Tag Archives

7 Articles

ল্যাব টেস্ট (Lab Test): কি কি কারণে ভুল বা ভিন্ন রিপোর্ট আসতে পারে

ল্যাব টেস্ট (Lab Test): কি কি কারণে ভুল বা ভিন্ন রিপোর্ট আসতে পারে

বেশ কিছুদিন আগে ইন্ডিয়া ফেরত একজন রোগী এসেছিলেন। তাঁর বোন ম্যারো পরীক্ষার রিপোর্ট ইন্ডিয়ায় তিনবার করে তিন রকম রিপোর্ট দিল।

রোগীর ছেলে ঢাকা ভার্সিটি পড়েন।

বললাম, এরকম যদি পিজি হাসপাতালে হতো, কি করতেন?

কিছু বলেন না। চুপ।

বললাম, গিয়ে মারামারি করতেন না?

এবারো চুপ।

আর কিছু বললাম না। জিজ্ঞেস করে জানলাম টেস্ট এর বেশ দাম নিয়েছে। বাংলাদেশে আমরা এর চেয়ে কম দামেই সেই পরীক্ষা করি।

যাই হোক ল্যাব টেস্ট নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলেন। মজার ব্যপার হল অন্যান্য এর-ওর সাথে ল্যাব এর সাথে সংশ্লিষ্ট নন এমন ডাক্তাররাও বলেন। এই ধরণের যারা নিজে কখনো মাঠে না নেমে বড় বড় কথা বলেন তাদের জন্য কিছু কথা।

যেসব কারণে টেস্ট রিপোর্ট ভুল বাঁ ভিন্ন হতে পারেঃ

১. অনেক টেস্ট এরই false negative বা false positive রিপোর্ট এর কথা মেডিকেল টেক্সট বইতেই বলা আছে। তাই রোগ থেকেও টেস্ট এ নেই বলা বা রোগ না থেকেও আছে বলার অনেক কারণ বিশ্বের সবখানেই নতুন কিছু নয়।

চট্টগ্রামের সেরা ১০ স্ত্রী ও প্রসূতীরোগ বিশেষজ্ঞ

২. আপনার একেবারে নতুন কেনা গাড়িটি যেমন হঠাৎ বিকল হয়ে যায় তেমন ল্যাবের মেশিনও কিছু ভুল রিপোর্ট দিতে পারে। ভারতের কোটি কোটি ডলারের চন্দ্রযান শেষ মূহুর্তে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কথা মনে করুন।

 

৩. মেশিনে যে রি-এজেন্ট ব্যাবহার করা হয় তার উপর নির্ভর করে টেস্ট এর রেসাল্ট পরিবর্তন হতে পারে। বিভিন্ন রি এজেন্ট বিভিন্ন রেসাল্ট দেয়।

চট্টগ্রামের সেরা ১০ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

৪. টেস্ট এর নাম একি হলেও টেস্ট করার পদ্ধতির ভিন্নতার কারণে টেস্ট এর রেসাল্ট ভিন্ন হতে পারে। ভিন্ন ভিন্ন মেশিনে একই টেস্ট এর ভিন্ন রিপোর্ট আসতে পারে।

 

৫. সব ঠিক থাকলেও একই রোগির টেস্ট এর রিপোর্ট সকালে এক রকম বিকালে একরকম আসতে পারে।

চট্টগ্রামের সেরা ১০ নিউরো-মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

৬. রোগী যেসব ওষুধ পাচ্ছেন তার উপর নির্ভর করে টেস্ট এর রিপোর্ট পরিবর্তন হতে পারে।

 

৭. মহিলাদের প্রেগ্নেন্সি, পিরিয়ড এসবের উপর কিছু টেস্ট এর ভিন্ন ভিন্ন রেসাল্ট নির্ভর করে।

চট্টগ্রামের সেরা ১০ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

৮. রক্তরোগের ক্ষেত্রে ওষুধ রক্ত এসব পাওয়ার উপর টেস্ট এর রিপোর্ট ব্যাপক পরবর্তন হয়।

 

৯. কিছু human error সবখানে সব দেশেই হয়। টাইপিং মিস্টেক, স্যাম্পল এক্সচেঞ্জ, স্যাম্পল নষ্ট হয়ে যাওয়া, স্যাম্পল পর্যাপ্ত না হওয়া ইত্যাদি। অধিক টেস্ট স্বল্প সময়ে করতে গেলেও ল্যাব টেকনোলজিস্ট ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ মানবিক ভুল করতে পারেন।

