সরকারী হাসপাতালে সেবা নেয়ার যত নিয়ম

Hello Doctor Ctg

সরকারী হাসপাতাল সব সময় রোগী দিয়ে পরিপূর্ণ। সক্ষমতার চেয়েও বেশী রোগীকে সেবা দিতে হয় প্রতিদিন।অথচ লোকবল ও সরঞ্জাম একই।যার কারণে সবার দিয়ে একই সময়ে মনযোগ দেয়া কঠিন।তাই হাসপাতালের নিয়মকানুন যদি আমরা আগেই জেনে রাখি তাহলে অল্প সময়ে চিকিৎসা সেবা পাবো এবং আমাদের বিভ্রান্তিতেও পড়তে হবে না।কর্মরতদের সাথে ভুল বুঝাবুঝিও হবে না।

১) রোগীকে প্রথমে ইমাজেন্সি বিভাগে নেয়ার পর তার ডায়াগনোসিস এর উপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়।রোগীর শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করে ট্রলি বা লিফট লাগবে কিনা।

চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় অবহেলা সন্দেহ, কি করা উচিত?

২) নির্দিস্ট রুমে যাওয়ার পর সেখানে আগে “নার্স”দের রুমে যাবেন।রোগী রিসিভ করাবেন।রোগীর নাম,ঠিকানা ইত্যাদি লিপিবদ্ধ করার পর চিকিৎসাপত্রের জন্য একটি কাগজ দেয়া হবে।সেটা নিয়ে ডিউটি ডাক্তার রুমে যাবেন।

৩) ডাক্তারদের রুমে রোগীর সাথে একজন থাকবেন যিনি রোগী ও রোগীর স র্ম্পকে ধারনা রাখেন।ডাক্তার রোগী দেখে আপনাকে ঔষধের জন্য বলতে পারে।অনেক ঔষধ হাডপাতালে সাপ্লাই থাকে না।বাইরে থেকে নিতে হবে।

৪) হাসপাতালে রোগী নিয়ে রোগীর সাথে ৩ জন থাকা ভালো।একজন ঔষধ আনতে যাবেন একজন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাবেন একজন রোগীর সাথে থাকবেন

৫) সব ধরনের টেস্ট হাসপাতালে হয়।মাঝে মাঝে কিছু হয় না।সেগুলো বাইরের ভলো ল্যাব থেকে করাবেন। না হয় প্রফেসর আবার রিপিট করতে পারে।

৬) ঔষধ নিয়ে আসার পর ভর্তির কাগজসহ নার্সের রুমে যাবেন।নাস চিকিৎসা পত্র দেখে ঔষধ দিয়ে দিবেন।ঔষধ সংক্রান্ত সব কাজ নার্সদের।

৭) স্যালাইন দেয়া,ইনজেকশন দেয়া এসব কাজ নার্সদের।

হাসপাতালে সমাজসেবা বিভাগের কার্যক্রমের কাজ কি?

৮) ডিউটি ডাক্তার রোগীর শারীরিক ও আর্থিক অবস্থা র উপর ভিত্তি করে যে কোম্পানির ড্রাগ দিবে সেটাই কিনার চেষ্টা করবেন।

৯)ডাক্তার প্রেসক্রাইভ করেছে দোকানে ঔষধ পান নাই,বিকল্প ঔষধ কেনার আগে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করবেন।

১০) নার্স/ব্রাদার সময়মত ঔষধ দিলো কিনা খেয়াল রাখবেন।সময় হলে তাদের জানাবেন।

১১) হাসপাতালে প্রতিদিন ২.৩০ টা পর্যন্ত প্রফেসররা থাকেন। এসময় রোগীর চিকিৎসার ব্যাপারে কিছু জানার থাকলে কথা বলতে পারবেন।

১২) রোগীর অবস্থা খারাপ হলে নার্ভাস হবেন না।ডিউটি ডাক্তারকে ডেকে আনুন।হইচই করে চিকিৎসার ব্যাঘাত করবেন না।

১৩) ডেলিভারি রুমে পুরুষ ডাক্তার থাকবে বা থাকতে পারে এ নিয়ে লজ্জিত হবেন না।সব রোগীকে চিকিৎসকরা “মা” হিসেবে দেখেন।

১৪) “দালাল” থেকে ১০০ হাত দূরে থাকব।

ল্যাবে রক্ত পরীক্ষা করার আগে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা উচিত

নার্স,ব্রাদার, ইন্টার্ন ডাক্তার, প্রফেসর সবাইকে যার যার প্রাপ্য সম্মান দিবেন।প্রত্যেকের কাজের মূল্য রয়েছে।কাউকে ছোট করে দেখার অবকাশ নেই।
ইন্টার্ন ডাক্তার তার সাধ্যমত রোগীর সেবা দিবে,তারা না পারলে ইনডোর মেডিকেল অফিসাররা দিবেন, তারা না পারলে প্রফেসররা দিবেন।সরকারি হাসপাতালে ২৪ ঘন্টা ডাক্তাররা আপনার সেবায় নিয়োজিত।
আমার এবং আপনার সম্মিলিত সহযোগীতাই চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি ঘটাতে পারে।

নার্স,ব্রাদার, ইন্টার্ন ডাক্তার, প্রফেসর সবাইকে যার যার প্রাপ্য সম্মান দিবেন।প্রত্যেকের কাজের মূল্য রয়েছে।কাউকে ছোট করে দেখার অবকাশ নেই।ইন্টার্ন ডাক্তার তার সাধ্যমত রোগীর সেবা দিবে,তারা না পারলে ইনডোর মেডিকেল অফিসাররা দিবেন, তারা না পারলে প্রফেসররা দিবেন।সরকারি হাসপাতালে ২৪ ঘন্টা ডাক্তাররা আপনার সেবায় নিয়োজিত।আমার এবং আপনার সম্মিলিত সহযোগীতাই চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি ঘটাতে পারে।

সরকারী হাসপাতালে সেবা নেয়ার যত নিয়ম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to top
error: Content is protected !!