ডাঃ কেমিকেল পিলিং স্কিনের অনেক সমস্যার সিম্পল সমাধান

অতিরিক্ত তথ্য

কেমিকেল পিলিং কি ???

ত্বকের উপরি স্তরের (Epidermis) কোষগুলো বিভিন্নভাবে আক্রান্ত হলে ত্বকের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যেমন সানবার্ন, র‌্যাশ, চুলকানি, ত্বকের শুষ্কতা ইত্যাদি। এর ফলে ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা নষ্ট এবং ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ত্বকের এই অবস্থাকে পিলিং বলা হয় ।আমাদের ত্বক বাইরের ধুলাবালির সংস্পর্শে বেশি থাকে। এর ফলে আমাদের ত্বক অনেক দূষণের শিকার হয়। ত্বক প্রতিনিয়ত নতুন কোষ তৈরি করে স্বাভাবিকতা ধরে রাখে। কিন্তু অনেক সময় ত্বকের এই নতুন কোষ গঠনের প্রক্রিয়া বিভিন্ন কারণে বাধাগ্রস্ত হলে এর সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করে এবং ত্বকে পিলিং হয়। এ ছাড়া অনেক অসুখের কারণে পিলিং হতে পারে। যেমন অ্যালার্জি, ইনফেকশন, বংশগত কারণ ইত্যাদি।

 

 

 

কেমিকেল পিলিং কেন প্রয়োজন ???

ত্বককে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ত্বকে কেমিক্যাল পিলিং করা হয়। কেমিক্যাল পিলিং মূলত ত্বকের চিকিৎসা। যার মাধ্যমে বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান ত্বকে প্রবেশ করানো হয় এবং ত্বকের নানা সমস্যার সমাধান করা হয়। কেমিক্যাল পিলিং তিন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন Superficial, Medium পিলিং, এবং Deep পিলিং। Superficial পিলিং ট্রিটমেন্ট উপরি ত্বকের চিকিৎসা করে, মূলত Epidermis-এ এই চিকিৎসা কার্যকর হয়। medium পিলিং ট্রিটমেন্ট ত্বকের dermis লেয়ার পর্যন্ত কার্যকর হয় এবং উববঢ় পিলিং ত্বকের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে ত্বকের চিকিৎসা করা হয়। কেমিক্যাল পিলিং করতে যেই উপাদানগুলো খুবই পরিচিত, তা হলো Retinoids, Alpha-Hydroxy Acids, Beta-Hydroxy Acids (Salicylic Acid), Trichloroacetic Acid,And Phenol ইত্যাদি। একটি নির্দিষ্ট সমস্যার জন্য একটি নির্দিষ্ট চিকিৎসা কার্যকর হয়। তাই সবাই একই ধরনের চিকিৎসা নিতে পারেন না।

 

 

কেমিকেল পিলিং কাদের প্রয়োজন ???

কেমিক্যাল পিলিং মূলত ত্বকের চিকিৎসা। ত্বককে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ত্বকে কেমিক্যাল পিলিং করা হয়। যার মাধ্যমে বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান ত্বকে প্রবেশ করানো হয় এবং ত্বকের নানা সমস্যার সমাধান করা হয়।
রোদে পোড়া ত্বকের জন্য কেমিক্যাল পিলিং খুবই কার্যকর। এ ছাড়া যাদের ত্বকে বিভিন্ন ধরনের পিগমেন্টেশন যেমন-

 

💉 বিভিন্ন রকমের কালো দাগ

💉 বয়সের ছাপ

💉 ব্রণের গর্ত

💉 মেছতা

💉 রোদে পড়া দাগ ইত্যাদি আছে তাদের জন্য কার্যকর হয়।

 

 

 

কেমিকেল পিলিং এর খরচ কেমন ???

সাধারণত প্রতি সেশন রোগীর অবস্থা ভেদে ৩০০০-৪০০০ হতে পারে।

 

 

কেমিকেল পিলিং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কি ?

 

এই ট্রিটমেন্টের তেমন কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। বেশি স্পর্শকাতর ত্বকের ক্ষেত্রে লালচে ভাব ফুটে উঠতে পারে। তাও ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই মিলিয়ে যায়। তবে মাইক্রোপিলিংয়ের পরে ত্বকের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।মাইক্রোপিলিং চলাকালীন সরাসরি সূর্যের রশ্মি যাতে ত্বকে এসে না-পড়ে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। মেকআপও এড়িয়ে চলা ভাল। ট্রিটমেন্টের শেষেও সানস্ক্রিনের ব্যবহার নিয়ম করে চালিয়ে যেতে হবে। ময়শ্চারাইজ়ারও জরুরি। সঙ্গে প্রচুর পানি খেতে হবে।

 

কৃতজ্ঞতা———————

ডাঃমহুয়া মজুমদার
এমবিবিএস, বিসিএস, ডিডিভি (বিএসএমএমইউ
(এডভান্স ট্রেনিং ইন সেক্সুয়াল মেডিসিন)
চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ
লেজার ও ডার্মাটো সার্জারী
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
এক্স আমেরিকান হাসপাতাল (আগ্রাবাদ)
মেম্বার অব আমেরিকান একাডেমি অব এস্থেটিক মেডিসিন।
(চেম্বার)
কেয়ার ল্যাব
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের বিপরীত পাশে, সোনালী ব্যাংকের গলি, চট্টগ্রাম
রোগী দেখার সময়ঃ 
শনি, রবি, বুধ ও বৃহস্পতিবার
সময়ঃ
বিকাল ৫টা – রাত ৯ টা পর্যন্ত।
সিরিয়ালঃ 01749-120703