চট্টগ্রামের সেরা ১০ শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ

১০. রোগীরা অনেক সময় যেভাবে ইন্সট্রাকশন দেওয়া হয়েছে সেভাবে প্রিপারেশন নেন না যা টেস্ট রিপোর্ট এ প্রভাব ফেলে কিন্তু ডাক্তার সাহেবের পক্ষে জানা সম্ভব হয়না যে রোগী আসলে ঠিক নিয়মে টেস্ট করেননি।

 

১১. বোনম্যারোর (Bone marrow) মত টেস্টগুলো সম্মানিত বিশেষজ্ঞগণের মধ্যে ভিন্নমত দেখাতে পারে। যেমন একটি কবিতা দুই জনের কাছে দুই রকম লাগতে পারে।

চট্টগ্রামের সেরা ১০ মানসিকরোগ বিশেষজ্ঞ

১২. CBC, PBF শুধু মেশিনের রিপোর্ট আর একজন রক্তরোগ বিশেষজ্ঞের চোখে দেখা রিপোর্ট অনেক ভিন্নতা দেখায়।

 

১৩. নিজে নিজে থ্যালাসেমিয়ার টেস্ট করতে গেলে ভুল রিপোর্ট আসতে পারে।

লিস্ট অনেক বড় হয়ে যাবে। সেদিকে না গিয়ে সমাধানের কথা বলি।

সমাধান হলঃ

১. সম্মানিত চিকিৎসক এর পরামর্শ ছাড়া নিজে নিজে টেস্ট করবেন না।

২. সম্মানিত চিকিৎসক এর ইন্সট্রাকশন মেনে যথাযথ সময়ে ও নিয়মে টেস্ট করবেন।

চট্টগ্রামের সেরা ১০ নাক,কান ও গলারোগ বিশেষজ্ঞ

৩. টেস্ট এর রিপোর্ট রোগীর সাথে না মিললে সংশ্লিষ্ট ল্যাব, টেকনোলজিস্ট ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর সাথে ক্লিনিশিয়ান নিজেই কথা বলবেন।

৪. প্রয়োজনে টেস্ট রিপিট করতে হতে পারে।

৫. কিছু জটিল টেস্ট যেমন বোনম্যারো পরীক্ষার আগে অবশ্যই সম্মানিত বিশেষজ্ঞ হেমাটোলোজিস্ট যিনি টেস্ট করবেন, তাঁর সাথে রোগির একটি সাক্ষাত আবশ্যক।

৬. শুধু টেস্ট এর রিপোর্ট দেখে চিকিৎসা হয় না। আবার শুধু রোগী দেখেও চিকিৎসা হয় না। এই ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

চট্টগ্রামের সেরা ১০ চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ

চিকিৎসা একটি জটিল ব্যাপার। টেস্ট গুলো দিন দিন আরো জটিল হয়ে যাচ্ছে। এসব ব্যাপারে সবার সচেতন থাকতে হবে। একজন চিকিৎসক সব সময় চান তাঁর রোগী ভাল থাকুন। তাই রোগীদেরও হুজুগ বাদ দিয়ে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। ল্যাব এর কোয়ালিটি কন্ট্রোল নিয়ে ল্যাবগুলোকে সচেতন হতে হবে। ভাল মেশিন, ভাল রিয়েজেন্ট, ভাল ল্যাব টেকনোলজিস্ট সবাই মিলে টিমওয়ার্ক ভাল হলেই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ভাল রিপোর্ট দিতে পারবেন যা দেশে অনেক ভাল ল্যাবেই সুন্দরভাবে হচ্ছে।

আল্লহ আমাদের সবাইকে ভাল রাখুন।

ডাঃ মু জামাল উদ্দিন তানিন
রক্তরোগ ও রক্তক্যান্সার বিশেষজ্ঞ
চট্টগ্রাম।

ল্যাবে রক্ত পরীক্ষা (Blood Test) করার আগে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা উচিত

ল্যাবে রক্ত পরীক্ষা (Blood Test) করার আগে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা উচিত

Things to keep in mind before performing a blood test in the lab

পৃথিবীতে অনেকগুলো রোগের লক্ষণ দেখতে একই রকম আর ডাক্তার শুধু মাত্র দেখে রোগ সর্ম্পকে ধারণা করেন কিন্তু নিশ্চিত হওয়ার জন্য টেস্ট করতে দেন। তাই টেস্ট দিলে বিরক্ত না হয়ে টেস্ট করার আগে বিভিন্ন নিয়ম সমন্ধে জেনে নেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।কারণ অনেক সময় দেখা যায়,ভুল রিপোর্টের কারণে চিকিৎসাও ভুল হয়।

