ডাক্তার দেখানোর আগে যে কাজ গুলো করা উচিত

hello doctor ctg

Things that should be done before seeing a doctor

মানুষের জীবনের বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে ডাক্তার বা চিকিৎসক। আমাদের দুঃখের সময়ে বিপদের বন্ধু হিসেবে পাশে দাড়ান তারা।উৎসাহ দিয়ে,সান্তনা দিয়ে এমনকি আর্থিক সাহায্যের মাধ্যমেও হাত বাড়িয়ে দেন।আমরা ডাক্তার দেখানোর সময় কিছু ভুল করি,এতে অনেক সময় ভোগান্তিতে পড়তে হয়।যদি আমরা কিছু বিষয় খেয়াল রাখি তাহলে আমাদের সেবা নেয়াটা অনেক সহজ হয়ে যাবে এবং ডাক্তারেরও কার্যকর চিকিৎসা দিতে সুবিধা হবে।

## নিউরোসার্জন ডাঃ মু ইসমাইল হোসেন থেকে ফোনে পরামর্শ নিতে ফ্রি কল করুনঃ 01976-11 34 12

নিম্নলিখিত ব্যাপার গুলো খেয়াল রাখবো-

১) প্রথমে কোন বিভাগের ডাক্তার দেখাবো ঠিক করতে হবে।কারণ বিভিন্ন রোগের উপর অভিজ্ঞ বিভিন্ন ডাক্তার আছেন।ধরুন,আপনার মাথা ব্যথা করছে।এখন এটা চোখের সমস্যা থেকেও হতে পারে,আবার মাথার সমস্যাও হতে পারে।

তাহলে আমাদের প্রথমেই ঠিক করতে হবে কোন ডাক্তারকে দেখাবো।যদি কোন সিদ্ধান্ত না নিতে পারি তবে একজন এমবিবিএস ডাক্তারের কাছে গিয়ে দেখাবো।উনি আপনার সাইন-সিম্পটম দেখে একজন স্পেশালিস্টের কাছে রেফার করবেন।

(যদি এমবিবিএস ডাক্তার পাওয়া না যায় তবে “মেডিসিন স্পেশালিষ্ট “কে দেখাতে হবে)

২) যে কোন শারীরিক সমস্যায়  যদি রোগীর অবস্থা খুব বেশী নাজুক না হয় তবে একজন এমবিবিএস ডাক্তারকে দেখাবেন।

উনি প্রাইমারি ট্রিটমেন্ট দিয়ে প্রয়েজন বোধে রেফার করবেন।বাইরের উন্নত দেশে এমবিবিএস ডাক্তারের রেফারেল ছাড়া প্রফেসররা রোগী দেখেন না। কোন ডাক্তারকে ভুয়া সন্দেহ হলে উনার (বি এম ডিসি) নাম্বার জেনে নিন।
ল্যাবে রক্ত পরীক্ষা করার আগে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা উচিত

৩) শারীরিক সমস্যা সামান্য হলে, বড় ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত নয়।কারণ উনি রোগী দেখেন সীমিত,আমার একজনের জন্য মূমুর্ষ কোন রোগী সিরিয়াল পেল না এবং উনি নিজেও উনার অর্জিত জ্ঞানের প্রয়োগ করতে পারলেন না।

৪) যাবার আগে আপনার কেমন খারাপ লাগছে তা একটি কাগজে নোট করে নিন যেমন:-

# কোন সময় খারাপ লাগে

# কেমন খারাপ লাগে

# ব্যথা হয় কিনা

# ক্ষুধা কেমন লাগে

# ঘুম কেমন হয়

# ক্লান্তি বোধ হয় কিনা

কালচার ও সেনসিটিভিটি টেস্ট কিভাবে রোগীর জীবন রক্ষা করে

৫) আগে কোন ডাক্তার দেখালে তার প্রেসক্রিপশন সাথে নিতে হবে।

৬)  আগে টেস্ট যদি করে থাকেন সেগুলো সাথে নিবেন।

৭) বংশের কারো রোগের ইতিহাস থাকলে তা জেনে নিতে হবে।দাদা-দাদী,নানা-নানী ইত্যাদি।

৮) যদি নিয়মিত ঔষধ খান সেগুলো নিয়ে যাবেন অথবা নাম ও এমজি লিখে নিয়ে যাবেন।

৯) ভিজিট কত এবং রিপোর্ট দেখানোর জন্য ভিজিট নেয় কিনা জেনে নিবেন।

১০) ডাক্তারের চেম্বারে গেলে অবশ্যই সাথে একজন নিবেন। খুব ভালো হয় যদি তিনি আপনার রোগ সর্ম্পকে অবহিত থাকেন।

১১)  সময়ের আগেই চেম্বারে উপস্থিত হবেন এবং ধৈর্য্য সহকারে অপেক্ষা করুন।

১২) অপেক্ষারত সময়ে আগে চেম্বারে ঢুকার জন্য ডাক্তার আসিট্যান্টকে প্রেশার দিবেন না।কারণ অপেক্ষারত সবাই আপনার মত রোগী।

১৩) ডাক্তার দেখানোর আগে উনার চেম্বার টাইম,সিরিয়াল এগুলো সব জেনে নিবেন।

১৪) মনে করুন, যদি হার্টের সমস্যার জন্য ডাক্তারের কাছে যান কিন্তু আপনি একজন গ্যাস্ট্রোলিভার ডাক্তারের ট্রিটমেন্ট যাওয়ার সময় উনার প্রেসক্রিপশনও সাথে নিবেন।

১৫)  ডাক্তারের কাছ থেকে কোন কিছু গোপন করবেন না।খোশগল্প করবেন না।

১৬) আপনার কিছু নিয়ে আপত্তি থাকলে সরাসরি বলুন ডাক্তারকে।

১৭) ডাক্তার   টেস্ট দিলে এর সর্ম্পকিত কোন প্রশ্ন থাকলে জেনে নিবেন।যদিডিস্কাউন্ট দরকার হয় তবে উনার থেকে রেফারেন্স নিবেন।নতুবা ল্যাবে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়বেন।

১৮) টেস্ট কোথায় করাবেন সে স্বাধীনতা পুরো আপনার উপর।

১৯) প্রথম সাক্ষাতে টেস্ট করতে দিলে প্রেসক্রাইভকৃত ঔষুধ পুরো  মাসের না নিয়ে রিপোর্ট দেখানোর তারিখ পর্যন্ত নিন।কারণ রিপোর্ট দেখে ঔষধ বদলে দিতে পারে।

২০) ডাক্তার এর রুমে ঢুকার আগে মুখটা ভালো করে পরিষ্কার করে আসবেন। বিশেষ করে পান খেয়ে আসবেন না। কারণ অনেক সময় মুখের ভিতর ও জিহবা দেখতে হয়।

২১) সর্বোপরি প্রেসক্রিপশন না বুঝলে বুঝে নিন।ডাক্তার আপনাকে বুঝিয়ে দিতে বাধ্য।

টাইফয়েড টেস্টঃ সঠিক রিপোর্ট পেতে সঠিক সময়ে টেস্ট করুন

ডাক্তার দেখানোর আগে যে কাজ গুলো করা উচিত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to top
error: Content is protected !!