গিড়া গুলোয় ব্যথা এবং হাড়ে ব্যথা।

৩) বমি বমি ভাব,শরীর দূর্বল লাগা।

৪) জ্বর আসার ২-৫ দিন পর লাল লাল র্যাশ উঠবে।

৫) সাধারণত জ্বর আসার কিছুদিন পর কমে যায়।

 

তবে,সাধারন থেকে চরম আকার ধারণ করলে নিমোক্ত সমস্যা দেখা দিবে-

 

১) শরীরে লাল লাল র্যাশ উঠবে

২) নাক দিয়ে রক্ত পড়া, মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া, অল্প চাপ বা আঘাতে চামড়ার নিচে লাল হয়ে যাওয়া

৩) বেশী আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রে Heamatemesis, Melaena দেখা যাবে

৪) মহিলাদের ক্ষেত্রে মাসিকে রক্ত বেশী যাওয়া

৫) Internal Bleeding হতে পারে

৬)  Multi organ failure হতে পারে

( উপরোক্ত  ১-৬ নং সমস্যা দেখা দিলে তাড়াতাড়ি হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে)

 

কিভাবে নিশ্চিত হবো ডেঙ্গু হয়েছে:

 

# ডেঙ্গু টেস্ট করতে কোন ধরনের পূর্ব-প্রস্তুতির দরকার হয় না।

# খালি পেট/ভরা পেট এগুলো কোন ফ্যাক্ট না

# জ্বর থাকা অবস্থা বা না থাকা কোন ফ্যাক্ট না

 

১) Dengue NS1 Antigen(NS1)

জ্বর আসার প্রথম দিনেই এ টেস্ট করেই নিশ্চিত হওয়া যায়।তবে মাঝে মাঝে “ইনকিউভেশন পিরিয়ডের” শুরুতে এটি “ফলস পজিটিভ” রেজাল্ট দেয়।এ টেস্ট করতে বেশী সময় লাগে না।

 

২) ডেঙ্গু জ্বরের বিরুদ্ধে Antibody তৈরী করতে শরীরের ৫ বা তার বেশী সময় লাগে।তাই এসময় পরে Anti-Dengue Antibody Test( IgG & IgM) করতে হবে।এ টেস্টও করতে বেশী সময় লাগে না।

IgM বা IgM বা উভয়ই পজিটিভ আসলে বা যে কোন একটি পজিটিভ আসলে অদক্ষ কারো সাথে আলোচনা না করে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

৩) একদম কনফারমেশন টেস্ট হিসেবে PCR, RT-PCR টেস্ট করা যায়।

এর রিপোর্ট পেতে একটু সময় লাগে।

৪) CBC Test করতে হবে।ডেঙ্গুতে Platelet কমে গিয়ে Thromcytopenia দেখা যায়। PCV/Hematocrit  বেড়ে যাবে।

৫) আল্ট্রাসনোগ্রফী করলে Hepatomegaly পাওয়া যায়

৬) তাছাড়া SGPT, SGOT এগুলো বেড়ে যাবে

 

# # # প্রাথমিক ইনফেকশনে CBC ও Dengue NS1 ২টা ল্যাব থেকে করানোর চেষ্টা করবেন।

 

# # # একই সময়ে রোগী টাইপয়েড ও ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে অনেক সময় ভুল রেজাল্ট আসে।

টেস্ট করার সময় ভালো ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও দক্ষ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আছে এমন ল্যাবে টেস্ট করান।

সেরা ১০টি দাঁতের ব্যথা কমানোর উপায়

by isk 0 Comments
সেরা ১০টি দাঁতের ব্যথা কমানোর  উপায়

Best 10 Ways to Reduce Teeth Pain

দাঁতের যথাযথ যত্ন ও সুরক্ষার অভাবে অনেক সময় দেখা দেয় দাঁতের সমস্যা। আর তখনই শুরু হয় ব্যথা। আবার দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন ধরণের সমস্যার কারণেও হতে পারে এ দাঁত ব্যথা। যেমন-

# ক্যাভিটি,

# মাড়ির সমস্যা,

# দাঁতে ইনফেকশন,

# দাঁত দিয়ে রক্ত পরা,

# দাঁতের গোঁড়া আলগা হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।

দাঁত ব্যথা বলে কয়ে আসে না। হঠাৎ যদি দাঁতে ব্যথা শুরু হয়ে যায়, দিশেহারা হয়ে আমরা ওষুধের খোঁজ করি।দাঁতে ব্যথা যেমন যন্ত্রণাদায়ক, দাঁতের চিকিৎসা ঠিক তেমনই কষ্টকর। কিন্তু কিছু উপায় জানা থাকলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই দাঁত ব্যথার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

১) লবঙ্গ-

দুটো লবঙ্গ থেঁতো করে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে দাঁতে লাগান। আধ গ্লাস জেল লবঙ্গ তেল মিশিয়ে খেলেও উপকার পাবেন।

২) পেঁয়াজ-

পেঁয়াজের অ্যান্টিসেপটিক গুণ যে কোনও ক্ষত, ব্যথা সারাতে সাহায্য করে। দাঁতে ব্যথা হলে এক টুকরো কাঁচা পেঁয়াজ চিবিয়ে খেয়ে নিন। যদি বেশি ঝাঁঝ লাগে তবে দাঁতের উপর পেঁয়াজ রাখলেও আরাম পাবেন।

৩) পেয়ারা পাতা-

দাঁতে ব্যথা হলে একটা বা দুটো পেয়ারা পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন। দাঁতের গো়ড়ায় পাতার রস ঢুকে ব্যথায় আরাম পাবেন।

৪) আইস কিউব-

তুলোয় মুড়ে এক টুকরো বরফ ব্যথা দাঁত, মাড়িতে কিছু ক্ষণ চেপে ধরুন। এতে ব্যথা কমতে থাকবে।

৫) ভ্যানিলা এক্সট্রাক্ট-

একটা তুলোয় কয়েক ফোঁটা ভ্যানিলা এক্সট্রাক্ট নিয়ে দাঁতের উপর লাগিয়ে রাখুন। যত ক্ষণ না ব্যথা কমে কয়েক বার এটা করতে থাকুন।

৬) নুন ও গোলমরিচ-

নুন ও গোলমরিচ সম পরিমাণে মিশিয়ে জল দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। দাঁতের উপর এই পেস্ট লাগিয়ে করেক মিনিট রাখুন। দাঁতে ব্যথা কমে গেলেও এটা কয়েক দিন করে গেলে আরাম পাবেন।

৭) দূর্বার রস-

দূর্বার রস দাঁতে ব্যথা কমাতে খুব উপকারী। দাঁতের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে প্রতি দিন দূর্বার রস খান।

৮) রসুন-

এক কোয়া রসুন থেঁতো করে অল্প নুনের সঙ্গে মিশিয়ে দাঁতে লাগিয়ে রাখুন। খুব বেশি যন্ত্রণা হলে এক কোয়া রসুন চিবিয়ে খান। যন্ত্রণা কমে যাবে।

৯) হিং-

এক চিমটে হিং বা আধ চা চামচ হিং গুঁড়ো দুই টেবিল চামচ লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে দাঁতে লাগান। এতে খুব তাড়া়তাড়ি ব্যথা কমে যাবে।

১০) নুন গরম জল-

দাঁত, মাড়ি, গলায় ব্যথা কমাতে খুব ভাল কাজ করে নুন গরম জল। এক গ্লাস গরম জলে এক চা চামচ নুন মিশিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এতে যে কোনও ইনফেকশন সেরে যাবে।

Don`t copy text!