পেনিস ক্যালকুলেটরঃ জেনে নিন আপনার কি অবস্থা

১) ডাক্তার যখন আপনাকে টেস্ট/ Test   দেন,সংকোচ না করে টেস্টের ব্যাপারে বিস্তারিত জেনে নিবেন।এতে অহেতুক ভুল বুঝাবুঝি,সময় ও অর্থ  নষ্ট থেকে বেঁচে যাবেন।

২) টেস্ট কি খালি পেটে না ভরা পেটে তা জেনে নিবেন। রক্ত দেয়ার আগে এক্সরে,সিটিস্ক্যান,এমআরআই ইত্যাদি কোন ধরনের ইমেজিং টেস্ট করা যাবে না।

চট্টগ্রামের সেরা ১০ নিউরো-মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

৩) দিনের কোন সময়ে টেস্ট করাবেন জেনে নিবেন।

৪) নিয়মিত যে ঔষধ খান,টেস্ট করানোর আগে তা খাবেন কিনা জেনে নিবেন।বিশেষ করে ডায়াবেটিক,কিডনী ও হরমোনজনিত রোগের রোগীরা সর্তক থাকবেন।

৫) আপনি যদি কোন ডিসকাউন্ট চান তবে তা ডাক্তার থেকে লিখিয়ে নিন।

৬) ডায়াগনস্টিক সেন্টারে টেস্ট এন্ট্রি করার পর আবার প্রেসক্রিপশন এর সাথে মিলিয়ে নিন

ডাক্তার দেখানোর আগে যে কাজ গুলো করা উচিত

৭)  যাবতীয় ফর্মালিটি শেষ করে ১০-১৫ মিনিট শান্ত হয়ে বসুন। এতে আপনার শরীর ” ব্যাসাল স্টেট” চলে আসবে যা নির্ভুল টেস্টের বড় ফ্যাক্টর।তারপর স্যাম্পল দিন।

৮) আপনি কোন মেডিসিন খেয়ে থাকলে তা ল্যাব টেকনোলজিস্টকে জানান।ইনসুলিন নিয়ে থাকলেও জানাবেন।

৯) আপনার যদি কোন স্পেশাল থেরাপি বা ট্রিটমেন্ট চলে তবে তা জানাবেন।

১০)  খালি পেটে থাকার সময় ৮- ১০ ঘন্টার অধিক হয়ে গেলে  ঐদিন কেমিস্ট্রি ও হরমোন টেস্ট করাবেন না।

১১) নিয়মের বাইরে যাওয়ার জন্য ল্যাব পারসোনালকে অনুরোধ করবেন না।এতে আপনারই ক্ষতি হবে।

১২)  আপনার যদি অনেক গুলো  টেস্ট থাকে,তবে দায়িত্নরত টেকনোলজিস্ট এর সাথে আলোচনা করুন।

১৩) সাধারণত টেস্টের জন্য মর্নিং স্যাম্পল সবচেয়ে ভালো, দুপুরে বা বিকেলে গিয়ে মর্নিং স্যাম্পল নেওয়ার জন্য অনুরোধ করবেন না।এতে ভুল রেজাল্ট আসার সম্ভাবনা বেশী।

১৪) টেস্ট প্রক্রিয়ায় কোন সন্দেহ বা জানার ইচ্ছে হলে সরাসরি প্রশ্ন করুন।এতে আপনি ও ল্যাব অথরিটি সবাই উপকৃত হবেন।

১৫) কোন স্যাম্পল রিপিট দিতে বললে ও যৌক্তিক কারণ দেখালে আবার স্যাম্পল দিন।এতে ওদের দুইবার খরচ হলেও আপনি বিনামূল্য টেস্ট রিপিট করাতে পারছেন।

কালচার ও সেনসিটিভিটি টেস্ট কিভাবে রোগীর জীবন রক্ষা করে

১৬) সব টেস্ট এক দিনে করাতে না পারলে অস্থির হবেন না।পরেদিন আবার টেস্ট করুন।

১৭) ডাক্তার যে ল্যাবে টেস্ট করতে বলেছে ঐ ল্যাব যদি আপনার আস্থা অর্জন করতে না পারে তবে সেখানে টেস্ট করবেন না।আর নিয়ম অনুযায়ী আপনি বাধ্যও নন।

১৮) টেস্ট করার আগে ল্যাবের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিন। যেমন:

# “স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি”  সার্টিফায়েড মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আছে কিনা?

# তাদের নিজস্ব প্যাথলজিস্ট,বায়োকেমিস্ট ও মাইক্রোবায়োলজিস্ট আছে কিনা?

# তাদের সব মেশিনারিজ ও রিয়েজেন্ট আছে কিনা?

# তারা অন্য ল্যাব থেকে টেস্ট করিয়ে আনে কিনা?

এসবই আপনার জন্য খুব গুরুত্ববহন করে।একটি ভুল রিপোর্ট আপনার মূল্যবান সময় ও অর্থ সম্পদ ও মানসিক শান্তি নষ্ট করবে।

( রোগীর রোগ নির্ণয় ও রোগ নিরাময়ে রোগী নিজেই বড় ভূমিকা রাখে)

চট্টগ্রামের সেরা ডায়াবেটিক ফুট বিশেষজ্ঞ

 

সেরা ১০ ফিজিকাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

সেরা ১০ নিউরোসার্জন চট্টগ্রাম

সেরা ডায়াবেটিক ফুট স্পেশালিষ্ট চট্টগ্রাম

সেরা ১০ অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ নিউরো-মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ স্ত্রী ও প্রসূতীরোগ বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ মানসিকরোগ বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ নাক,কান ও গলারোগ বিশেষজ্ঞ

 

চট্টগ্রামের সেরা ১০ ডায়াবেটিস ও হরমোন বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও লিভার বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ কিডনী রোগ বিশেষজ্ঞ

সেরা ১০ ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ

বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ চট্টগ্রাম

কক্সবাজারের স্বাস্থ্যসেবা তথ্য

বিলিরুবিন বা জন্ডিস টেস্ট (Bilirubin Test): কি ও কেন করা হয় এবং সর্তকতা

বিলিরুবিন বা জন্ডিস টেস্ট (Bilirubin Test): কি ও কেন করা হয় এবং সর্তকতা

বিলিরুবিন (Bilirubin) একধরনের হলুদ রংয়ের পিগমেন্ট যা স্বাভাবিক ভাবে রক্ত ও মলে থাকে।বিলিরুবিন টেস্টের মাধ্যমে শরীরের বিলিরুবিন এর মাত্রা নির্ণয় করা হয়।মাঝে মাঝে লিভার শরীরে বিলিরুবিন প্রসেস করতে পারে না।এটা শরীরের বিলিরুবিন বেড়ে যাওয়ার কারণে হতে পারে বা লিভারে ইনফেশনের কারণে হতে পারে।

এই সময় শরীরের রং হলুদ হয়ে যায়,প্রস্রাব আর মলের রং হলুদ হয়ে যায়।

চট্টগ্রামে মেডিকেল হোম সার্ভিস পেতে

রোগীর প্রস্তুতিঃ

# এই টেস্টের জন্য  তেমন কোন প্রিপারেশন নেই।

# কোন এন্টিবায়োটিক নিয়ে থাকলে জানাতে হবে।

# কেমোথেরাপি বা কোন ধরনের রেডিয়েশন বা হিট থেরাপি নিলে জানাতে হবে।

# বিলিরুবিন টেস্ট না করে স্যাম্পল ফেলে রাখলে সময়ের সাথে সাথে কমে যায়।ভালো ল্যাবে টেস্ট করুন।

# বার্থ কন্ট্রোল পিল খেলে টেস্ট করার সময় জানাতে হবে।

 

নরমাল রেঞ্জঃ 0.3 – 1.2 mg/dl

 

কখন বিলিরুবিন বেড়ে যায়ঃ

# লিভার ডিজিস

# গিলভার্ট সিনড্রোম

# বিলিয়ারি স্ট্রিকচার

# ক্যান্সার(গলব্লাডার বা প্যানক্রিয়াস)

# ঔষধের পাশ্বপ্রতিক্রিয়া

# লিভার সিরোসিস

 

সর্তকতাঃ

# একই দিনে বিভিন্ন ল্যাবে টেস্ট করালে হয়তো পয়েন্ট এদিক-ওদিক হতে পারে,তবে কখনো ১ পয়েন্ট এর ব্যবধান হবে না।

# একদম ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে  বিলিরুবিন টেস্ট বেশ কয়েক বার রিপিট করতে হয়।

# বিলিরুবিন টেস্টের বাচ্চাদের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত স্যাম্পল নেয়া নিশ্চিত করতে হবে।

# “Heamolized Sample” থেকে বিলিরুবিন রেজাল্ট ভুল আসে।

# বিলিরুবিন টেস্টের সাথে ক্রস চেকিং টেস্ট হিসেবে “SGPT” করালে ভালো।

প্রস্রাব বা ইউরিন টেস্ট (Urine Test) কেন করা হয়?

প্রস্রাব বা ইউরিন টেস্ট (Urine Test) কেন করা হয়?

Why is a urine test done?

প্রস্রাব/Urine আমাদের শরীরের তরল বর্জ্য।এতে প্রধানত পানি,লবণ ও রাসায়নিক বস্তুু যেমন ইউরিয়া ও ইউরিক এসিড থাকে। শরীরের কিডনী যখন রক্ত থেকে বিষাক্ত বর্জ্য আলাদা করে তখনই প্রস্রাব বা ইউরিন উৎপন্ন হয়।

প্রস্রাব/Urine এ সাধারণত অনেক ধরনের এলিমেন্ট থাকে কিন্তুু  শরীরে যখন কোন ধরনের ইনফেকশন হয় বা কোন রোগ বাসা বাধেঁ তখন শরীরে অতিরিক্ত কিছু এলিমেন্ট উৎপন্ন হয় যা প্রস্রাবের সাথে শরীরের বাইরে বের হয়ে আসে।যা থেকে অনেক রোগ ডায়াগনোসিস করা হয়।

চট্টগ্রামে মেডিকেল হোম সার্ভিস পেতে

যেসব কারণে প্রস্রাব পরীক্ষা করা হয়:

১) রুটিন মেডিক্যাল চেকআপ  হিসেবে

২) সার্জারী করার আগে

৩)  বিভিন্ন রোগ ডায়াগনোসিসে যেমন:

# ডায়াবেটিস

# কিডনী রোগ

# লিভার রোগ

# মূত্রাশয় ও মূত্রনালীর    সংক্রমণ

৪) প্রেগন্যান্সি ডিটেকশন করার জন্য

৫) যদি রোগীর নিচের লক্ষণ সমূহ দেখা দেয়:

# তলপেটে ব্যথা

# পেছনে কোমড়ে ব্যথা

# প্রস্রাবের সাথে রক্ত গেলে

# প্রস্রাব করার সময় জ্বালা-পোড়া করলে

# প্রস্রাবের রং এ পরিবর্তন হলে

প্রস্রাব বা ইউরিন টেস্টে সঠিকভাবে স্যাম্পল দেয়া হলে প্রাথমিক স্টেজেই অনেক রোগ ধরা পড়বে।এতে সময় ও অর্থ দুটোই বাচঁবে।প্রস্রাব টেস্ট করার আগে প্রস্তুতি সর্ম্পকে জানতে ক্লিক করুন

ডায়াবেটিক ফুট: এ ভয়ংকর রোগের সমাধান কি?

চট্টগ্রামের সেরা ডায়াবেটিক ফুট বিশেষজ্ঞ

 

সেরা ১০ ফিজিকাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

সেরা ১০ নিউরোসার্জন চট্টগ্রাম

সেরা ডায়াবেটিক ফুট স্পেশালিষ্ট চট্টগ্রাম

সেরা ১০ অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ নিউরো-মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ স্ত্রী ও প্রসূতীরোগ বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ মানসিকরোগ বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ নাক,কান ও গলারোগ বিশেষজ্ঞ

 

চট্টগ্রামের সেরা ১০ ডায়াবেটিস ও হরমোন বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও লিভার বিশেষজ্ঞ

চট্টগ্রামের সেরা ১০ কিডনী রোগ বিশেষজ্ঞ

সেরা ১০ ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ

বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ চট্টগ্রাম

কক্সবাজারের স্বাস্থ্যসেবা তথ্য

ডাক্তার রুটিন ল্যাব টেস্ট গুলো কি কারণে দেন?

ডাক্তার রুটিন ল্যাব টেস্ট গুলো কি কারণে দেন?
Blood Collection Time

What is the reason that doctors give routine lab tests?

অধিকাংশ রোগী ও রোগীর আত্মীয়স্বজনেরর ধারণা ডাক্তার অহেতুক টেস্ট দেন।হয়তো কেউ কেউ কমিশনের কথা মনে করে।প্রত্যেক রোগের কিছু প্রাইমারী সিম্পমটম থাকে যা সব রোগের ক্ষেত্রে একই দেখা যায়।ডাক্তার সাহেব কনর্ফাম হওয়ার জন্য রোগীকে টেস্ট দিয়ে থাকেন।ব্যাকটেরিয়াল রিলেটেড জ্বর আর ভাইরাস রিলেটেড জ্বর একই সিম্পটম দেখায়।

পেনিস ক্যালকুলেটরঃ জেনে নিন আপনার কি অবস্থা

এখন ঔষধ দিতে হলে বুঝতে হবে ঘটনা কে ঘটায়ছে।তাই টেস্ট দিলে বিরক্ত হবেন না, বরং কারণটা জেনে নিন।এতে রোগীর সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।

আসুন জেনে নিই কমন কিছু পরীক্ষা কেন করা হয়:

১) CBC
# জ্বর হলে কি কারণে হচ্ছে তার ধারণা নেয়ার জন্য।অনেক সময় blood culture করতে হয়।
# শরীরে রক্তের পরিমাণ কেমন আছে জানার জন্য
# রক্তের ঘাটতি থাকলে সেটা আয়রণ বা ভিটামিনের অভাবে হচ্ছে কিনা জানার জন্য।
# শরীরে এলার্জি কেমন তার ধারণা পাওয়া যায়
# রক্তে ইনফেকশন বা প্রদাহ কেমন তার ধারণা পাওয়া যায়
# রক্ত জমাট বাধার উপাদান কি পরিমাণ আছে তা জানা যায়
# ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে কিনা তার ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়।

২) Urine R/E প্রস্রাব টেস্ট

# ইনফেকশন আছে কিনা,থাকলে সিভিয়ারিটি কতটুকু
# ডায়াবেটিস আছে কিনা
# প্রোটিন যায় কিনা
# রক্ত যায় কিনা
# কিডনীতে পাথর আছে কিনা

৩) RBS-Random Blood Sugar

ডায়াবেটিস আছে কিনা তার ধারণা করার জন্য প্রাথমিক টেস্ট

৪) Serum Creatinine

যেইসব রোগীর কিডনীর সমস্যা হতে পারে বলে ধারণা করা হয় এ টেস্ট তাদের করা হয়।(প্রেশার ও ডায়াবেটিস রোগীর জন্য বাধ্যতামূলক টেস্ট। ব্যথার ঔষধ দেয়ার আগেও এটেস্ট করা উচিত)

৫) Lipid profile

রক্তে চর্বির পরিমাণ বুঝার জন্য এটা করা হয়।হার্টের ও প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগীর জন্য এটা খুব জরুরি।

৬) Serum Bilirubin

জন্ডিস আছে কিনা দেখা হয়।একদম প্রাথমিক টেস্ট।জন্ডিস হয়ে গেলে আরো টেস্ট করতে হয়।

৭) SGPT/SGOT
লিভারের কন্ডিশন বুঝার জন্য এটা করা হয়।লিভার কতটুকু এনজাইম উৎপন্ন করছে তা দেখা হয়।

৮) Serum Electrolyte

রক্তে খনিজের পরিমাণ জানার জন্য এটা করা হয়।শরীর দূবল লাগলে,বেশী বমি,ডায়রিয়া এসব ক্ষেত্রে এ পরীক্ষা করা হয়।

৯) BT CT
রক্তরোগের ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়।

১০) ECG
হৃদরোগের অবস্থা বুঝার জন্য প্রাথমিক টেস্ট

১১) Chest X-ray

বুকের ও হার্টের কন্ডিশন বুঝার জন্য করা হয়।

কোন টেস্ট অকারণে করা হয় না।অনেকসময় ঔষধের কার্যকরণ বুঝার জন্য করা হয়।তবে টেস্ট করলেই হবে না।সঠিকভাবে,সঠিক জয়গায় ও সঠিক মানুষ দিয়ে করাতে হবে।না হয় ভুল চিকিৎসার শিকার হতে পারেন।
টেস্টের সঠিক রিপোর্ট পাওয়ার নিয়মকানুন জানার জন্য এই লিংকে ঘুরে আসুন 

ল্যাবে প্রস্রাব বা ইউরিন টেস্ট (Urine Test) করার আগে জেনে নিন

ল্যাবে প্রস্রাব বা ইউরিন টেস্ট (Urine Test) করার আগে জেনে নিন

Before you do urine test in the lab, find out important things

প্রস্রাব বা urine আমাদের শরীরের তরল বর্জ্য পদার্থ।পানি,লবণ,ইউরিয়া,ইউরিক এসিড ও আরো বিভিন্ন এলিমেন্ট দিয়ে প্রস্রাব গঠিত।শরীর প্রস্রাবের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকারক জিনিস বের করে দেয়।প্রস্রাব সঠিক ভাবে পরীক্ষার মাধ্যমে অনেক রোগ সহজেই ধরা সম্ভব এবং তা প্রাথমিক স্টেজ এ থাকতেই।সঠিক রিপোর্ট পাওয়ার জন্য আপনাকে প্রস্রাব পরীক্ষার কিছু ব্যাপার সর্ম্পকে অবশ্যই জানতে হবে।আপনার সহযোগীতা দ্রুত রোগ নির্ণয়ে ভূমিকা রাখবে।

চট্টগ্রামে মেডিকেল হোম সার্ভিস পেতে

১) প্রস্রাব টেস্টের ( urine test ) ক্ষেত্রে স্যাম্পল হিসেবে সকালে প্রথম প্রস্রাবটা উত্তম ধরা হয়।

২) এখানে খালি পেট বা ভরা পেট এরকম কোন কন্ডিশন নেই।

৩) টেস্ট করার আগে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন।

৪) যতটুকু পরিমাণ দিতে বলা হয়,ততটুকুই দিন।

৫)  ল্যাব থেকে যে কন্টেইনার বা ভায়াল দেয়া হয় সেটাতে স্যাম্পল দিতে হবে।কারণ  এগুলো ওয়ান টাইম ইউজ ও ডিসইনফেক্ট করা।

৬) স্যাম্পল নেয়ার আগে কন্টেইনার বা ভায়াল চেক করে দেখুন ঠিক আছে কিনা বা  ভেতরে কিছু আছে কিনা।

৭) প্রস্রাব নেয়ার সময় প্রথম কিছু অংশ বাদ দিতে হবে,মাঝের সময়টুকু নিতে হবে। শেষ অংশটুকু নেয়া যাবে না।

৮) প্রস্রাব নেয়ার পূর্বে পুরুষ/মহিলা উভয়ের জননাঙ্গ পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।

৯) প্রস্রাব নেয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন কন্টেইনার এর ভেতরে পানি বা টিস্যু  না পড়ে।

১০) কন্টেইনার এর ভেতর হাত দেয়া যাবে না।কারণ এতে আপনার হাতের “নরমাল  ফ্লোরা বা ব্যাকটেরিয়া ” ট্রান্সফার হতে পারে।

১১) রোগী যদি ক্যাথেটার বা ইউরোব্যাগ ব্যবহার করে,তাহলে স্যাম্পল নেয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে প্রস্রাব যেন ১-২ ঘন্টার বেশী জমানো না হয়।কারণ জমে থাকা   প্রস্রাবে “পাস সেল” ও ব্যাকটেরিয়া জন্ম নিতে পারে।

১২) সবচেয়ে ভালো হয় যদি নতুন ইউরো ব্যাগ বা ক্যাথেটার থেকে স্যাম্পল নিতে  পারলে।

১৩) “Culture and Sensitivity Test”  এর সময় আপনি যদি এন্টিবায়োটিক নিয়ে  থাকেন তাহলে তা ল্যাব টেকনোলজিস্ট জানাবেন।

১৪) আপনি যদি এন্টি-টিবি ড্রাগ নিয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই তা জানাবেন।কারণ এ  ঔষধ প্রস্রাবের রং পরিবর্তন করে দেয়।

১৫) যদি দীর্ঘ দিন ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট নিয়ে থাকেন,তবে তা স্যাম্পল দেয়ার সময় অবশ্যই জানাবেন।

১৬) প্রস্রাবের সাথে যদি অন্য কিছু যায়(পুজ,রক্ত) তবে সেগুলো সহ স্যাম্পল নিবেন।

১৭)  আপনাকে যদি ২৪ ঘন্টার প্রস্রাব টেস্ট দেয়া হয় তাহলে স্যাম্পল কন্টেইনার ল্যাব  থেকে নিয়ে আসবেন কারণ এ টেস্টের জন্য “প্রিজারভেটিভ” ব্যবহার করা যেমন:   ফরমালিন,থাইমল,টলুইন ইত্যাদি।স্যাম্পল নেয়ার পুরো প্রক্রিয়াটা ভালো ভাবে জেনে নিবেন।

১৮) বাসা থেকে যদি স্যাম্পল নিয়ে আসেন তবে তা কালেকশন করার ১ ঘন্টার ভেতরে নিয়ে আসবেন।

১৯)” প্রেগন্যান্সি টেস্ট ” এ সকালের স্যাম্পল ছাড়া টেস্ট করাবেন না।কারণ এসময় “HCG” হরমোন বেশী থাকে।

২০) মহিলা রোগীর ক্ষেত্রে যদি পিরিয়ড  বা Menstruation হচ্ছে,তাহলে পিরিয়ডের   সময় কমপ্লিট হওয়ার স্যাম্পল দিতে হবে।কারণ “RBC cell” থাকার কারণে   রিপোর্ট ভুল আসবে।

যেসব নির্দিষ্ট কারণে ডাক্তার টেস্ট করতে দেন

যেসব নির্দিষ্ট কারণে ডাক্তার টেস্ট করতে দেন

The specific reasons for the doctor to test

আমরা যখন শারীরিক সমস্যার কারণে ডাক্তারের তখন আমাদের বিভিন্ন টেস্ট করতে দেন।আমরা মনে করি এসব অযথা,অপ্রয়োজনীয়। আসলে যা সঠিক নয়।শরীরের অনেকগুলো রোগের উপসর্গ একই,সামান্য কিছু পার্থক্য থাকে।যার কারণে ডাক্তার সামান্যতম অমনোযোগী হলে রোগীর জীবন সংকটে পড়ে যায়।

পেনিস ক্যালকুলেটরঃ জেনে নিন আপনার কি অবস্থা

আসুন,জেনে নিই কারণগুলো:

১) আমাদের শরীর বিভিন্ন ধরনের অর্গান বা অঙ্গ দিয়ে গঠিত।সব অঙ্গ ঠিকমত কাজ করছে কিনা, সঠিক পরিমাণে হরমোন,এনজাইম রিলিজ করছে কিনা জানতে টেস্ট করতে হয়।

২) আপনার শরীরে কোন “ফরেন বডি” র উপস্থিতি জানার জন্য টেস্ট করতে হয়।

৩)আপনার শরীরের জন্য কোন ঔষধটি ঠিকমত কাজ করবে, তা জানার জন্য টেস্ট করতে হয়।

৪) প্রেসক্রাইবকৃত ঔষধ আপনার শরীরের জন্য  সেনসিটিভ বা রিঅ্যাক্ট করবে কিনা তা জানার জন্য টেস্ট করতে হয়।

৫) ট্রীটমেন্ট পরবর্তী আপনার শরীরের অবস্থা জানার জন্য টেস্ট করতে হয়।

ল্যাবে রক্ত পরীক্ষা করার আগে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা উচিত

৬) অপারেশন করার আগে বা কেমোথেরাপি দেয়ার আগে রোগীর শরীর ধকল সহ্য করতে পারবে তা জানার জন্য টেস্ট করতে হয়।

৭) “Prevention is better than cure” সকল রোগীর ক্ষেত্রে এটাকে ভিত্তি ধরে ডাক্তার চিকিৎসা শুরু করেন যেমন: আপনার কাশি হলো আপনি ভাবলেন এটা ঠান্ডা বা ফ্লু কিন্তুু এটা “মেটাস্টাটিক লাং ক্যানসার”  একটা সাইন হতে পারে।

আপনাকে “এন্ডোস্কপি” করতে বললো যদিও ডাক্তার ৯৯% শিউর আপনার “কোলন ক্যানসার” হয়নি,তারপরেও কোন রিস্ক নিতে চান না।

৮) আপনার টেস্ট রেজাল্ট গুলো ক্রস চেক করার জন্য।যেমন: যক্ষার ক্ষেত্রে “‘কফ টেস্ট” দেয়,সাথে আবার ” এক্স-রে চেস্ট” দেয়।২টাই আপনার রোগের ব্যাপারে ১০০% নিশ্চিত হওয়ার জন্য।

৯) আপনি গত সপ্তাহে টেস্ট করালেন আজকে ডাক্তার দেখালেন আবারও একই টেস্ট দিল সমস্যা কি?

আমাদের শরীরে মেটাবলিক সিস্টেম প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়,হচ্ছে।যার কারণে আবারও ডাক্তারকে টেস্ট দিতে হয়।

তবে ডাক্তার নির্দেশিত ডায়াগনস্টিক সেন্টার আপনার ভালো মনে না হলে, সেখানে টেস্ট করাবেন না।আপনি বাধ্য নন।প্রয়োজন বোধে আইনের আশ্রয় নিন।

Don`t copy text!

ডেলটা হেলথ কেয়ার,চট্টগ্রাম-এর বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন (একেবারে ফ্রি)

01841-906040